নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ৩১ সদস্যকে র্যাব গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা ঈদকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে দাবি করছে র্যাব।
র্যাব জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলিতে ওঁৎপেতে থাকেন এই ছিনতাইকারীরা। সুযোগ পাওয়ামাত্র পথচারী, বাসযাত্রী, মোটরসাইকেল আরোহী, যানজটে থাকা সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুটে নিতেন। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত তুলনামূলক জনশূন্য রাস্তা, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এলাকায় তৎপর থাকেন তাঁরা। তাঁরা নিরীহ পথচারীদের প্রাণঘাতী আঘাত করতেও দ্বিধা করেন না।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত পর্যন্ত র্যাব-১-এর একাধিক টিম সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় ৩১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন—মো. বোরহান (২৪), মো. ইমরান হোসেন (২৫), তুহিন (২২), মো. জাহিদুল ইসলাম মাহমুদ (২০), মোঃ শিপন হুসাইন (২৩), মোঃ আশিকুর রহমান আশিক (২১), মোঃ শাহ জালাল (২৬), মোঃ মিরাজ (২১), নুর নবী (২২), মোঃ আশিক (২০), মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয় (২০), মোঃ শাকিল (২০), মোঃ আকবর আলী (২৪), মোঃ রাসেল খা (২৪), মোঃ রাসেল ব্যাপারী (২৮), মোঃ সুজন তালুকদার (২২), মোঃ বাবুল (২৪), টুকু মিয়া (২২), আব্দুল্লাহ (২২), মোঃ ফয়সাল (২৩), জহরুল মিয়া (২০), মোঃ পারভেজ (২৭), মোঃ আসিফ (২২), মোঃ নিশান উদ্দিন (৩০), মোঃ জুয়েল (৩৫), মোঃ বিজয় হোসেন (১৯), আবুল কাশেম (৪০), মোঃ শফিক উদ্দিন (২৫), মোঃ রানা (২৮), মোঃ মাহবুব (২৬) ও মো. শাকিল শেখ (২৫)।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৮টি কৌটা বিষাক্ত মলম, দেশীয় অস্ত্র, দুটি লোহার রড, ১১টি ছুরি, তিনটি লোহা কাটার হ্যাকস ব্লেড, ১০টি চাকু, চারটি গামছা, ছিনতাইকৃত ১৮টি মোবাইল ফোন এবং নগদ আড়াই হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
আজ দুপুরে কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।
র্যাব-১-এর অধিনায়ক বলেন, ছিনতাই চক্রের সবাই স্বল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। প্রত্যেকে মাদকাসক্ত ও দীর্ঘদিন ধরে ডান্ডি, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করে আসছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। বাস/লেগুনার হেলপার, ওয়ার্কশপের শ্রমিক, দিনমুজুর, টোকাই, মাছ/কাঁচামালের আড়তে কাজ করেন। এসব কাজের ফাঁকে তাঁরা ছিনতাই করেন।
লেফট্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ‘রাজধানীবাসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে আগত যাত্রীরা যাতে নিরাপদে ঈদের কেনাকাটা করে নির্বিঘ্নে স্বস্তির সঙ্গে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন সে লক্ষ্যে ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি এবং মলমপার্টি চক্রের বিরুদ্ধে র্যাব-১-এর সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ৩১ সদস্যকে র্যাব গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা ঈদকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে দাবি করছে র্যাব।
র্যাব জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলিতে ওঁৎপেতে থাকেন এই ছিনতাইকারীরা। সুযোগ পাওয়ামাত্র পথচারী, বাসযাত্রী, মোটরসাইকেল আরোহী, যানজটে থাকা সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুটে নিতেন। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত তুলনামূলক জনশূন্য রাস্তা, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এলাকায় তৎপর থাকেন তাঁরা। তাঁরা নিরীহ পথচারীদের প্রাণঘাতী আঘাত করতেও দ্বিধা করেন না।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত পর্যন্ত র্যাব-১-এর একাধিক টিম সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় ৩১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন—মো. বোরহান (২৪), মো. ইমরান হোসেন (২৫), তুহিন (২২), মো. জাহিদুল ইসলাম মাহমুদ (২০), মোঃ শিপন হুসাইন (২৩), মোঃ আশিকুর রহমান আশিক (২১), মোঃ শাহ জালাল (২৬), মোঃ মিরাজ (২১), নুর নবী (২২), মোঃ আশিক (২০), মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয় (২০), মোঃ শাকিল (২০), মোঃ আকবর আলী (২৪), মোঃ রাসেল খা (২৪), মোঃ রাসেল ব্যাপারী (২৮), মোঃ সুজন তালুকদার (২২), মোঃ বাবুল (২৪), টুকু মিয়া (২২), আব্দুল্লাহ (২২), মোঃ ফয়সাল (২৩), জহরুল মিয়া (২০), মোঃ পারভেজ (২৭), মোঃ আসিফ (২২), মোঃ নিশান উদ্দিন (৩০), মোঃ জুয়েল (৩৫), মোঃ বিজয় হোসেন (১৯), আবুল কাশেম (৪০), মোঃ শফিক উদ্দিন (২৫), মোঃ রানা (২৮), মোঃ মাহবুব (২৬) ও মো. শাকিল শেখ (২৫)।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৮টি কৌটা বিষাক্ত মলম, দেশীয় অস্ত্র, দুটি লোহার রড, ১১টি ছুরি, তিনটি লোহা কাটার হ্যাকস ব্লেড, ১০টি চাকু, চারটি গামছা, ছিনতাইকৃত ১৮টি মোবাইল ফোন এবং নগদ আড়াই হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
আজ দুপুরে কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।
র্যাব-১-এর অধিনায়ক বলেন, ছিনতাই চক্রের সবাই স্বল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। প্রত্যেকে মাদকাসক্ত ও দীর্ঘদিন ধরে ডান্ডি, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করে আসছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। বাস/লেগুনার হেলপার, ওয়ার্কশপের শ্রমিক, দিনমুজুর, টোকাই, মাছ/কাঁচামালের আড়তে কাজ করেন। এসব কাজের ফাঁকে তাঁরা ছিনতাই করেন।
লেফট্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ‘রাজধানীবাসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে আগত যাত্রীরা যাতে নিরাপদে ঈদের কেনাকাটা করে নির্বিঘ্নে স্বস্তির সঙ্গে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন সে লক্ষ্যে ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি এবং মলমপার্টি চক্রের বিরুদ্ধে র্যাব-১-এর সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫