নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিমানের টিকিট বিক্রি করে পরবর্তীতে যাত্রীকে না জানিয়ে টিকিট রিফান্ড করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ভুক্তভোগী কিছু হজ যাত্রীসহ চিকিৎসা, শিক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে ভ্রমণকারীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে টিকিট জালিয়াতি চক্রের মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতকাল বুধবার বিশেষ অভিযানে প্রতারক চক্রের হোতা মাহবুবুর উর রশিদকে (৫১) কলাবাগান গ্রিনরোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছে থাকা এয়ারলাইনসের ৮১টি ভুয়া টিকিট, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন, ২টি কম্পিউটার, ১টি কালো রংয়ের জিপগাড়ি, ১২ টি বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও একটি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, বেশ কিছু ট্রাভেলিং অ্যান্ড ট্যুর এজেন্সি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও আফ্রিকার দেশগুলোতে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট আগাম বিক্রি করছে। কিন্তু যাত্রীরা বিমানবন্দরে গিয়ে বিদেশ যেতে না পেরে প্রতারিত হচ্ছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান এর নেতৃত্বে একাধিক টিম।
ই-টিকিট প্রতারণায় মাহবুরকে সহায়তা করত দুবাই প্রবাসী সাদ নামের একজন বাংলাদেশের নাগরিক। সাদ চট্টগ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার জানান, এই চক্রটির আসন্ন হজকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের প্রতারণার পরিকল্পনা করেছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানাসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিমানের টিকিট বিক্রি করে পরবর্তীতে যাত্রীকে না জানিয়ে টিকিট রিফান্ড করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ভুক্তভোগী কিছু হজ যাত্রীসহ চিকিৎসা, শিক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে ভ্রমণকারীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে টিকিট জালিয়াতি চক্রের মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতকাল বুধবার বিশেষ অভিযানে প্রতারক চক্রের হোতা মাহবুবুর উর রশিদকে (৫১) কলাবাগান গ্রিনরোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছে থাকা এয়ারলাইনসের ৮১টি ভুয়া টিকিট, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন, ২টি কম্পিউটার, ১টি কালো রংয়ের জিপগাড়ি, ১২ টি বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও একটি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, বেশ কিছু ট্রাভেলিং অ্যান্ড ট্যুর এজেন্সি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও আফ্রিকার দেশগুলোতে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট আগাম বিক্রি করছে। কিন্তু যাত্রীরা বিমানবন্দরে গিয়ে বিদেশ যেতে না পেরে প্রতারিত হচ্ছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান এর নেতৃত্বে একাধিক টিম।
ই-টিকিট প্রতারণায় মাহবুরকে সহায়তা করত দুবাই প্রবাসী সাদ নামের একজন বাংলাদেশের নাগরিক। সাদ চট্টগ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার জানান, এই চক্রটির আসন্ন হজকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের প্রতারণার পরিকল্পনা করেছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানাসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে