নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে কুড়িগ্রামের চররাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্ত্তীকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ করেছে সরকার।
অমিত নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকাকালে এই অসদাচরণ করেছিলেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ঘটনাগুলো ২০২১ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘটেছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজমের স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কুড়িগ্রামের চররাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্তী। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে তাঁর অধীন একজন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তাঁর সঙ্গে ফেসবুক মেসেঞ্জারে অশোভন কথোপকথন, তাঁর স্বামী যেন বদলি হয়ে নীলফামারী জেলায় না আসেন সে বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করেন। সহকর্মীর সন্তান যেন রংপুরে থাকে, তিনি যেন স্টেশনে থেকে চাকরি করেন সে বিষয়ে চাপ প্রয়োগ, তাঁর আপত্তি সত্ত্বেও বডি স্প্রে কিনে দেওয়া, রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন কথাবার্তা বলা, ফোন দিয়ে ভারসাম্যহীন ও অসংগতিপূর্ণ কথা বলা, রাত ৮টা থেকে ৯টার সময় কোনো কাজ না থাকলেও অফিসে বসিয়ে রাখা, মাস্ক পরে তাঁর সামনে বসতে নিষেধ করা, বন্ধের দিনে ফোন ওয়েটিংয়ে থাকা নিয়ে চাপ প্রয়োগ করার মতো শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করেন। একজন নারী সহকর্মীর সঙ্গে খুবই অশোভন আচরণ করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে বিভাগীয় মামলা রুজু করে কৈফিয়ত তলব করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তা উল্লিখিত প্রমাণিত কার্যকলাপ সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযুক্ত কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ উপযুক্ত তথ্যাদি পর্যালোচনায় প্রমাণিত হওয়ায় আনীত অভিযোগের মাত্রা ও প্রাসঙ্গিক সব বিষয় বিবেচনায় তাঁকে একই বিধিমালার ৪ (২) (ক) বিধি অনুযায়ী ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড প্রদান করা হলো।

এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে কুড়িগ্রামের চররাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্ত্তীকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ করেছে সরকার।
অমিত নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকাকালে এই অসদাচরণ করেছিলেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ঘটনাগুলো ২০২১ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘটেছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজমের স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কুড়িগ্রামের চররাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্তী। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে তাঁর অধীন একজন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তাঁর সঙ্গে ফেসবুক মেসেঞ্জারে অশোভন কথোপকথন, তাঁর স্বামী যেন বদলি হয়ে নীলফামারী জেলায় না আসেন সে বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করেন। সহকর্মীর সন্তান যেন রংপুরে থাকে, তিনি যেন স্টেশনে থেকে চাকরি করেন সে বিষয়ে চাপ প্রয়োগ, তাঁর আপত্তি সত্ত্বেও বডি স্প্রে কিনে দেওয়া, রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন কথাবার্তা বলা, ফোন দিয়ে ভারসাম্যহীন ও অসংগতিপূর্ণ কথা বলা, রাত ৮টা থেকে ৯টার সময় কোনো কাজ না থাকলেও অফিসে বসিয়ে রাখা, মাস্ক পরে তাঁর সামনে বসতে নিষেধ করা, বন্ধের দিনে ফোন ওয়েটিংয়ে থাকা নিয়ে চাপ প্রয়োগ করার মতো শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করেন। একজন নারী সহকর্মীর সঙ্গে খুবই অশোভন আচরণ করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে বিভাগীয় মামলা রুজু করে কৈফিয়ত তলব করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তা উল্লিখিত প্রমাণিত কার্যকলাপ সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযুক্ত কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ উপযুক্ত তথ্যাদি পর্যালোচনায় প্রমাণিত হওয়ায় আনীত অভিযোগের মাত্রা ও প্রাসঙ্গিক সব বিষয় বিবেচনায় তাঁকে একই বিধিমালার ৪ (২) (ক) বিধি অনুযায়ী ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড প্রদান করা হলো।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে