নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) অর্থ পাচারের মামলায় ব্যাংকটির নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতীর জামিন বাতিল করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
এর আগে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় রাশেদুল হক চিশতীকে গত ২৬ জানুয়ারি জামিন দেন হাইকোর্ট। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর গত ১ ফেব্রুয়ারি রাশেদ চিশতীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে তাকে লিভ টু আপিল করতে বলা হয়। গত বৃহস্পতিবার ওই আবেদনের শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করা হয়েছিল। আজ শুনানি শেষে তার জামিন বাতিলের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
এর আগে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল গুলশান থানায় মো. মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী, তার স্ত্রী রোজী চিশতী, ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকটির ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়া উদ্দিন আহমেদ এবং ব্যাংকটির গুলশান করপোরেট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ও বর্তমান সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকে মাহবুবুল হক চিশতী ও রাশেদ চিশতী কারাগারে আছেন।
উল্লেখ্য, মাহবুবুল হক চিশতী ও তার ছেলে রাশেদ চিশতিসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির মামলা রয়েছে। একাধিক মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন রাশেদ চিশতী। প্রত্যেকটি জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করেছে। সর্বোচ্চ আদালতে জামিন বাতিল হওয়ায় রাশেদ চিশতীর আপাতত মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ঢাকা: ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) অর্থ পাচারের মামলায় ব্যাংকটির নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতীর জামিন বাতিল করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
এর আগে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় রাশেদুল হক চিশতীকে গত ২৬ জানুয়ারি জামিন দেন হাইকোর্ট। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর গত ১ ফেব্রুয়ারি রাশেদ চিশতীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে তাকে লিভ টু আপিল করতে বলা হয়। গত বৃহস্পতিবার ওই আবেদনের শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করা হয়েছিল। আজ শুনানি শেষে তার জামিন বাতিলের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
এর আগে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল গুলশান থানায় মো. মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী, তার স্ত্রী রোজী চিশতী, ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকটির ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়া উদ্দিন আহমেদ এবং ব্যাংকটির গুলশান করপোরেট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ও বর্তমান সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকে মাহবুবুল হক চিশতী ও রাশেদ চিশতী কারাগারে আছেন।
উল্লেখ্য, মাহবুবুল হক চিশতী ও তার ছেলে রাশেদ চিশতিসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির মামলা রয়েছে। একাধিক মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন রাশেদ চিশতী। প্রত্যেকটি জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করেছে। সর্বোচ্চ আদালতে জামিন বাতিল হওয়ায় রাশেদ চিশতীর আপাতত মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে