নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় শুটার জিনাত এবং হত্যার পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আটক অপর একজন তাঁদের সহযোগী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকালে ডিবির একজন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া শুটার জিনাত এবং পুরো ঘটনার পরিকল্পনাকারী বিল্লালকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের সহযোগী হিসেবে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদেরকে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।
এ বিষয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের একাধিক টিম ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে রয়েছে। তারা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে, তাদের মধ্যে সন্দেহভাজনেরা আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করছে ডিবি। এখনো একাধিক টিম ঢাকার বাইরে অভিযানে রয়েছে।’
এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় ৬০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিভিন্ন সময় ডাকা হয়েছে। যাদের কাছে তথ্য পাওয়া যাবে এবং যাদেরকে সন্দেহ হবে, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত বুধবার রাত ৮টার কিছু পর তেজতুরী বাজার এলাকার স্টার কাবাবের পাশের গলিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন আজিজুর রহমান মোসাব্বির। একই ঘটনায় কারওয়ান বাজার ভ্যানচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান মাসুদ গুলিবিদ্ধ হন। তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় শুটার জিনাত এবং হত্যার পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আটক অপর একজন তাঁদের সহযোগী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকালে ডিবির একজন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া শুটার জিনাত এবং পুরো ঘটনার পরিকল্পনাকারী বিল্লালকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের সহযোগী হিসেবে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদেরকে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।
এ বিষয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের একাধিক টিম ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে রয়েছে। তারা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে, তাদের মধ্যে সন্দেহভাজনেরা আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করছে ডিবি। এখনো একাধিক টিম ঢাকার বাইরে অভিযানে রয়েছে।’
এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় ৬০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিভিন্ন সময় ডাকা হয়েছে। যাদের কাছে তথ্য পাওয়া যাবে এবং যাদেরকে সন্দেহ হবে, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত বুধবার রাত ৮টার কিছু পর তেজতুরী বাজার এলাকার স্টার কাবাবের পাশের গলিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন আজিজুর রহমান মোসাব্বির। একই ঘটনায় কারওয়ান বাজার ভ্যানচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান মাসুদ গুলিবিদ্ধ হন। তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে