
সেন্ট মার্টিন দ্বীপবাসীর মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। আজ শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল বা চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে সব সময় এগিয়ে এসেছে। সাম্প্রতিক সময় বৈরী আবহাওয়া ও সমুদ্র উত্তাল থাকায় সেন্ট মার্টিন এ খাদ্যসামগ্রী পরিবহন কিছুটা দুরূহ হওয়ায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী সেন্ট মার্টিন এ খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে দ্বীপবাসীর মাঝে দুই দিনব্যাপী খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে কোস্ট গার্ড। এই কর্মসূচির আওতায় আজ (২ আগস্ট) শুক্রবারে দ্বীপবাসীর মাঝে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী।
তিনি আরও বলেন, ত্রাণবিতরণ কার্যক্রমে অধিনায়ক বিসিজিএস মনসুর আলী কমান্ডার মোহাম্মদ রাশেদুল করিম, (এনডি), এএফডব্লিউসি, পিএসসি, বিএন ও স্টেশন কমান্ডার সেন্ট মার্টিন লে. কমান্ডার মো. মিজানুল হক ইমরান, (এক্স) বিএনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে প্রায় এক হাজার পরিবারকে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে।

দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
৫ ঘণ্টা আগে
গ্যাস-সংকটের কারণে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানাকে বয়লার ও জেনারেটর সচল রাখতে ডিজেলসহ অন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে উৎপাদনের পরিমাণ।
৭ ঘণ্টা আগে
পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স পেয়েছে বাংলালিংকের শতভাগ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরে অনুমোদিতভাবে পরিশোধ সেবা দিতে পারবে। বাংলালিংক ‘মুক্ত পে’ ব্র্যান্ডের অধীনে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা চালু করবে।
১১ ঘণ্টা আগে