প্রতিনিধি

পেকুয়া (কক্সবাজার): কক্সবাজারের পেকুয়ায় বোরকা পরিহিত দুর্বৃত্তদের বন্দুকের গুলি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে জয়নাল আবেদীন (৩৮) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় নিহতের ব্যবসায়িক সহযোগী আলী আকবর (৩৬) ও তাঁর ভাতিজি রিফা আক্তার (১৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।
জয়নাল আবেদীন মগনামা ইউনিয়নের আফজলিয়া পাড়া এলাকার মৃত নুরুন্নবীর ছেলে। তিনি চিংড়ি ঘের ও জমি বেচাকেনার ব্যবসা করতেন। আহত আলী আকবর একই এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে। রিফা আক্তার নুর মোহাম্মদের মেয়ে ও নিহত জয়নালের ভাতিজি।
প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহিম বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফুলতলা স্টেশনে আশুর চায়ের দোকানের সামনে বসে জয়নাল আবেদীন ও তার ব্যবসায়িক সহযোগী আলী আকবর চা-নাস্তা খাচ্ছিলেন। এসময় বোরকা পরিহিত ৮-১০ জন পুরুষ তাঁদের ওপর গুলি ছোড়ে। একই সময় ৩-৪ জন ব্যক্তি ফুলতলা স্টেশনের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে ফাঁকা গুলি করে ভীতি ছড়িয়ে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে জয়নাল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় দুর্বৃত্তরা জয়নাল আবেদীনকে কিরিচ (দুই দিকে ধারবিশিষ্ট ছুরি) দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে ফুলতলা স্টেশনে মুদি পণ্যের জন্য আসা রিফা আক্তার চাচা জয়নালকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁকেও মাথায় কিরিচের কোপ ও কিলঘুষি মেরে আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে স্টেশনের ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা ফাঁকা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। পরে হামলাকারীরা একটি চিংড়ি ঘেরের পাশের নির্মিত ঘরে অবস্থান নেয়।
নিহতের ভাই শাহাব উদ্দিনের অভিযোগ, স্থানীয় আবু ছৈয়দ, নেজাম উদ্দিন ছোটন, সায়েদ, মোজাম্মেল, মোস্তাক, বুলু, আবুল কাশেম, আহমদ কবির, মকছুদ, নেছার, আবু হানিফ, শওকত আলম ও জিয়াসহ ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তার ভাইকে হত্যা করেছে।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাহমিদুল ইসলাম বলেন, জয়নালের মাথায় ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্রের তিনটি গভীর ক্ষত এবং ডান হাতের বাহু ও বুকের ডানপাশে গুলির আঘাত আছে। আলী আকববের বুকের বামপাশে ও বাম হাতের বাহুতে গুলির আঘাত রয়েছে। রিফা আক্তারের মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে। জয়নাল ও আলী আকবরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম বলেন, কিছুদিন আগে ফুলতলা স্টেশনে ফ্যানের নিচে বসা নিয়ে কেন্দ্র করে নেজাম উদ্দিন ছোটন ও জয়নাল আবেদীনের ছোটভাই শাহাব উদ্দিনের মধ্যে মারামারিহয়। এ ঘটনার জের ধরে দুর্বৃত্তরা জয়নাল ও আলী আকবরের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা করে। হামলায় আহত জয়নালকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়ার পথে মারা যান। আহত আলী আকবর চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত জয়নাল আবেদীন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। হামলাকারীদের ধরতে সম্ভাব্য স্থানে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

পেকুয়া (কক্সবাজার): কক্সবাজারের পেকুয়ায় বোরকা পরিহিত দুর্বৃত্তদের বন্দুকের গুলি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে জয়নাল আবেদীন (৩৮) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় নিহতের ব্যবসায়িক সহযোগী আলী আকবর (৩৬) ও তাঁর ভাতিজি রিফা আক্তার (১৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।
জয়নাল আবেদীন মগনামা ইউনিয়নের আফজলিয়া পাড়া এলাকার মৃত নুরুন্নবীর ছেলে। তিনি চিংড়ি ঘের ও জমি বেচাকেনার ব্যবসা করতেন। আহত আলী আকবর একই এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে। রিফা আক্তার নুর মোহাম্মদের মেয়ে ও নিহত জয়নালের ভাতিজি।
প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহিম বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফুলতলা স্টেশনে আশুর চায়ের দোকানের সামনে বসে জয়নাল আবেদীন ও তার ব্যবসায়িক সহযোগী আলী আকবর চা-নাস্তা খাচ্ছিলেন। এসময় বোরকা পরিহিত ৮-১০ জন পুরুষ তাঁদের ওপর গুলি ছোড়ে। একই সময় ৩-৪ জন ব্যক্তি ফুলতলা স্টেশনের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে ফাঁকা গুলি করে ভীতি ছড়িয়ে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে জয়নাল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় দুর্বৃত্তরা জয়নাল আবেদীনকে কিরিচ (দুই দিকে ধারবিশিষ্ট ছুরি) দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে ফুলতলা স্টেশনে মুদি পণ্যের জন্য আসা রিফা আক্তার চাচা জয়নালকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁকেও মাথায় কিরিচের কোপ ও কিলঘুষি মেরে আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে স্টেশনের ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা ফাঁকা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। পরে হামলাকারীরা একটি চিংড়ি ঘেরের পাশের নির্মিত ঘরে অবস্থান নেয়।
নিহতের ভাই শাহাব উদ্দিনের অভিযোগ, স্থানীয় আবু ছৈয়দ, নেজাম উদ্দিন ছোটন, সায়েদ, মোজাম্মেল, মোস্তাক, বুলু, আবুল কাশেম, আহমদ কবির, মকছুদ, নেছার, আবু হানিফ, শওকত আলম ও জিয়াসহ ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তার ভাইকে হত্যা করেছে।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাহমিদুল ইসলাম বলেন, জয়নালের মাথায় ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্রের তিনটি গভীর ক্ষত এবং ডান হাতের বাহু ও বুকের ডানপাশে গুলির আঘাত আছে। আলী আকববের বুকের বামপাশে ও বাম হাতের বাহুতে গুলির আঘাত রয়েছে। রিফা আক্তারের মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে। জয়নাল ও আলী আকবরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম বলেন, কিছুদিন আগে ফুলতলা স্টেশনে ফ্যানের নিচে বসা নিয়ে কেন্দ্র করে নেজাম উদ্দিন ছোটন ও জয়নাল আবেদীনের ছোটভাই শাহাব উদ্দিনের মধ্যে মারামারিহয়। এ ঘটনার জের ধরে দুর্বৃত্তরা জয়নাল ও আলী আকবরের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা করে। হামলায় আহত জয়নালকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়ার পথে মারা যান। আহত আলী আকবর চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত জয়নাল আবেদীন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। হামলাকারীদের ধরতে সম্ভাব্য স্থানে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে