বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের মাঝবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব থেকে চুরি হওয়া নয়টি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সেই সঙ্গে আটক করেছে সেই স্কুলেরই দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।
গতকাল বুধবার থেকে আজ বেলা ৩টা পর্যন্ত বালিয়াকান্দির বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ১০টি ল্যাপটপের মধ্যে নয়টি ল্যাপটপ উদ্ধার করতে সক্ষম পুলিশ। এই চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আটকরা হলো—মাঝবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আশিকুর রহমান (১৪) ও মো. মনিরুল ইসলাম মনির (১৪)। আশিকুর রহমান নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের আজিম উদ্দিন সরদারের ছেলে ও মনিরুল ইসলাম ঠাকুর নওপাড়া গ্রামের আলা উদ্দিন শেখের ছেলে। আটক অপরজন বড় হিজলী গ্রামের মো. মমিন শেখের ছেলে মো. ইদ্রিস শেখ (১৯।
বালিয়াকান্দি থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ল্যাবের ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় গত ২৯ আগস্ট থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামানের দিক নির্দেশনায় আমার নেতৃত্বে এস আই রাজিবুল ইসলাম, এসআই টিটুল হোসাইন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. আশিকুর রহমানের কাছ থেকে চারটি ও ইদ্রিস শেখের বাড়ি থেকে পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করতে সক্ষম হই।’
মনিরুজ্জামান জানান, কম্পিউটার ল্যাবের দরজার তালা কাটতে যে হ্যাকশ ব্লেড ব্যবহার করা হয়েছিল সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে। অবশিষ্ট একটি ল্যাপটপ উদ্ধারের তৎপরতা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দায় স্বীকার করেছে। তাদের আগামীকাল শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের মাঝবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব থেকে চুরি হওয়া নয়টি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সেই সঙ্গে আটক করেছে সেই স্কুলেরই দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।
গতকাল বুধবার থেকে আজ বেলা ৩টা পর্যন্ত বালিয়াকান্দির বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ১০টি ল্যাপটপের মধ্যে নয়টি ল্যাপটপ উদ্ধার করতে সক্ষম পুলিশ। এই চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আটকরা হলো—মাঝবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আশিকুর রহমান (১৪) ও মো. মনিরুল ইসলাম মনির (১৪)। আশিকুর রহমান নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের আজিম উদ্দিন সরদারের ছেলে ও মনিরুল ইসলাম ঠাকুর নওপাড়া গ্রামের আলা উদ্দিন শেখের ছেলে। আটক অপরজন বড় হিজলী গ্রামের মো. মমিন শেখের ছেলে মো. ইদ্রিস শেখ (১৯।
বালিয়াকান্দি থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ল্যাবের ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় গত ২৯ আগস্ট থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামানের দিক নির্দেশনায় আমার নেতৃত্বে এস আই রাজিবুল ইসলাম, এসআই টিটুল হোসাইন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. আশিকুর রহমানের কাছ থেকে চারটি ও ইদ্রিস শেখের বাড়ি থেকে পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করতে সক্ষম হই।’
মনিরুজ্জামান জানান, কম্পিউটার ল্যাবের দরজার তালা কাটতে যে হ্যাকশ ব্লেড ব্যবহার করা হয়েছিল সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে। অবশিষ্ট একটি ল্যাপটপ উদ্ধারের তৎপরতা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দায় স্বীকার করেছে। তাদের আগামীকাল শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে