
অনলাইন-অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের সম্মানার্থে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘অনলাইনের ভাষা’ শীর্ষক এক ক্যাম্পেইন চালু করেছে গ্রামীণফোন। রোববার গ্রামীণফোনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা ভাষার নেতিবাচক ব্যবহার রুখতে স্টিকার ইমেজ ব্যবহারের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে সচেতনতা তৈরিতেই এ ক্যাম্পেইনটি চালু করা হয়েছে।
গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাজ্জাদ হাসিব বলেন, ‘অনলাইনের ভাষা আমাদের কাছে ক্যাম্পেইনের চেয়েও বেশি কিছু, আমাদের হৃদয়ের অনেক কাছের। দায়িত্বশীল করপোরেট সিটিজেন হিসেবে অনলাইন পরিসরে সবাইকে নিরাপদ রাখতে বিগত বছরগুলোতে আমরা সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করছি। এ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে এবং অনলাইনের ভাষার দায়িত্বশীল ব্যবহারে একে অন্যকে সহায়তা করতে আমি আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, পার্টনার, পৃষ্ঠপোষক ও অংশীজনদের স্বাগত জানাই।’
টেক সার্ভিস লিডার ও ডিজিটাল বাংলাদেশের কানেকটিভিটি পার্টনার হিসেবে গ্রামীণফোন এর আগেও বাংলা ভাষা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ পয়সায় মোবাইল-টু-মোবাইল বাংলা এসএমএস ট্যারিফ সুবিধা চালু করেছে। এর ফলে, কোনো ব্যবহারকারী যদি বাংলায় এসএমএস লিখে কাউকে পাঠায় তাহলে তাকে প্রচলিত মূল্যের পরিবর্তে মাত্র ২৫ পয়সা খরচ করতে হবে। এ ছাড়া গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রামীণফোন ‘ভাষার প্রতি ভালোবাসা’ শীর্ষক একটি উদ্যোগও চালু করে। সঠিকভাবে বাংলা জানা থাকলে যে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা দূর হয় প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের এ বিশ্বাসের ওপরই গুরুত্বারোপ করে এ উদ্যোগটি।
এ ছাড়া, ২০২০ সালে চালু হওয়া ‘কথাগুলো হারিয়ে না যাক শব্দের অভাবে’ এ প্রতিপাদ্যের অধীনে গ্রামীণফোন একটি বিশেষ উদ্যোগ নেয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোন এর ওয়েবসাইট ও সেলফ সার্ভিস ডিজিটাল কেয়ার অ্যাপ মাইজিপিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের জন্য গ্রাহকসেবা চালু করে। যেখানে শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের জন্য সাইন-লাইন ডিজিট কেয়ার সুবিধা প্রদান করা হয়।

অনলাইন-অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের সম্মানার্থে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘অনলাইনের ভাষা’ শীর্ষক এক ক্যাম্পেইন চালু করেছে গ্রামীণফোন। রোববার গ্রামীণফোনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা ভাষার নেতিবাচক ব্যবহার রুখতে স্টিকার ইমেজ ব্যবহারের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে সচেতনতা তৈরিতেই এ ক্যাম্পেইনটি চালু করা হয়েছে।
গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাজ্জাদ হাসিব বলেন, ‘অনলাইনের ভাষা আমাদের কাছে ক্যাম্পেইনের চেয়েও বেশি কিছু, আমাদের হৃদয়ের অনেক কাছের। দায়িত্বশীল করপোরেট সিটিজেন হিসেবে অনলাইন পরিসরে সবাইকে নিরাপদ রাখতে বিগত বছরগুলোতে আমরা সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করছি। এ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে এবং অনলাইনের ভাষার দায়িত্বশীল ব্যবহারে একে অন্যকে সহায়তা করতে আমি আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, পার্টনার, পৃষ্ঠপোষক ও অংশীজনদের স্বাগত জানাই।’
টেক সার্ভিস লিডার ও ডিজিটাল বাংলাদেশের কানেকটিভিটি পার্টনার হিসেবে গ্রামীণফোন এর আগেও বাংলা ভাষা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ পয়সায় মোবাইল-টু-মোবাইল বাংলা এসএমএস ট্যারিফ সুবিধা চালু করেছে। এর ফলে, কোনো ব্যবহারকারী যদি বাংলায় এসএমএস লিখে কাউকে পাঠায় তাহলে তাকে প্রচলিত মূল্যের পরিবর্তে মাত্র ২৫ পয়সা খরচ করতে হবে। এ ছাড়া গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রামীণফোন ‘ভাষার প্রতি ভালোবাসা’ শীর্ষক একটি উদ্যোগও চালু করে। সঠিকভাবে বাংলা জানা থাকলে যে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা দূর হয় প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের এ বিশ্বাসের ওপরই গুরুত্বারোপ করে এ উদ্যোগটি।
এ ছাড়া, ২০২০ সালে চালু হওয়া ‘কথাগুলো হারিয়ে না যাক শব্দের অভাবে’ এ প্রতিপাদ্যের অধীনে গ্রামীণফোন একটি বিশেষ উদ্যোগ নেয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোন এর ওয়েবসাইট ও সেলফ সার্ভিস ডিজিটাল কেয়ার অ্যাপ মাইজিপিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের জন্য গ্রাহকসেবা চালু করে। যেখানে শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের জন্য সাইন-লাইন ডিজিট কেয়ার সুবিধা প্রদান করা হয়।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৭ ঘণ্টা আগে