
বাংলাদেশ থেকে জাপানে গিয়ে প্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তানভীর হাসান শোভন। সিরাজগঞ্জের এই তরুণ মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে ২০০৮ সালে পাড়ি জমান জাপানে। সেখানে তিনি প্রথমে টয়োটা কলেজ অব টেকনোলজি এবং পরে টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ক্যারিয়ার শুরু করেন জাপানের শীর্ষ গেম ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান ডিএনএতে (DeNA)। বর্তমানে তিনি জাপানভিত্তিক লাইফআর্ক নামে একটি স্টার্টআপের কর্ণধার। তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রিক্রুটমেন্ট ও অফশোর ডেভেলপমেন্ট সেবা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ জনবলকে জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, পেশাদারত্ব ও ধৈর্যের সমন্বয়ে কীভাবে বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে নিজের অবস্থান গড়ে তুলেছেন—তা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ড. মশিউর রহমান।
আপনার ক্যারিয়ারের যাত্রা কীভাবে শুরু হয়েছিল?
পরিকল্পিতভাবে শুরু হলেও পথ মোটেও সরল ছিল না। ২০০৮ সালে জাপানে আসার পর প্রথমে শিক্ষাগত ভিত্তি শক্ত করতে হয়েছে। টয়োটা কলেজে পড়ার সময় বুঝতে পারি, শুধু ডিগ্রি নেওয়া যথেষ্ট নয়—বাস্তব সমস্যার সমাধানের দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে পড়াশোনা আমাকে প্রযুক্তির গভীরে যেতে সাহায্য করেছে। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি সব সময় খেয়াল করেছি, শিল্প খাত ঠিক কী চায়। শিক্ষার্থীদের আমি বলব, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনকে শুধু পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে দেখবেন না। এটাকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতি হিসেবে নিন। আন্তর্জাতিক পরিবেশে টিকে থাকতে হলে যোগাযোগ, কাজের শৃঙ্খলা এবং নির্ভরযোগ্যতা—এই তিনটি গুণ অপরিহার্য। এই বোধই পরে আমার ক্যারিয়ারের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে।
প্রথম চাকরিতে সবচেয়ে বড় শিক্ষা কী পেয়েছিলেন?
ডিএনএতে গেম ডেভেলপার হিসেবে কাজ করা ছিল প্রথম বড় অভিজ্ঞতা। এখানে বুঝেছি, কর্মক্ষেত্রে আপনার সম্ভাবনা দিয়ে নয়, আপনার ডেলিভারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। ছাত্রজীবনের কৃতিত্বও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে; কিন্তু প্রতিদিনের কাজে কতটা সময়নিষ্ঠা, নির্ভুল ও সহযোগিতাপূর্ণ তা বেশি জরুরি। দ্রুত শেখার ক্ষমতাও অপরিহার্য। প্রযুক্তি বদলাবে, টুল বদলাবে, টিম বদলাবে; কিন্তু শেখার গতি ধীর হলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। নতুন গ্র্যাজুয়েটদের আমি বলব, প্রথম চাকরিকে বেতন বা পদমর্যাদা দেখার জায়গা না মনে করে শেখার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখুন। ওই অভ্যাস পরবর্তী দশকের ক্যারিয়ার গড়ে দেয়।
দক্ষতা উন্নয়নের জন্য আপনি কী কৌশল অনুসরণ করেছেন?
দক্ষতাকে দুই ভাগে দেখি—টেকনিক্যাল স্কিল এবং কাজের পরিবেশে কার্যকর হওয়ার স্কিল। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সিস্টেম বোঝা, সমস্যা বিশ্লেষণ—এসব টেকনিক্যাল স্কিল; কিন্তু এগুলো যথেষ্ট নয়। টিমে কাজ করতে পারা, ক্লায়েন্টের চাহিদা বোঝা, প্রশ্ন কখন করতে হবে তা জানা, নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারাও গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন খাতে কাজ করা—স্টার্টআপ, ইনস্যুরেন্স, রিক্রুটমেন্ট—সবই পরিকল্পিত স্কিল-বিল্ডিং। ভিন্ন খাতে কাজ করলে ব্যবসা, অপারেশন ও প্রযুক্তি সম্পর্ক বোঝা যায়। শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ, শুধু কোড বা সফটওয়্যার টুল শেখা নয়, লেখালেখি, প্রেজেন্টেশন, ডকুমেন্টেশন ও ভাষাগত দক্ষতা তৈরি করুন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়তে এসব আপনার বাজারমূল্য বাড়ায়।
ক্যারিয়ারের শুরুতে এমন কোনো ভুল করেছিলেন, যা পরে বড় শিক্ষা বলে মনে হয়েছে?
বড় ভুলগুলোর একটি ছিল একটি প্রকল্প নেওয়া, যেখানে প্রয়োজন, ডোমেইন এবং দায়িত্বের সীমা স্পষ্ট ছিল না। শুরুতে মনে হয়েছিল সহজ ওয়েব প্রকল্প, পরে বোঝা গেল হার্ডওয়্যার-সম্পর্কিত জটিলতা রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা শিখিয়েছে, ‘না’ বলতে পারা পেশাগত পরিপক্বতার অংশ। সব কাজ নেওয়া সাহসিকতা নয়; বরং প্রকল্পের পরিধি, ঝুঁকি, দক্ষতার চাহিদা ও সাপোর্ট বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বাস্তবিক। কোনো প্রকল্প নেওয়ার আগে তিনটি জিনিস নিশ্চিত করুন: কাজ কী, সফলতার মানদণ্ড কী এবং টিম প্রস্তুত কি না। ভুল করা খারাপ নয়, একই ভুল বারবার করা খারাপ।
নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় শিক্ষা আপনি কী পেয়েছেন?
নেতৃত্ব মানে সবকিছু নিজে করা নয়। শুরুতে অনেকে ভাবেন সব কাজ দেখলেই প্রতিষ্ঠান ভালো চলবে। বাস্তবে এতে নিজেই বাধা হয়ে যান। কাজকে ‘মানুষ’ দিয়ে নয়, ‘দায়িত্ব’ দিয়ে ভাবতে হয়।
কোন কাজের দায়িত্ব কার, কোন সিদ্ধান্ত কে নেবে, কোথায় অনুমোদন লাগবে—এসব পরিষ্কার না হলে প্রতিষ্ঠান বড় হয় না। একজন নেতা অপারেশনেই ডুবে থাকলে কৌশল নিয়ে ভাবার সময় পান না। নেতৃত্ব মানে দায়িত্ব ভাগ করা, সিদ্ধান্তের কাঠামো তৈরি করা এবং টিমকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে আপনার অনুপস্থিতিতেও কাজ চলে। তরুণদের জন্য শিক্ষা: নেতৃত্ব শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই—দলীয় প্রজেক্ট, ক্লাব, ছোট টিম—এসব জায়গায় দায়িত্ব ভাগ করা ও ফলোআপের অভ্যাস গড়ুন।
আন্তর্জাতিক বা বহু সাংস্কৃতিক পরিবেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা আপনাকে কী শিখিয়েছে?
শুধু দক্ষতাই যথেষ্ট নয়, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়াও সমান জরুরি। জাপানে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, যোগাযোগের ধরন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতি, দায়িত্ববোধ—সবকিছুই ভিন্ন। এমনকি নীরবতারও আলাদা অর্থ আছে। কোথাও সরাসরি কথা বলা শক্তি হিসেবে দেখা হয়, আবার কোথাও সেটি অমার্জিত মনে করে। অনেক জায়গায় ডকুমেন্টেশন ছাড়া কোনো কাজ এগোয় না। যাঁরা বিদেশে পড়তে বা কাজ করতে চান, তাঁদের বলব—ভাষা শেখা শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, সংস্কৃতি বোঝার জন্যও জরুরি। জাপানিজ, ইংরেজি বা অন্য যে ভাষাই হোক, ভাষা শুধু কথা বলার মাধ্যম নয়; এটি আপনাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে। আরেকটি বড় শিক্ষা হলো বিনয়। নিজের দেশে আপনি যতই ভালো হন না কেন, নতুন দেশে গিয়ে আবার শিখতে হয়। এই মানসিকতা না থাকলে মানিয়ে নেওয়া কঠিন।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন শিক্ষার্থীরা?
বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে তিনটি স্তরে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রথমত, একাডেমিক ভিত্তি—যা আপনাকে চিন্তা করতে শেখাবে। দ্বিতীয়ত, ব্যবহারিক দক্ষতা—যেমন লেখা, প্রেজেন্টেশন, সাক্ষাৎকার, সফটওয়্যার টুল এবং টিমওয়ার্ক। তৃতীয়ত, পেশাগত অভ্যাস—যেমন সময় ব্যবস্থাপনা, কাজের অগ্রগতি ট্র্যাক রাখা এবং ছোট কাজকেও গুরুত্ব দিয়ে সম্পন্ন করা। অনেক সিভিতে দেখা যায় অনেক কিছু লেখা থাকে, কিন্তু ইন্টারভিউতে প্রার্থী তা ব্যাখ্যা করতে পারেন না। তাই শুধু সার্টিফিকেট নয়, শেখার প্রয়োগ জরুরি। ছোট প্রকল্প করুন, ওপেন সোর্সে কাজ করুন, ইন্টার্নশিপের চেষ্টা করুন এবং অন্তত একটি বিদেশি ভাষা বা পেশাগত
যোগাযোগ দক্ষতা গড়ে তুলুন। আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে।
চাকরি ছেড়ে স্টার্টআপে আসার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন?
চাকরি আমাকে শৃঙ্খলা, স্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক মানের কাজ শিখিয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর পর মনে হয়েছে, শুধু নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করলে শেখা সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। আমি সমস্যাকে বড় পরিসরে দেখতে চেয়েছি। রিক্রুটমেন্ট, অফশোর টিম গঠন এবং জাপানি কোম্পানির চাহিদা কাছ থেকে দেখে বুঝেছি, এখানে কার্যকর ব্যবসায়িক সুযোগ রয়েছে। তবে হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নিইনি। আগে সম্পর্ক তৈরি করেছি, বাজার বুঝেছি, সম্ভাব্য ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথা বলেছি, তারপর ধীরে ধীরে ছোট পরিসরে কাজ শুরু করেছি। আমার কাছে উদ্যোক্তা হওয়া মানে চাকরির বিপরীত কিছু নয়; বরং চাকরিজীবনে শেখা অভিজ্ঞতার বিস্তৃত প্রয়োগ। তাই শিক্ষার্থীদের বলব, উদ্যোক্তা হতে চাইলে আগে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিন, সমস্যাকে গভীরভাবে বুঝুন এবং প্রস্তুতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।
সামনে চাকরির বাজারে কী ধরনের পরিবর্তন দেখছেন?
চাকরির বাজার দ্রুত বদলাচ্ছে। শুধু প্রযুক্তি নয়, কাজের ধরন ও নিয়োগের কাঠামোও পরিবর্তিত হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ফুল টাইমের পাশাপাশি আংশিক সময়ের বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিচ্ছে। আবার অনেক কাজ আউটসোর্স করা হচ্ছে। এআই অনেক কাজ সহজ করে দিলেও মানুষের যোগাযোগ দক্ষতা, প্রেক্ষাপট বোঝা, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি এখনো অপরিহার্য। ভবিষ্যতে শুধু টেকনিক্যাল দক্ষতা যথেষ্ট হবে নয়; আপনাকে হতে হবে ‘বিজনেসসচেতন’ পেশাজীবী—যিনি প্রযুক্তি যেমন বোঝেন, তেমনি ব্যবসার বাস্তবতাও বোঝেন।
তরুণদের এখন থেকে ভাবতে হবে—আমি কোন সমস্যার সমাধান করতে পারি? আমার দক্ষতা কি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য?
জাপানে চাকরির সুযোগ কেমন এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?
জাপানে আইটি, হসপিটালিটি, রিক্রুটমেন্টসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়ছে। তবে সুযোগের পাশাপাশি প্রস্তুতিও জরুরি। সবচেয়ে বড় ঘাটতি দেখা যায় ভাষা ও পেশাদার প্রস্তুতিতে। অনেকের টেকনিক্যাল দক্ষতা থাকলেও ভাষাগত দুর্বলতার কারণে পিছিয়ে পড়ে। তাই প্রথমত মূল দক্ষতা তৈরি করতে হবে—সমস্যা সমাধান, টিমওয়ার্ক, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। দ্বিতীয়ত, জাপানিজ ভাষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। তৃতীয়ত, সিভিতে যা লিখবেন, তা যেন বাস্তবে দেখাতে পারেন। পাশাপাশি সময়নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ, পরিষ্কার যোগাযোগ এবং শেখার মানসিকতা—এসব পেশাদার আচরণ গড়ে তুলতে হবে। নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করুন, যেন আপনি শুধু চাকরিপ্রার্থী নন; বরং একটি আন্তর্জাতিক দলের নির্ভরযোগ্য সদস্য।
বাংলাদেশের তরুণদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
সফলতার শর্টকাট খুঁজবেন না, সক্ষমতার ভিত্তি গড়ুন। অনেকে দ্রুত ফল চান, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে এগিয়ে যায় সেই ব্যক্তি, যে নিজের দুর্বলতা বুঝে কাজ করে। ভাষা দুর্বল? শিখুন। যোগাযোগে সমস্যা? চর্চা করুন। শৃঙ্খলার অভাব? ছোট অভ্যাস বদলান। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ভাষা ও পেশাদারত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দেশকে ছোট করে দেখার দরকার নেই, তবে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা শিখতে হবে। মনে রাখবেন, ক্যারিয়ার এক দিনে গড়ে ওঠে না—প্রতিদিনের ছোট সিদ্ধান্তেই এটি তৈরি হয়। ভালো ক্যারিয়ার ভাগ্যের ওপর দাঁড়ায় না; দাঁড়ায় প্রস্তুতি, ধারাবাহিকতা, ভাষার দক্ষতা, পেশাদারত্ব এবং বাস্তব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার ওপর।

মো. জাহিদ হাসান নাইম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিষয়ে স্নাতক শেষ করেছেন। এরপর তিনি পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তাঁর মেধাক্রম ছিল ৪। ভাইভা বোর্ডের...
২১ দিন আগে
গাজীপুর-জয়দেবপুরের শহরতলি থেকে শুরু হওয়া আবুল নুরুজ্জামানের যাত্রা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে। মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনার পর বৃত্তি নিয়ে তিনি জাপানের ওসাকা ইউনিভার্সিটিতে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেন।
২১ দিন আগে
আপনার বয়স ২২। সদ্য স্নাতক শেষ করেছেন। সমাবর্তনের মঞ্চ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা লিঙ্কডইনের ফিড—সবখানেই এক পরামর্শ ঘুরেফিরে আসে: নিজের প্যাশন অনুসরণ করুন, যা ভালোবাসেন, সেটাই করুন।
২১ দিন আগে
পাবলিক স্পিকিংয়ের কথা ভাবলেই অনেকের বুক ধড়ফড় করে, হাতের তালু ঘেমে যায়। কিন্তু সত্য হলো, এটি কোনো জন্মগত প্রতিভা নয়; চর্চার মাধ্যমে শেখা যায়। সঠিক প্রস্তুতি ও কৌশল থাকলে আপনি ভয়কে জয় করে একজন আত্মবিশ্বাসী বক্তা হয়ে উঠতে পারেন। চলুন জেনে নিই, পাবলিক স্পিকিংয়ে দক্ষ হওয়ার ১০টি কার্যকর কৌশল
০৭ জানুয়ারি ২০২৬