চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে দফায় দফায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে প্রকৌশল দপ্তর।
আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, নিরাপত্তা দপ্তর ও কাটা পাহাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রেজিস্ট্রার বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার নাম রাজু মুন্সি। তিনি শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে আগেও এক শিক্ষককে মারধর করার হুমকির অভিযোগ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজু মুন্সি সকালে আমার অফিসে এসে এক প্রহরীকে বলেন, আমি যেন তাঁর জন্য ১০ হাজার টাকা রেডি রাখি। এ সময় আমি তাঁর কাছে গেলে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। আমাকে বলেন, আমি এখনো এখানে কেন আছি? একপর্যায়ে তিনি আমাকে ধাক্কা দেন। পরে আমি প্রশাসনিক ভবনে গেলে তিনি আমাকে সেখানেও কয়েকবার ধাক্কা দেন। বিষয়টি উপাচার্যকে জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চবি কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি রশীদুল হায়দার জাবেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কাটা পাহাড় এলাকায় রাজু মুন্সি নামের এক ব্যক্তি প্রধান প্রকৌশলীকে মারধর করেছেন বলে আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন। নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন একই ব্যক্তি তাঁকেও মারধর করেছেন। আমরা সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা ডেকে করণীয় নির্ধারণ করব।’
রশীদুল হায়দার জাবেদ আরও বলেন, এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রকৌশল দপ্তর ক্যাম্পাসে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফোন করা হলেও রাজু মুন্সিকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে দফায় দফায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে প্রকৌশল দপ্তর।
আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, নিরাপত্তা দপ্তর ও কাটা পাহাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রেজিস্ট্রার বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার নাম রাজু মুন্সি। তিনি শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে আগেও এক শিক্ষককে মারধর করার হুমকির অভিযোগ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজু মুন্সি সকালে আমার অফিসে এসে এক প্রহরীকে বলেন, আমি যেন তাঁর জন্য ১০ হাজার টাকা রেডি রাখি। এ সময় আমি তাঁর কাছে গেলে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। আমাকে বলেন, আমি এখনো এখানে কেন আছি? একপর্যায়ে তিনি আমাকে ধাক্কা দেন। পরে আমি প্রশাসনিক ভবনে গেলে তিনি আমাকে সেখানেও কয়েকবার ধাক্কা দেন। বিষয়টি উপাচার্যকে জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চবি কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি রশীদুল হায়দার জাবেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কাটা পাহাড় এলাকায় রাজু মুন্সি নামের এক ব্যক্তি প্রধান প্রকৌশলীকে মারধর করেছেন বলে আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন। নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন একই ব্যক্তি তাঁকেও মারধর করেছেন। আমরা সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা ডেকে করণীয় নির্ধারণ করব।’
রশীদুল হায়দার জাবেদ আরও বলেন, এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রকৌশল দপ্তর ক্যাম্পাসে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফোন করা হলেও রাজু মুন্সিকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে