নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বিশ্বের প্রায় সব সংস্কৃতির মানুষ বিশ্বাস করে ৭ সংখ্যাটি সৌভাগ্যের প্রতীক। এই কথাটি মাথায় রেখে হয়তো চুরি করতে গিয়েছিলেন সাত নারী। সকাল সাত টা ৭ মিনিটে সাত নারী চোর নির্মাণাধীন এক ভবনে ঢুকে সাত মিনিটেই নির্মাণ সামগ্রী চুরি করে পালিয়ে গেছেন তাঁরা। অবাক করা হলেও এমনটি ঘটেছে নগরের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ কলোনিতে। গত সোমবার সকালে যখন ভবনটির নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা কর্মচারী ঘুমে ছিলেন তখনই এই চুরির ঘটনা ঘটান সংঘবদ্ধ ওই চোর চক্র।
এ ঘটনায় সিটি টিভি ফুটেজ দেখে চোরদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে গত মঙ্গল ও বুধবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে তারা। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন, শামছুনাহার বেগম (৪০), হোসনে আরা বেগম (৩৮), ও আফসানা বেগম (৪০)। । এ ঘটনায় ১৮টি সার্কিট বেকার, ১০ টি সার্কিট বিভিন্ন ধরনের পাইপসহ প্রায় ২০০টি নির্মাণ সামগ্রী।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে সোমবার সকাল সাতটা ৭ মিনিটে রৌফাবাদ কলোনির ওই নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে পড়েন সাত নারী। তাদের পরনে শাড়ি, মুখ ঢাকা ছিল ওড়নায়। ভবনের নিচতলায় কেউ নেই নিশ্চিত হয়ে সোজা তারা উঠে পড়েন তৃতীয় তলায়। সেখানে একটি কক্ষে রাখা ছিল ভবন নির্মাণের বেশ কিছু সামগ্রী। তালা না থাকায় সহজেই সেটিতে ঢুকে লুটে নেন পাইপ, সার্কিট ব্রেকার, কয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী। কাকতালীয়ভাবে এই চুরি করতে তারা সময় নিয়েছিলেন ৭ মিনিট। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে ৭টা ৭ মিনিটে ঢুকে ৭টা ১৪ মিনিটে ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসছেন তারা।
বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, কাকতালীয়ভাবে চুরির ঘটনাটি ৭ চোর, সকাল ৭টায় ৭ মিনিটে করেছে। তারা এভাবে দল বেঁধে নগরের বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবন ও বাসায় চুরি করে। আমরা সিসি টিভি ফুটেজ দেখে তাদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শনাক্ত করতে পেরেছি। বাকি ৪ জনকে ধরতে আমাদের অভিযান চলছে।

বিশ্বের প্রায় সব সংস্কৃতির মানুষ বিশ্বাস করে ৭ সংখ্যাটি সৌভাগ্যের প্রতীক। এই কথাটি মাথায় রেখে হয়তো চুরি করতে গিয়েছিলেন সাত নারী। সকাল সাত টা ৭ মিনিটে সাত নারী চোর নির্মাণাধীন এক ভবনে ঢুকে সাত মিনিটেই নির্মাণ সামগ্রী চুরি করে পালিয়ে গেছেন তাঁরা। অবাক করা হলেও এমনটি ঘটেছে নগরের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ কলোনিতে। গত সোমবার সকালে যখন ভবনটির নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা কর্মচারী ঘুমে ছিলেন তখনই এই চুরির ঘটনা ঘটান সংঘবদ্ধ ওই চোর চক্র।
এ ঘটনায় সিটি টিভি ফুটেজ দেখে চোরদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে গত মঙ্গল ও বুধবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে তারা। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন, শামছুনাহার বেগম (৪০), হোসনে আরা বেগম (৩৮), ও আফসানা বেগম (৪০)। । এ ঘটনায় ১৮টি সার্কিট বেকার, ১০ টি সার্কিট বিভিন্ন ধরনের পাইপসহ প্রায় ২০০টি নির্মাণ সামগ্রী।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে সোমবার সকাল সাতটা ৭ মিনিটে রৌফাবাদ কলোনির ওই নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে পড়েন সাত নারী। তাদের পরনে শাড়ি, মুখ ঢাকা ছিল ওড়নায়। ভবনের নিচতলায় কেউ নেই নিশ্চিত হয়ে সোজা তারা উঠে পড়েন তৃতীয় তলায়। সেখানে একটি কক্ষে রাখা ছিল ভবন নির্মাণের বেশ কিছু সামগ্রী। তালা না থাকায় সহজেই সেটিতে ঢুকে লুটে নেন পাইপ, সার্কিট ব্রেকার, কয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী। কাকতালীয়ভাবে এই চুরি করতে তারা সময় নিয়েছিলেন ৭ মিনিট। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে ৭টা ৭ মিনিটে ঢুকে ৭টা ১৪ মিনিটে ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসছেন তারা।
বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, কাকতালীয়ভাবে চুরির ঘটনাটি ৭ চোর, সকাল ৭টায় ৭ মিনিটে করেছে। তারা এভাবে দল বেঁধে নগরের বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবন ও বাসায় চুরি করে। আমরা সিসি টিভি ফুটেজ দেখে তাদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শনাক্ত করতে পেরেছি। বাকি ৪ জনকে ধরতে আমাদের অভিযান চলছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫