কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। কক্সবাজার র্যাব-১৫-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী আজ বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান।
রিয়াজ উদ্দিন ছোটন হলেন জিয়া গেস্ট ইনের ব্যবস্থাপক। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাতে কক্সবাজার শহরের লাবণী পয়েন্ট থেকে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে এক পর্যটক নারীকে তুলে নিয়ে দুবার ধর্ষণ করে তিন যুবক। খবর পেয়ে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের কলাতলী এলাকার জিয়া গেস্ট ইন থেকে রাত দেড়টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে কক্সবাজার র্যাব-১৫। এ ঘটনায় দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
কক্সবাজার র্যাব-১৫-এর লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারাই জড়িত থাকুক, কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে। মামলার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।
জানা যায়, বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ ওই নারী কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তাঁরা শহরের হলিডে মোড়ের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। বিকেলে সপরিবারে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ঘুরতে বের হন। এ সময় এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তাঁর আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি সিএনজি অটোরিকশায় তাঁকে তুলে নেয় তিন যুবক। পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে তিনজন।
এরপর তাঁকে নেওয়া হয় জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে। সেখানে ইয়াবা সেবনের পর আরেক দফা তাঁকে ধর্ষণ করে ওই তিন যুবক। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য শাসিয়ে যায় ধর্ষকেরা। তারা ওই নারীর সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করার হুমকিও দেয়।
ওই নারী জানান, জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় কক্ষের দরজা খোলেন তিনি। তারপর ফোন দেন ৯৯৯-এ। পুলিশ তাঁকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেয়। তারপর পাশের একজনের সহযোগিতায় এই খবর জানান র্যাবকে। তারা এসে তাঁকে উদ্ধার করে। তাঁর স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করা হয় পর্যটন গলফ মাঠ এলাকা থেকে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘সামান্য ধাক্কা লাগার কারণে তারা আমার কেন এত বড় ক্ষতি করল? অপরিচিত বলে শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেলেও সেই জায়গা ও দুর্বৃত্তদের চিনতে পারিনি। বারবার হাতে-পায়ে ধরলেও তারা আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়নি। বেড়াতে এসেছিলাম বেতন পাওয়ার খুশিতে। এখন আমার স্ত্রীর অবস্থা ভালো না, তাকে নিয়ে চিন্তায় আছি। তার শরীরের অবস্থাও ভালো না।’

কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। কক্সবাজার র্যাব-১৫-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী আজ বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান।
রিয়াজ উদ্দিন ছোটন হলেন জিয়া গেস্ট ইনের ব্যবস্থাপক। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাতে কক্সবাজার শহরের লাবণী পয়েন্ট থেকে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে এক পর্যটক নারীকে তুলে নিয়ে দুবার ধর্ষণ করে তিন যুবক। খবর পেয়ে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের কলাতলী এলাকার জিয়া গেস্ট ইন থেকে রাত দেড়টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে কক্সবাজার র্যাব-১৫। এ ঘটনায় দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
কক্সবাজার র্যাব-১৫-এর লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারাই জড়িত থাকুক, কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে। মামলার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।
জানা যায়, বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ ওই নারী কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তাঁরা শহরের হলিডে মোড়ের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। বিকেলে সপরিবারে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ঘুরতে বের হন। এ সময় এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তাঁর আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি সিএনজি অটোরিকশায় তাঁকে তুলে নেয় তিন যুবক। পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে তিনজন।
এরপর তাঁকে নেওয়া হয় জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে। সেখানে ইয়াবা সেবনের পর আরেক দফা তাঁকে ধর্ষণ করে ওই তিন যুবক। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য শাসিয়ে যায় ধর্ষকেরা। তারা ওই নারীর সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করার হুমকিও দেয়।
ওই নারী জানান, জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় কক্ষের দরজা খোলেন তিনি। তারপর ফোন দেন ৯৯৯-এ। পুলিশ তাঁকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেয়। তারপর পাশের একজনের সহযোগিতায় এই খবর জানান র্যাবকে। তারা এসে তাঁকে উদ্ধার করে। তাঁর স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করা হয় পর্যটন গলফ মাঠ এলাকা থেকে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘সামান্য ধাক্কা লাগার কারণে তারা আমার কেন এত বড় ক্ষতি করল? অপরিচিত বলে শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেলেও সেই জায়গা ও দুর্বৃত্তদের চিনতে পারিনি। বারবার হাতে-পায়ে ধরলেও তারা আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়নি। বেড়াতে এসেছিলাম বেতন পাওয়ার খুশিতে। এখন আমার স্ত্রীর অবস্থা ভালো না, তাকে নিয়ে চিন্তায় আছি। তার শরীরের অবস্থাও ভালো না।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে