রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের দুই কর্মচারীকে মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল সোমবার গভীর রাতে অপহৃতরা কাভার্ড ভ্যান চালক মো. আব্বাস এবং রানার মো. আল-আমিনের চোখ বেঁধে খাগড়াছড়ির অজ্ঞাতস্থানে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।
আজ মঙ্গলবার মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান ও সুন্দরবন কুরিয়ারের ফেনীর এজিএম মারুফ হোসেন।
সুন্দরবন কুরিয়ারের ফেনীর এজিএম মারুফ হোসেন বলেন, মুক্তি পাওয়া আব্বাস ও আল আমিন তাঁদের বাড়ি ফিরে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অপহরণকারীরা তাঁদের চোখ বেঁধে দীর্ঘ পথ পায়ে হাঁটিয়ে অজ্ঞাত এক স্থানে সোমবার রাতে ছেড়ে দেয়। পরে তাঁরা সিএনজি অটোরিকশা করে বারৈয়ারহাট এসে ঢাকায় সুন্দরবন কুরিয়ারের হেড অফিসে পৌঁছান। কীভাবে তাঁরা মুক্তি পেলেন এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেনা না বলে জানান।
অপহরণের চার দিন পর উদ্ধার হওয়ায় তাঁদের পরিবারে আনন্দের জোয়ার বইছে। অপহৃত আব্বাসের খালাতো ভাই মো. রুবেল বলেন, সকালে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তাঁদের মুক্তি পাওয়ার কথা জানানো হয়। এত দিন উদ্বেগজনক অবস্থায় ছিলেন তাঁরা। আব্বাসের সঙ্গে তাঁর পরিবারের কথা হয়েছে। তাঁরা এখন ঢাকায় রয়েছেন এবং সুস্থ আছেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার সকালে মোবাইল ফোনে অপহৃত চালক আব্বাসের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মুক্তি পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার জেলা সদর থেকে ডাক নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে রামগড়ের-জালিয়াপাড়া সড়কের যৌথ খামার এলাকায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যান আটকিয়ে চালক মো. আব্বাস ও রানার আল আমিনকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায় স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী চক্রটি। অপহরণকারীরা দুজনের মুক্তিপণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দাবি করে।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের দুই কর্মচারীকে মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল সোমবার গভীর রাতে অপহৃতরা কাভার্ড ভ্যান চালক মো. আব্বাস এবং রানার মো. আল-আমিনের চোখ বেঁধে খাগড়াছড়ির অজ্ঞাতস্থানে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।
আজ মঙ্গলবার মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান ও সুন্দরবন কুরিয়ারের ফেনীর এজিএম মারুফ হোসেন।
সুন্দরবন কুরিয়ারের ফেনীর এজিএম মারুফ হোসেন বলেন, মুক্তি পাওয়া আব্বাস ও আল আমিন তাঁদের বাড়ি ফিরে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অপহরণকারীরা তাঁদের চোখ বেঁধে দীর্ঘ পথ পায়ে হাঁটিয়ে অজ্ঞাত এক স্থানে সোমবার রাতে ছেড়ে দেয়। পরে তাঁরা সিএনজি অটোরিকশা করে বারৈয়ারহাট এসে ঢাকায় সুন্দরবন কুরিয়ারের হেড অফিসে পৌঁছান। কীভাবে তাঁরা মুক্তি পেলেন এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেনা না বলে জানান।
অপহরণের চার দিন পর উদ্ধার হওয়ায় তাঁদের পরিবারে আনন্দের জোয়ার বইছে। অপহৃত আব্বাসের খালাতো ভাই মো. রুবেল বলেন, সকালে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তাঁদের মুক্তি পাওয়ার কথা জানানো হয়। এত দিন উদ্বেগজনক অবস্থায় ছিলেন তাঁরা। আব্বাসের সঙ্গে তাঁর পরিবারের কথা হয়েছে। তাঁরা এখন ঢাকায় রয়েছেন এবং সুস্থ আছেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার সকালে মোবাইল ফোনে অপহৃত চালক আব্বাসের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মুক্তি পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার জেলা সদর থেকে ডাক নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে রামগড়ের-জালিয়াপাড়া সড়কের যৌথ খামার এলাকায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যান আটকিয়ে চালক মো. আব্বাস ও রানার আল আমিনকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায় স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী চক্রটি। অপহরণকারীরা দুজনের মুক্তিপণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দাবি করে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে