নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কুষ্টিয়া জেলার খোকসার জুবিলী ব্যাংকের অবসায়নে অবসায়ক হিসেবে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে নিয়োগ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বছরের ২৯ নভেম্বর এ আদেশ দেওয়া হয়। তবে আদেশের অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার।
আদেশে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীকে ‘দ্য অফিশিয়াল লিকুইডিটর’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ জন্য তাঁকে প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফি দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফারিয়া হককে অতিরিক্ত লিকুইডিটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ফি দিতে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এটা বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদের ব্যাংক। ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকার এটির লাইসেন্স দিয়েছিল। এটি এখনো চলমান। আমি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনব। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক কেন এটি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে সে বিষয়ে তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা চাইব।’
১৯১৩ সালের ১৫ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার জানিপুরে ‘খোকসা জানিপুর জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়ে ব্যাংকটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবসা শুরু করে। ১৯৮৭ সালে নাম পরিবর্তন করে হয় ‘জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড’।
বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুর কয়েকজন খুনি জুবিলী ব্যাংকের মালিকানায় ছিলেন। কয়েক বছর ধরে ব্যাংকটি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এটির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে।

কুষ্টিয়া জেলার খোকসার জুবিলী ব্যাংকের অবসায়নে অবসায়ক হিসেবে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে নিয়োগ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বছরের ২৯ নভেম্বর এ আদেশ দেওয়া হয়। তবে আদেশের অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার।
আদেশে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীকে ‘দ্য অফিশিয়াল লিকুইডিটর’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ জন্য তাঁকে প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফি দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফারিয়া হককে অতিরিক্ত লিকুইডিটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ফি দিতে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এটা বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদের ব্যাংক। ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকার এটির লাইসেন্স দিয়েছিল। এটি এখনো চলমান। আমি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনব। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক কেন এটি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে সে বিষয়ে তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা চাইব।’
১৯১৩ সালের ১৫ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার জানিপুরে ‘খোকসা জানিপুর জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়ে ব্যাংকটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবসা শুরু করে। ১৯৮৭ সালে নাম পরিবর্তন করে হয় ‘জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড’।
বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুর কয়েকজন খুনি জুবিলী ব্যাংকের মালিকানায় ছিলেন। কয়েক বছর ধরে ব্যাংকটি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এটির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৭ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে