শাহরিয়ার হাসান, ঢাকা

বাবা মফিজুলের মৃত্যুর পর চট্টগ্রামের অস্ত্রের ব্যবসার হাল ধরেন বড় ছেলে মো. হোসেন। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ভালোভাবেই ব্যবসা করেন তিনি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রের ব্যবসার জৌলুশ হারিয়ে যায়। মন্দা ব্যবসা চাঙা করতে বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ অস্ত্রের কারবার শুরু করেন এই অস্ত্র ব্যবসায়ী। সীমান্ত জেলা থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র ও গুলি বিক্রি করতে গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের হাত ধরে চড়া দামে অস্ত্র পৌঁছে যেত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা শিবিরের সন্ত্রাসীদের কাছে।
ঢাকায় কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটে (সিটিটিসি) তিন দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনের এসব তথ্য দিয়েছেন চট্টগ্রামের অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. হোসেন। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আরও নানা ধরনের তথ্য দিচ্ছেন তাঁর চক্রের সদস্য রাঙামাটির একটি পাড়ার হেডম্যান লাল তন পাংখোয়া এবং দুই সহযোগী আলী আকবর ও আদিলুর রহমান।
রোহিঙ্গা শিবিরে একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ এখন প্রকাশ্যে তৎপরতা চালাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি গ্রুপ হলো মুন্না গ্রুপ ও কালু সর্দারের গ্রুপ। আধিপত্য বিস্তার, মাদক, চাঁদাবাজিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে গ্রুপ দুটি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই গ্রুপের কাছে অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করে আসছে মো. হোসেনের অবৈধ অস্ত্র সিন্ডিকেট।
সিটিটিসি সূত্র বলছে, হোসেনের সিন্ডিকেট সবচেয়ে বেশি সরবরাহ করেছে ৯ এমএম ও ৭.৬৫ মিমি পিস্তল। এই পিস্তলগুলো রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা ও সিলেট সীমান্ত দিয়ে পার করে দিয়ে আসত তারা। অবৈধ এই অস্ত্রগুলো চট্টগ্রামের চকবাজারের আন্দরকিল্লা মফিজুল রহমান আমর্সের বৈধ অস্ত্রের দোকানে মজুত রেখে সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করত। অস্ত্রের পাশাপাশি গুলিও বিক্রি করত চক্রটি। ঢাকার বৈধ অস্ত্র ও গুলি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরকারি শটগানের গুলি সংগ্রহ করত তারা। পরবর্তী সময়ে অবৈধভাবে সেই গুলি ওই সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করত।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হোসেনের চক্রের অন্যতম সদস্য রাঙামাটির বরকলের লাল তন পাংখোয়া। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে বরকল সীমান্তবর্তী মিজোরাম রাজ্য এবং বান্দরবানের মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে অস্ত্র-গুলি নিয়ে আসতেন। সীমান্তের ওপার থেকে আনা ২০০ টাকার গুলি বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাজার টাকায় বিক্রি করতেন।
সিটিটিসির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আহমেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হোসেনের অবৈধ অস্ত্রের সিন্ডিকেটে ১০-১২ জনের সদস্য রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজন বৈধ অস্ত্রের ব্যবসায়ী আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। চক্রটির ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন। বাকি সদস্যদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

বাবা মফিজুলের মৃত্যুর পর চট্টগ্রামের অস্ত্রের ব্যবসার হাল ধরেন বড় ছেলে মো. হোসেন। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ভালোভাবেই ব্যবসা করেন তিনি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রের ব্যবসার জৌলুশ হারিয়ে যায়। মন্দা ব্যবসা চাঙা করতে বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ অস্ত্রের কারবার শুরু করেন এই অস্ত্র ব্যবসায়ী। সীমান্ত জেলা থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র ও গুলি বিক্রি করতে গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের হাত ধরে চড়া দামে অস্ত্র পৌঁছে যেত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা শিবিরের সন্ত্রাসীদের কাছে।
ঢাকায় কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটে (সিটিটিসি) তিন দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনের এসব তথ্য দিয়েছেন চট্টগ্রামের অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. হোসেন। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আরও নানা ধরনের তথ্য দিচ্ছেন তাঁর চক্রের সদস্য রাঙামাটির একটি পাড়ার হেডম্যান লাল তন পাংখোয়া এবং দুই সহযোগী আলী আকবর ও আদিলুর রহমান।
রোহিঙ্গা শিবিরে একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ এখন প্রকাশ্যে তৎপরতা চালাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি গ্রুপ হলো মুন্না গ্রুপ ও কালু সর্দারের গ্রুপ। আধিপত্য বিস্তার, মাদক, চাঁদাবাজিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে গ্রুপ দুটি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই গ্রুপের কাছে অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করে আসছে মো. হোসেনের অবৈধ অস্ত্র সিন্ডিকেট।
সিটিটিসি সূত্র বলছে, হোসেনের সিন্ডিকেট সবচেয়ে বেশি সরবরাহ করেছে ৯ এমএম ও ৭.৬৫ মিমি পিস্তল। এই পিস্তলগুলো রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা ও সিলেট সীমান্ত দিয়ে পার করে দিয়ে আসত তারা। অবৈধ এই অস্ত্রগুলো চট্টগ্রামের চকবাজারের আন্দরকিল্লা মফিজুল রহমান আমর্সের বৈধ অস্ত্রের দোকানে মজুত রেখে সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করত। অস্ত্রের পাশাপাশি গুলিও বিক্রি করত চক্রটি। ঢাকার বৈধ অস্ত্র ও গুলি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরকারি শটগানের গুলি সংগ্রহ করত তারা। পরবর্তী সময়ে অবৈধভাবে সেই গুলি ওই সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করত।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হোসেনের চক্রের অন্যতম সদস্য রাঙামাটির বরকলের লাল তন পাংখোয়া। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে বরকল সীমান্তবর্তী মিজোরাম রাজ্য এবং বান্দরবানের মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে অস্ত্র-গুলি নিয়ে আসতেন। সীমান্তের ওপার থেকে আনা ২০০ টাকার গুলি বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাজার টাকায় বিক্রি করতেন।
সিটিটিসির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আহমেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হোসেনের অবৈধ অস্ত্রের সিন্ডিকেটে ১০-১২ জনের সদস্য রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজন বৈধ অস্ত্রের ব্যবসায়ী আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। চক্রটির ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন। বাকি সদস্যদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৫ দিন আগে