
বন্যার পানিতে অনেকটা ভেঙে পড়েছে দিলারা বেগমের কাঁচা ঘর। দিনমজুর স্বামী ঘর মেরামত করবেন নাকি সংসারের আহার জোগাবেন, তা নিয়ে থাকেন দুশ্চিন্তায়। এই বিপদের সময়ে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যভর্তি একটি বড় ব্যাগ হাতে পেয়ে দিলারার মুখে হাসি ফুটেছে।
দিলারাকে আনন্দের এই মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী রূপায়ণ গ্রুপ। রূপায়ণ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার সিলেটের বন্যাদুর্গত কয়েক হাজার পরিবারকে উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ সুরমায় রূপায়ণ হাউজিং প্রকল্পের পাশে আয়োজিত ওই উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে এলাকার বন্যাকবলিত নারী, পুরুষ ও বয়োবৃদ্ধরা এসে উপহারের ব্যাগ হাতে পেয়ে খুশি মনে বাড়ি ফিরেছেন। এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাঁরা রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ রূপায়ণ গ্রুপের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এজিএম মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার আমজাদ হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সিলেটের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. এনামুল হক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সিলেট ব্যুরো চিফ ফখরুল ইসলাম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সভাপতি সজল ছত্রী, এশিয়ান টিভির সিলেট প্রতিনিধি শাহজাহান সেলিম বুলবুল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, চলতি বছর সিলেট অঞ্চল এ নিয়ে তৃতীয় দফা বন্যাকবলিত হয়েছে। একবার বন্যার পানি নামতে না নামতেই আবার বন্যা আসছে। ফলে বন্যাকবতিলদের কষ্ট-দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। এই দুঃসময়ে রূপায়ণ গ্রুপের বন্যাকবলিতদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ অন্যদের উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানে রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, সিলেটের বন্যাকবলিত লোকজনকে রূপায়ণ গ্রুপ নিজেদের বন্ধু হিসেবে দেখছে। বিপদগ্রস্ত এই বন্ধুদের জন্য রূপায়ণের খাদ্যসহায়তা অব্যাহত থাকবে।
রূপায়ণ গ্রুপের দেওয়া খাদ্যসামগ্রীর ব্যাগ হাতে পেয়ে নিজেদের অনুভূতি জানিয়েছেন আইয়ুব আলী, বাবুল মিয়া, আক্তার হোসেন, দুলাল মিয়া, এনাম উদ্দিন, রোকেয়া বেগম, সেলিনা বেগম, জাহানারা বেগম, শাহিদা বেগম, সুনীতি দাস, শান্তিরানী দাসসহ আরও অনেকে।
উপকারভোগীরা বলেন, ‘আমরা বড় কষ্টে আছি। ঠিকমতো খাবার জুটছে না। বন্যা আমাদের বিপুল ক্ষতি করেছে। এই বিপদের সময়ে রূপায়ণ গ্রুপ খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়ে আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। আমরা রূপায়ণ গ্রুপের মালিকদের জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করছি।’

বন্যার পানিতে অনেকটা ভেঙে পড়েছে দিলারা বেগমের কাঁচা ঘর। দিনমজুর স্বামী ঘর মেরামত করবেন নাকি সংসারের আহার জোগাবেন, তা নিয়ে থাকেন দুশ্চিন্তায়। এই বিপদের সময়ে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যভর্তি একটি বড় ব্যাগ হাতে পেয়ে দিলারার মুখে হাসি ফুটেছে।
দিলারাকে আনন্দের এই মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী রূপায়ণ গ্রুপ। রূপায়ণ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার সিলেটের বন্যাদুর্গত কয়েক হাজার পরিবারকে উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ সুরমায় রূপায়ণ হাউজিং প্রকল্পের পাশে আয়োজিত ওই উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে এলাকার বন্যাকবলিত নারী, পুরুষ ও বয়োবৃদ্ধরা এসে উপহারের ব্যাগ হাতে পেয়ে খুশি মনে বাড়ি ফিরেছেন। এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাঁরা রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ রূপায়ণ গ্রুপের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এজিএম মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার আমজাদ হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সিলেটের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. এনামুল হক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সিলেট ব্যুরো চিফ ফখরুল ইসলাম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সভাপতি সজল ছত্রী, এশিয়ান টিভির সিলেট প্রতিনিধি শাহজাহান সেলিম বুলবুল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, চলতি বছর সিলেট অঞ্চল এ নিয়ে তৃতীয় দফা বন্যাকবলিত হয়েছে। একবার বন্যার পানি নামতে না নামতেই আবার বন্যা আসছে। ফলে বন্যাকবতিলদের কষ্ট-দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। এই দুঃসময়ে রূপায়ণ গ্রুপের বন্যাকবলিতদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ অন্যদের উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানে রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, সিলেটের বন্যাকবলিত লোকজনকে রূপায়ণ গ্রুপ নিজেদের বন্ধু হিসেবে দেখছে। বিপদগ্রস্ত এই বন্ধুদের জন্য রূপায়ণের খাদ্যসহায়তা অব্যাহত থাকবে।
রূপায়ণ গ্রুপের দেওয়া খাদ্যসামগ্রীর ব্যাগ হাতে পেয়ে নিজেদের অনুভূতি জানিয়েছেন আইয়ুব আলী, বাবুল মিয়া, আক্তার হোসেন, দুলাল মিয়া, এনাম উদ্দিন, রোকেয়া বেগম, সেলিনা বেগম, জাহানারা বেগম, শাহিদা বেগম, সুনীতি দাস, শান্তিরানী দাসসহ আরও অনেকে।
উপকারভোগীরা বলেন, ‘আমরা বড় কষ্টে আছি। ঠিকমতো খাবার জুটছে না। বন্যা আমাদের বিপুল ক্ষতি করেছে। এই বিপদের সময়ে রূপায়ণ গ্রুপ খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়ে আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। আমরা রূপায়ণ গ্রুপের মালিকদের জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করছি।’

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
২ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৫ ঘণ্টা আগে