গাজীপুর ও শ্রীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের চার দিন পর গজারি বন থেকে নাজমুল হাসান (১১) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার গাজীপুর সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকায় গভীর গজারি বনের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে গতকাল রোববার গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা। তাঁদের দাবি, টাকা না পেয়ে শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় নাজমুল। সে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।
এ ঘটনায় গতকাল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন শিশুর স্বজনেরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন তাঁরা।
নাজমুলের চাচাতো ভাই মামুন মিয়া জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওষুধ কেনার জন্য পাশের জৈনা বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় নাজমুল। গভীর রাতেও না ফেরায় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মামুন মিয়া বলেন, ‘নিখোঁজের একদিন পর থেকে কয়েকটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ফেসবুকের একটি আইডিতে ভাইয়ের ছবি দেখি। এরপর গতকাল সকালে হাসপাতালের মর্গে মরদেহটি পাই। আমার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমাদের শত্রুরা তাঁকে তুলে এনে মেরে ফেলেছে।’
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রায়হান বলেন, ‘নিখোঁজের অভিযোগের পরই নাজমুলের সন্ধানে কাজ করা হয়। যে নম্বরগুলো থেকে টাকা দাবি করা হয়েছে, সেগুলো বিস্তারিত খোঁজা হচ্ছে। তবে সেই নম্বরগুলোর অবস্থান অন্য জেলায় ছিল।’
সদর থানার ওসি জিয়াউর রহমান জানান, প্রথমে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বিভিন্নভাবে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনেরা লাশ শনাক্ত করেন।

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের চার দিন পর গজারি বন থেকে নাজমুল হাসান (১১) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার গাজীপুর সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকায় গভীর গজারি বনের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে গতকাল রোববার গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা। তাঁদের দাবি, টাকা না পেয়ে শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় নাজমুল। সে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।
এ ঘটনায় গতকাল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন শিশুর স্বজনেরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন তাঁরা।
নাজমুলের চাচাতো ভাই মামুন মিয়া জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওষুধ কেনার জন্য পাশের জৈনা বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় নাজমুল। গভীর রাতেও না ফেরায় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মামুন মিয়া বলেন, ‘নিখোঁজের একদিন পর থেকে কয়েকটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ফেসবুকের একটি আইডিতে ভাইয়ের ছবি দেখি। এরপর গতকাল সকালে হাসপাতালের মর্গে মরদেহটি পাই। আমার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমাদের শত্রুরা তাঁকে তুলে এনে মেরে ফেলেছে।’
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রায়হান বলেন, ‘নিখোঁজের অভিযোগের পরই নাজমুলের সন্ধানে কাজ করা হয়। যে নম্বরগুলো থেকে টাকা দাবি করা হয়েছে, সেগুলো বিস্তারিত খোঁজা হচ্ছে। তবে সেই নম্বরগুলোর অবস্থান অন্য জেলায় ছিল।’
সদর থানার ওসি জিয়াউর রহমান জানান, প্রথমে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বিভিন্নভাবে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনেরা লাশ শনাক্ত করেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে