নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় একটি পক্ষ মামলা করেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে খুলশী থানায় এ মামলা দায়ের করেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা খালেকুজ্জামান বাবু। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন- মো. হানিফ ওরফে পিচ্চি হানিফ (৩৮), মো. ওয়াসিম (৩৫), ডেস্কি শরিফ (৩০), তুহিন (২৭), ইব্রাহিম খলিল বাপ্পি (২৭), মারুফ ওরফে বাইট্টা মারুফ (২৬) ও নওশাদ (২৫)। অভিযুক্তরা সবাই লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমের অনুসারী বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে সিটি করপোরেশনের লালখান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল এবং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
মামলার বাদী খালেকুজ্জামান বাবু স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলালের অনুসারী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গতকাল রাতে এ ঘটনা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে লালখান বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে জানা গেছে তাঁরা সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত নন।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, গুরুতর জখম, চুরি ও হুমকি প্রদানের অপরাধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় একটি পক্ষ মামলা করেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে খুলশী থানায় এ মামলা দায়ের করেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা খালেকুজ্জামান বাবু। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন- মো. হানিফ ওরফে পিচ্চি হানিফ (৩৮), মো. ওয়াসিম (৩৫), ডেস্কি শরিফ (৩০), তুহিন (২৭), ইব্রাহিম খলিল বাপ্পি (২৭), মারুফ ওরফে বাইট্টা মারুফ (২৬) ও নওশাদ (২৫)। অভিযুক্তরা সবাই লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমের অনুসারী বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে সিটি করপোরেশনের লালখান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল এবং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
মামলার বাদী খালেকুজ্জামান বাবু স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলালের অনুসারী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গতকাল রাতে এ ঘটনা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে লালখান বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে জানা গেছে তাঁরা সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত নন।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, গুরুতর জখম, চুরি ও হুমকি প্রদানের অপরাধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫