ক্যারিয়ার ডেস্ক

পাবলিক স্পিকিংয়ের কথা ভাবলেই অনেকের বুক ধড়ফড় করে, হাতের তালু ঘেমে যায়। কিন্তু সত্য হলো, এটি কোনো জন্মগত প্রতিভা নয়; চর্চার মাধ্যমে শেখা যায়। সঠিক প্রস্তুতি ও কৌশল থাকলে আপনি ভয়কে জয় করে একজন আত্মবিশ্বাসী বক্তা হয়ে উঠতে পারেন। চলুন জেনে নিই, পাবলিক স্পিকিংয়ে দক্ষ হওয়ার ১০টি কার্যকর কৌশল:
নার্ভাস হলে অনুশীলন করুন
বক্তব্যের আগে নার্ভাস লাগা খুবই স্বাভাবিক। হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত কাঁপা বা গলা শুকিয়ে আসা—এসব শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এগুলোকে ব্যর্থতার লক্ষণ ভাবার কোনো কারণ নেই। বরং এই নার্ভাসনেস আপনাকে আরও সতর্ক করে তোলে। এ জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হবে। বিষয়টি ভালোভাবে বুঝুন, নোট করুন এবং বারবার অনুশীলন করুন। আয়নার সামনে, বন্ধুর সামনে বা নিজেকে ভিডিও করে অনুশীলন করলে দ্রুত উন্নতি সম্ভব।
শ্রোতাদের সম্পর্কে জানুন
বক্তব্য তৈরি করার আগে ভাবুন আপনি কাদের সামনে কথা বলবেন। শিক্ষার্থী, পেশাজীবী নাকি সাধারণ মানুষ? শ্রোতাদের বয়স, আগ্রহ ও প্রেক্ষাপট বুঝে ভাষা, উদাহরণ ও তথ্যের গভীরতা ঠিক করুন।
বক্তব্য গুছিয়ে নিন
আপনার বক্তব্যর কাঠামো তৈরি করুন। বিষয়, সাধারণ উদ্দেশ্য, নির্দিষ্ট লক্ষ্য, কেন্দ্রীয় ধারণা ও মূল পয়েন্ট লিখে রাখুন। মনে রাখবেন, প্রথম ৩০ সেকেন্ডে শ্রোতাদের মনোযোগ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করুন
সব সময় শ্রোতাদের দিকে মনোযোগ রাখুন। তাদের চোখের ভাষা, ভঙ্গি ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ করুন। এতে আপনি বক্তব্যের গতি ও উদাহরণ সামঞ্জস্য করতে পারবেন। একেবারে মুখস্থ বা যান্ত্রিক বক্তব্য দেওয়ায় আগ্রহী শ্রোতার মনোযোগ হারাতে পারেন। জীবন্ত যোগাযোগই ভালো উপস্থাপনার চাবিকাঠি।
নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করুন
নিজের মতো থাকুন। রোবটের মতো নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে, আর শ্রোতারা আপনাকে একজন বাস্তব মানুষ হিসেবে দেখবে।
গল্প, রসিকতা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা যোগ করুন
একটি মজার গল্প বা হালকা রসিকতা বক্তব্যকে প্রাণবন্ত করে তোলে। শ্রোতারা সাধারণত ব্যক্তিগত ছোঁয়া পছন্দ করে, আর গল্প সেটিই এনে দেয়।
আউটলাইন ব্যবহার করুন নোট বা স্লাইড থেকে পুরো বাক্য পড়লে শ্রোতার সঙ্গে সংযোগ নষ্ট হয়। বরং কিছু শব্দ, চিত্র বা সংকেত ব্যবহার করুন। এতে আপনি মূল পয়েন্ট মনে রাখতে পারবেন এবং সরাসরি শ্রোতাদের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারবেন।
বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করুন
পাবলিক স্পিকিং শুধু মুখের কথা নয়, শরীরও কথা বলে। দাঁড়ানোর ভঙ্গি, চোখের যোগাযোগ ও অঙ্গভঙ্গি মিলিয়ে আপনার বার্তা আরও শক্তিশালী হয়।
অপ্রয়োজনীয় অঙ্গভঙ্গি বাদ দিন
নার্ভাস হলে অনেকে এক পা থেকে অন্য পায়ে দুলতে থাকেন, আবার কেউ একেবারে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন—দুটোই সমস্যা। চলাফেরা হোক ধীর, পরিকল্পিত ও অর্থবহ। প্রতিটি নতুন পয়েন্টে অবস্থান বদলালে বক্তব্য আরও প্রাঞ্জল হয়।
শুরুতে মনোযোগ আকর্ষণ করুন
‘আজ আমি আপনাদের ‘ক’ বিষয় নিয়ে কথা বলব’—এভাবে শুরু করলে অনেকের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। বরং চমকপ্রদ তথ্য, আকর্ষণীয় ঘটনা বা সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করুন। শেষে বক্তব্যের সারসংক্ষেপ এবং একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়ে শেষ করুন, যা শ্রোতারা মনে রাখবে।
ভিডিও দেখুন, নিজেকে আবিষ্কার করুন
নিজের উপস্থাপনার ভিডিও দেখা খুব কার্যকর। এতে বোঝা যায় কোথায় অপ্রয়োজনীয় দোলানো বা চোখের যোগাযোগের ঘাটতি আছে। নিয়মিত অনুশীলন ও রেকর্ডিং আপনাকে একজন আত্মবিশ্বাসী বক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে।
মনে রাখুন: ভালো যোগাযোগ কখনোই নিখুঁত হয় না। কিন্তু প্রতিদিনের অনুশীলন, ক্লাস, মিটিং বা ছোট পরিসরে বক্তব্যের অভিজ্ঞতা আত্মবিশ্বাসকে শক্তিশালী করে। ভয় নয়, প্রস্তুতিই আপনাকে একজন স্মরণীয় বক্তায় পরিণত করবে।

পাবলিক স্পিকিংয়ের কথা ভাবলেই অনেকের বুক ধড়ফড় করে, হাতের তালু ঘেমে যায়। কিন্তু সত্য হলো, এটি কোনো জন্মগত প্রতিভা নয়; চর্চার মাধ্যমে শেখা যায়। সঠিক প্রস্তুতি ও কৌশল থাকলে আপনি ভয়কে জয় করে একজন আত্মবিশ্বাসী বক্তা হয়ে উঠতে পারেন। চলুন জেনে নিই, পাবলিক স্পিকিংয়ে দক্ষ হওয়ার ১০টি কার্যকর কৌশল:
নার্ভাস হলে অনুশীলন করুন
বক্তব্যের আগে নার্ভাস লাগা খুবই স্বাভাবিক। হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত কাঁপা বা গলা শুকিয়ে আসা—এসব শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এগুলোকে ব্যর্থতার লক্ষণ ভাবার কোনো কারণ নেই। বরং এই নার্ভাসনেস আপনাকে আরও সতর্ক করে তোলে। এ জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হবে। বিষয়টি ভালোভাবে বুঝুন, নোট করুন এবং বারবার অনুশীলন করুন। আয়নার সামনে, বন্ধুর সামনে বা নিজেকে ভিডিও করে অনুশীলন করলে দ্রুত উন্নতি সম্ভব।
শ্রোতাদের সম্পর্কে জানুন
বক্তব্য তৈরি করার আগে ভাবুন আপনি কাদের সামনে কথা বলবেন। শিক্ষার্থী, পেশাজীবী নাকি সাধারণ মানুষ? শ্রোতাদের বয়স, আগ্রহ ও প্রেক্ষাপট বুঝে ভাষা, উদাহরণ ও তথ্যের গভীরতা ঠিক করুন।
বক্তব্য গুছিয়ে নিন
আপনার বক্তব্যর কাঠামো তৈরি করুন। বিষয়, সাধারণ উদ্দেশ্য, নির্দিষ্ট লক্ষ্য, কেন্দ্রীয় ধারণা ও মূল পয়েন্ট লিখে রাখুন। মনে রাখবেন, প্রথম ৩০ সেকেন্ডে শ্রোতাদের মনোযোগ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করুন
সব সময় শ্রোতাদের দিকে মনোযোগ রাখুন। তাদের চোখের ভাষা, ভঙ্গি ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ করুন। এতে আপনি বক্তব্যের গতি ও উদাহরণ সামঞ্জস্য করতে পারবেন। একেবারে মুখস্থ বা যান্ত্রিক বক্তব্য দেওয়ায় আগ্রহী শ্রোতার মনোযোগ হারাতে পারেন। জীবন্ত যোগাযোগই ভালো উপস্থাপনার চাবিকাঠি।
নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করুন
নিজের মতো থাকুন। রোবটের মতো নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে, আর শ্রোতারা আপনাকে একজন বাস্তব মানুষ হিসেবে দেখবে।
গল্প, রসিকতা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা যোগ করুন
একটি মজার গল্প বা হালকা রসিকতা বক্তব্যকে প্রাণবন্ত করে তোলে। শ্রোতারা সাধারণত ব্যক্তিগত ছোঁয়া পছন্দ করে, আর গল্প সেটিই এনে দেয়।
আউটলাইন ব্যবহার করুন নোট বা স্লাইড থেকে পুরো বাক্য পড়লে শ্রোতার সঙ্গে সংযোগ নষ্ট হয়। বরং কিছু শব্দ, চিত্র বা সংকেত ব্যবহার করুন। এতে আপনি মূল পয়েন্ট মনে রাখতে পারবেন এবং সরাসরি শ্রোতাদের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারবেন।
বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করুন
পাবলিক স্পিকিং শুধু মুখের কথা নয়, শরীরও কথা বলে। দাঁড়ানোর ভঙ্গি, চোখের যোগাযোগ ও অঙ্গভঙ্গি মিলিয়ে আপনার বার্তা আরও শক্তিশালী হয়।
অপ্রয়োজনীয় অঙ্গভঙ্গি বাদ দিন
নার্ভাস হলে অনেকে এক পা থেকে অন্য পায়ে দুলতে থাকেন, আবার কেউ একেবারে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন—দুটোই সমস্যা। চলাফেরা হোক ধীর, পরিকল্পিত ও অর্থবহ। প্রতিটি নতুন পয়েন্টে অবস্থান বদলালে বক্তব্য আরও প্রাঞ্জল হয়।
শুরুতে মনোযোগ আকর্ষণ করুন
‘আজ আমি আপনাদের ‘ক’ বিষয় নিয়ে কথা বলব’—এভাবে শুরু করলে অনেকের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। বরং চমকপ্রদ তথ্য, আকর্ষণীয় ঘটনা বা সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করুন। শেষে বক্তব্যের সারসংক্ষেপ এবং একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়ে শেষ করুন, যা শ্রোতারা মনে রাখবে।
ভিডিও দেখুন, নিজেকে আবিষ্কার করুন
নিজের উপস্থাপনার ভিডিও দেখা খুব কার্যকর। এতে বোঝা যায় কোথায় অপ্রয়োজনীয় দোলানো বা চোখের যোগাযোগের ঘাটতি আছে। নিয়মিত অনুশীলন ও রেকর্ডিং আপনাকে একজন আত্মবিশ্বাসী বক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে।
মনে রাখুন: ভালো যোগাযোগ কখনোই নিখুঁত হয় না। কিন্তু প্রতিদিনের অনুশীলন, ক্লাস, মিটিং বা ছোট পরিসরে বক্তব্যের অভিজ্ঞতা আত্মবিশ্বাসকে শক্তিশালী করে। ভয় নয়, প্রস্তুতিই আপনাকে একজন স্মরণীয় বক্তায় পরিণত করবে।

বর্তমান যুগে জ্ঞান বিনিময়ের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হলো প্রেজেন্টেশন। শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে করপোরেট দুনিয়া, প্রশাসনিক বৈঠক থেকে শুরু করে গবেষণা সম্মেলন—সব জায়গাতে একটি পরিষ্কার ও গোছানো প্রেজেন্টেশনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কিন্তু শুধু স্লাইড তৈরি করলেই একটি প্রভাবশালী প্রেজেন্টেশন হয় না।
১০ মে ২০২৫
বিজেএস পরীক্ষার জন্য একটি সুসংগঠিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি প্রয়োজন। অনার্স ও মাস্টার্সে যে বিষয়গুলো বিজেএসের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেগুলো আগে শেষ করতে হবে। প্রথম দিকে প্রস্তুতি এলোমেলো মনে হতে পারে। কোথা থেকে শুরু করবেন, বুঝতে অসুবিধা হতে পারে। তাই মূল প্রস্তুতি শুরু করুন আইন বিষয় দিয়ে।
১০ মে ২০২৫
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক সমাজে একজন শিক্ষার্থীর সফলতা শুধু পাঠ্যবই-নির্ভর নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে একটি সুশৃঙ্খল জীবনধারা। একজন শিক্ষার্থীর লাইফস্টাইল যেমন হবে, তার ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ অনেকটা সেভাবেই গড়ে উঠবে। শিক্ষার্থীরা একটি সুস্থ জীবনধারা যেভাবে গড়ে তুলতে পারে, সে পরামর্শ দিয়েছেন...
২৩ এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) রাজস্ব বাজেটভুক্ত শূন্য পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। নবম ও দশম গ্রেডে মোট ৯০টি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২৬ মার্চ ২০২৫