উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর তুরাগে পুলিশের এসআইকে ছুরিকাঘাতকারীর বাসা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বাড়ির ছাদের একটি ঘরে অবস্থান করছেন হামলাকারী আবদুর রউফ। তুরাগের ফুলবাড়িয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার বিল্লাল হাজী ছেলে আবদুর রউফের বাড়িতে আজ শুক্রবার রাত ১০টার দিকে এ দৃশ্য দেখা গেছে।
এর আগে তুরাগের ফুলবাড়িয়া বাজার সংলগ্ন ওই বাড়িতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে তুরাগ থানার এসআই শাহিনুর রহমানকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কুর্মিটোলা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সর্বশেষ তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
থানা–পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ওই বাসাটিতে এসআই শাহিনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালাচ্ছিল। সে সময় আবদুর রউফ এসআই শাহিনুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তাঁর ছোড়া ইট–পাটকেলের আঘাতে একজন পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন।
অভিযানরত পুলিশ সদস্যরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আবদুর রউফ একজন মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদক মামলা রয়েছে। যার কারণে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই সময় পুলিশের ওপর হামলা চালায় আবদুর রউফ। একপর্যায়ে এসআই শাহিনুর রহমানের বুকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত আহত করা।’
এদিকে হামলাকারীর ভাগনে আহমেদ শাকিল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আবদুর রউফের মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাকে পুলিশের মাধ্যমে গত ৫–৬ মাস আগে রিহাব সেন্টারে পাঠানো হয়েছিল।’

অপরদিকে আবদুর রউফের স্ত্রী শান্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তার মানসিক সমস্যা আছে। তার নামে আগের একটা কেস (মামলা) ছিল। যার কারণে পুলিশ ধরে নিয়ে মারধর করেছে।’ শান্তা আরও বলেন, ‘আজ আমরা ইফতার করছিলাম। এ সময় সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’
এদিকে ঘটনাস্থলে থাকা উত্তরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাইসুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন আমাদের কাজ করতে দেন। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির চারতলার একটি টিনশেড রুমের চালে বসে বসে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল মারছে আবদুর রউফ। আর পুলিশ সদস্যরা ছাদে অবস্থান করে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই সে শান্ত হচ্ছে না। এ ছাড়া ওই বাড়িসহ আশপাশের এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে আশপাশের হাজারো লোক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় করেছেন।

রাজধানীর তুরাগে পুলিশের এসআইকে ছুরিকাঘাতকারীর বাসা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বাড়ির ছাদের একটি ঘরে অবস্থান করছেন হামলাকারী আবদুর রউফ। তুরাগের ফুলবাড়িয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার বিল্লাল হাজী ছেলে আবদুর রউফের বাড়িতে আজ শুক্রবার রাত ১০টার দিকে এ দৃশ্য দেখা গেছে।
এর আগে তুরাগের ফুলবাড়িয়া বাজার সংলগ্ন ওই বাড়িতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে তুরাগ থানার এসআই শাহিনুর রহমানকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কুর্মিটোলা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সর্বশেষ তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
থানা–পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ওই বাসাটিতে এসআই শাহিনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালাচ্ছিল। সে সময় আবদুর রউফ এসআই শাহিনুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তাঁর ছোড়া ইট–পাটকেলের আঘাতে একজন পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন।
অভিযানরত পুলিশ সদস্যরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আবদুর রউফ একজন মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদক মামলা রয়েছে। যার কারণে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই সময় পুলিশের ওপর হামলা চালায় আবদুর রউফ। একপর্যায়ে এসআই শাহিনুর রহমানের বুকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত আহত করা।’
এদিকে হামলাকারীর ভাগনে আহমেদ শাকিল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আবদুর রউফের মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাকে পুলিশের মাধ্যমে গত ৫–৬ মাস আগে রিহাব সেন্টারে পাঠানো হয়েছিল।’

অপরদিকে আবদুর রউফের স্ত্রী শান্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তার মানসিক সমস্যা আছে। তার নামে আগের একটা কেস (মামলা) ছিল। যার কারণে পুলিশ ধরে নিয়ে মারধর করেছে।’ শান্তা আরও বলেন, ‘আজ আমরা ইফতার করছিলাম। এ সময় সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’
এদিকে ঘটনাস্থলে থাকা উত্তরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাইসুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন আমাদের কাজ করতে দেন। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির চারতলার একটি টিনশেড রুমের চালে বসে বসে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল মারছে আবদুর রউফ। আর পুলিশ সদস্যরা ছাদে অবস্থান করে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই সে শান্ত হচ্ছে না। এ ছাড়া ওই বাড়িসহ আশপাশের এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে আশপাশের হাজারো লোক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় করেছেন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৩ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২২ দিন আগে