দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালকেরা বাজার থেকে কোম্পানির শেয়ার কেনায় ঝুঁকেছেন। এরই মধ্যে কোম্পানিটির পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী ১৫ লাখ শেয়ার কেনার কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে কোম্পানির চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এস চৌধুরী আগামী কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরী ও তাঁর কয়েক বন্ধু মিলে প্রতিষ্ঠিত স্কয়ার ফার্মা বর্তমানে পরিচালনা করছেন স্যামসন চৌধুরীর চার ছেলেমেয়ে। গত কয়েক বছরে কোম্পানিটি ব্যাপক মুনাফা অর্জন করলেও শেয়ারের দাম তেমন একটা বাড়ছে না। তবে শেয়ারের দামের পতন হলে কোম্পানির পরিচালকেরা বাজার থেকে শেয়ার কেনার উদ্যোগ নেন। এ পদক্ষেপ আগেও দেখা গেছে এবং তা বর্তমানে আবারও পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
গত এক মাসে স্কয়ার ফার্মার শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ২১৪ টাকা। গতকাল শেয়ারের সর্বোচ্চ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২১৭ টাকা ৫০ পয়সা। এ সময়ে পরিচালকেরা শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। অঞ্জন চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দেন। ওই সময় স্কয়ার ফার্মার প্রতিটি শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ২১৫ টাকা। সেই হিসাবে ১৫ লাখ শেয়ারের বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁর এই শেয়ার কেনার কথা।
এদিকে কোম্পানির চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এস চৌধুরী গতকাল ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ও মানসম্মত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ ও বিএসআরএম একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ‘ফ্যামিলি হাউস সাপোর্ট ফর অলটারনেটিভ কেয়ার ফ্যাসিলিটিজ’ নামের উদ্যোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়...
১ দিন আগে
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বিনিয়োগ, রাজস্ব ঘাটতি ও আর্থিক খাতের চাপের মধ্যে অর্থনীতিতে গতি ফেরানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)।
২ দিন আগে
জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে কম দায়ী দেশগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি কিংবা কৃষি উৎপাদনে ধাক্কা—সবকিছুর ভার বহন করছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলো।
২ দিন আগে