খান রফিক, বরিশাল

সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। একটি সংঘবদ্ধ চক্র শিক্ষার্থীদের মোবাইলে কল করে এবং ফেসবুকে নানাভাবে হয়রানি করছে। শারীরিকভাবে ক্যাম্পাসে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন তাঁরা। এসব ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করাসহ অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ‘মব’ করতে আসা ১০ জনকে আটক করে পুলিশেও দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁরা।
১১ জানুয়ারি বিএম কলেজ অধ্যক্ষের কাছে একটি আবেদন করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৬ শিক্ষার্থী। তাতে অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ৯ জানুয়ারি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে তাঁদের নিয়ে একটি গোষ্ঠী অশ্লীল মন্তব্য করছে। এরপর থেকে ছাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগে ‘ফাইট অ্যাগেন্টস হিন্দুত্ববাদ’ নামে ফেসবুক পেজ এবং দুটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে হয়রানির শিকার পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্র বলেন, তাঁরা কিছু ছাত্রছাত্রী গ্রুপ স্টাডি করেন। সেই ছবি একটি উগ্র গোষ্ঠী ফেসবুক পেজে পোস্ট করে অশ্লীল ভাষায় মন্তব্য করে। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি বলেন, মুসলিম ছাত্রীদের সঙ্গে তিনি কেন চলাফেরা করেন, ফেসবুক পেজ থেকে সে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে তাঁরা বরিশাল কোতোয়ালি থানায় জিডি এবং অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এই শিক্ষার্থীর অভিযোগ, অধ্যক্ষ এবং অন্য শিক্ষকদের ধারণা, তাঁদের কলেজেরই কেউ কেউ এর সঙ্গে জড়িত।
এর আগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর বিএম কলেজে এক যুগলের ওপর চড়াও হয়ে তাঁদের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয় একটি গোষ্ঠী। ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহিরাগত ওই গোষ্ঠীর সদস্যদের মারামারিও হয়। পরে ওই গোষ্ঠীর ১০ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটক হওয়া তরুণেরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি ‘টিম প্রটেক্ট আওয়ার সিস্টার্স’ নামের একটি গ্রুপের সদস্য।
এ বিষয়ে জানতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান গুলশান আরা বেগমের মোবাইলে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইব্রাহিম খলিল বলেন, এ জন্য অভিভাবকদের সবার আগে সচেতন হতে হবে। কেননা তাঁর সন্তান কী করে, কোথায় যায়, ফেসবুকের কোন গ্রুপে যুক্ত হয়, এর তদারকি করা দরকার। বিএম কলেজ কর্তৃপক্ষও এ ধরনের সাইবার বুলিং নিয়ন্ত্রণ করতে একটি কমিটি করে ছাত্রছাত্রীদের কাউন্সেলিং করাতে পারে।
এ প্রসঙ্গে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ তাজুল ইসলাম বলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের সামাজিক মাধ্যমে হয়রানির কথা শুনেছেন। কারা জড়িত তা চিহ্নিত করতে থানা-পুলিশকেও জানানো হয়েছে। একটি চক্র আছে, যারা এটা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই ও সাধারণ ডায়েরির তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, তিনি এ-সংক্রান্ত অভিযোগ এখনো পাননি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।

সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। একটি সংঘবদ্ধ চক্র শিক্ষার্থীদের মোবাইলে কল করে এবং ফেসবুকে নানাভাবে হয়রানি করছে। শারীরিকভাবে ক্যাম্পাসে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন তাঁরা। এসব ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করাসহ অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ‘মব’ করতে আসা ১০ জনকে আটক করে পুলিশেও দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁরা।
১১ জানুয়ারি বিএম কলেজ অধ্যক্ষের কাছে একটি আবেদন করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৬ শিক্ষার্থী। তাতে অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ৯ জানুয়ারি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে তাঁদের নিয়ে একটি গোষ্ঠী অশ্লীল মন্তব্য করছে। এরপর থেকে ছাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগে ‘ফাইট অ্যাগেন্টস হিন্দুত্ববাদ’ নামে ফেসবুক পেজ এবং দুটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে হয়রানির শিকার পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্র বলেন, তাঁরা কিছু ছাত্রছাত্রী গ্রুপ স্টাডি করেন। সেই ছবি একটি উগ্র গোষ্ঠী ফেসবুক পেজে পোস্ট করে অশ্লীল ভাষায় মন্তব্য করে। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি বলেন, মুসলিম ছাত্রীদের সঙ্গে তিনি কেন চলাফেরা করেন, ফেসবুক পেজ থেকে সে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে তাঁরা বরিশাল কোতোয়ালি থানায় জিডি এবং অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এই শিক্ষার্থীর অভিযোগ, অধ্যক্ষ এবং অন্য শিক্ষকদের ধারণা, তাঁদের কলেজেরই কেউ কেউ এর সঙ্গে জড়িত।
এর আগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর বিএম কলেজে এক যুগলের ওপর চড়াও হয়ে তাঁদের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয় একটি গোষ্ঠী। ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহিরাগত ওই গোষ্ঠীর সদস্যদের মারামারিও হয়। পরে ওই গোষ্ঠীর ১০ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটক হওয়া তরুণেরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি ‘টিম প্রটেক্ট আওয়ার সিস্টার্স’ নামের একটি গ্রুপের সদস্য।
এ বিষয়ে জানতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান গুলশান আরা বেগমের মোবাইলে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইব্রাহিম খলিল বলেন, এ জন্য অভিভাবকদের সবার আগে সচেতন হতে হবে। কেননা তাঁর সন্তান কী করে, কোথায় যায়, ফেসবুকের কোন গ্রুপে যুক্ত হয়, এর তদারকি করা দরকার। বিএম কলেজ কর্তৃপক্ষও এ ধরনের সাইবার বুলিং নিয়ন্ত্রণ করতে একটি কমিটি করে ছাত্রছাত্রীদের কাউন্সেলিং করাতে পারে।
এ প্রসঙ্গে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ তাজুল ইসলাম বলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের সামাজিক মাধ্যমে হয়রানির কথা শুনেছেন। কারা জড়িত তা চিহ্নিত করতে থানা-পুলিশকেও জানানো হয়েছে। একটি চক্র আছে, যারা এটা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই ও সাধারণ ডায়েরির তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, তিনি এ-সংক্রান্ত অভিযোগ এখনো পাননি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে