বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের সব জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মেটলাইফ বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পরিমাণ বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি মোট ২ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা বীমা দাবি পরিশোধ করে। মেটলাইফের দাবি নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৭.৭৯ শতাংশ, যা সর্বোচ্চ হারগুলোর মধ্যে অন্যতম।
নিষ্পত্তি করা বীমা দাবির মধ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দাবির পরিমাণ ছিল ২৩৭ কোটি টাকা এবং মৃত্যুজনিত দাবির পরিমাণ ছিল ১৪০ কোটি টাকা। এছাড়া, মেয়াদ পূর্ণ ও আংশিক মেয়াদ পূর্ণসহ অন্যান্য দাবির পরিমাণ ছিল মোট ২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা।
বিগত ৫ বছরে, অর্থাৎ ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, মেটলাইফ বাংলাদেশ ১১ হাজার ৪ শ’ কোটিরও বেশি টাকা বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে।
মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, ‘মেটলাইফ প্রতিশ্রুতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ পরিমাণ বীমা দাবির নিষ্পত্তি এরই প্রমাণ। আমাদের গ্রাহকদের প্রয়োজনে আমরা সবসময় তাদের পাশে রয়েছি, প্রতিটি দাবি পরিশোধই আমাদের সেই অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’
কোম্পানি ভিত্তিক দাবি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে ভিজিট করুন—
প্রায় ১০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন—

আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিপিসির (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন) লোকসান কমানোর অজুহাতে দেশের বাজারে একলাফে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। নতুন এই দর ঘোষণার পর ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১ ঘণ্টা আগে
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তবে ওয়ালমার্ট, গ্যাপ ও নেক্সটের সরবরাহকারী ‘৪এ ইয়ার্ন ডাইংয়ে’ অন্তত এখন পর্যন্ত কর্মীরা নির্বিঘ্নে হুডি সেলাই করছেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লোগো লাগাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নিরুপায় হওয়ার যুক্তি দিয়ে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। এর ফলে জ্বালানি তেলের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। গণপরিবহন খাতসহ প্রত্যক্ষভাবে জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী নাগরিক সমাজের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে এতে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে পুরোপুরি আস্থা ফেরেনি। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্রের সুদহার আপাতত অপরিবর্তিত থাকায় নিরাপদ বিনিয়োগের খোঁজে আবারও এই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন সঞ্চয়ধারী মানুষ। এর প্রমাণ মিলেছে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসের বিক্রিতে। জুলাইয়ে ২ হাজার ৫৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের
১২ ঘণ্টা আগে