প্রতিনিধি, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সৈয়দবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম হাফেজ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ (২৭)। ভুক্তভোগী শিশুটি (১২) বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশুটির বাবা জানান, তাঁর সন্তানকে অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষক আগে আরবি পড়াতেন। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তাঁর শিশুসন্তান মরিয়মনগর পূর্ব সৈয়দবাড়ী এলাকার স্থানীয় একটি পুকুরপাড়ে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক তাকে কাজ আছে বলে পার্শ্ববর্তী একটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় ডেকে নিয়ে যান। এ সময় তাঁকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন। পরে তার হাতে ১০ টাকা দিয়ে এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায়। কিন্তু শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মাকে সব বলে দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানিয়ে ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল বলেন, `শিশুটির বাবা বিষয়টি আমাকে জানালে শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিই। এ সময় শিশুটি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছিল। অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও এ ধরনের অভিযোগ শোনা গেলেও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এবার শিশুটির সঙ্গে এমন ঘটনার পর বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।'
রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব মিলকী বলেন, '৯৯৯ থেকে একটা ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সৈয়দবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম হাফেজ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ (২৭)। ভুক্তভোগী শিশুটি (১২) বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশুটির বাবা জানান, তাঁর সন্তানকে অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষক আগে আরবি পড়াতেন। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তাঁর শিশুসন্তান মরিয়মনগর পূর্ব সৈয়দবাড়ী এলাকার স্থানীয় একটি পুকুরপাড়ে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক তাকে কাজ আছে বলে পার্শ্ববর্তী একটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় ডেকে নিয়ে যান। এ সময় তাঁকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন। পরে তার হাতে ১০ টাকা দিয়ে এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায়। কিন্তু শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মাকে সব বলে দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানিয়ে ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল বলেন, `শিশুটির বাবা বিষয়টি আমাকে জানালে শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিই। এ সময় শিশুটি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছিল। অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও এ ধরনের অভিযোগ শোনা গেলেও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এবার শিশুটির সঙ্গে এমন ঘটনার পর বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।'
রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব মিলকী বলেন, '৯৯৯ থেকে একটা ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে