
ব্যাংকিং খাতে প্রথমবারের মতো ওয়াটার ডট ওআরজি (Water.org) এবং এর ক্ষুদ্রঋণ পার্টনারদের সঙ্গে যৌথভাবে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনে অর্থায়ন সুবিধা প্রবর্তন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ওয়াটার ডট ওআরজি হলো একটি বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যা বিশ্বব্যাপী নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করে।
১৬ অক্টোবর ২০২৪ লেকশোর হোটেলে ‘ইমপ্রুভিং লাইভস থ্রু ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থায়নসুবিধা চালু করেছে। অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান ও ওয়াটার ডট ওআরজির জন্য একটি নেটওয়ার্কিং সেশন ছিল, যেখানে তারা একে অন্যের সঙ্গে নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণা, জ্ঞান ও বিভিন্ন সলিউশন নিয়ে আলোচনার সুযোগ পেয়েছে।
এই যুগান্তকারী উদ্যোগের লক্ষ্য হলো গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন প্রোডাক্ট সহজলভ্য করার লক্ষ্যে তাঁদের জন্য অর্থায়নসুবিধা সম্প্রসারিত করা, উন্নত সলিউশন প্রদানের লক্ষ্যে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা, পানি ও স্যানিটেশন সেবার মান উন্নত করা এবং উন্নয়ন ও টেকসই ত্বরান্বিত করতে পানি ও স্যানিটেশন খাতে কাজ করা এসএমইগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং ওয়াটার ডট ওআরজির সাউথ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর মনোজ গুলাটি, ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এমএফআই অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার ফাইন্যান্সিং তাপস কুমার রায় এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে ‘দ্য রোড অ্যাহেড: আনলকিং নিউ অ্যাভেনিউজ ফর ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন ফাইন্যান্সিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন, ওয়াটার ডট ওআরজির দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক সাজিদ অমিত, ব্যুরো বাংলাদেশের স্পেশাল প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর এস এম এ রাকিব এবং কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী। সেশনটি পরিচালনা করেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এসএমই স্ট্র্যাটেজি, ইনোভেশন অ্যান্ড নিউ বিজনেস মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম।
আয়োজনে ওয়াটার ডট ওআরজির প্রতিনিধিরা সফল কেস স্টাডি উপস্থাপনের পাশাপাশি নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের সম্ভাব্য টেকসই মডেলগুলোও উপস্থাপন করেন। প্যানেল আলোচনায় আলোচকেরা পানি প্রকল্পের উদ্ভাবনী অর্থায়নব্যবস্থা, স্যানিটেশন সলিউশন, পানি সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করতে প্রযুক্তির ভূমিকা এবং ইন্ডাস্ট্রি কোলাবরেশন নিয়ে আলোচনা করেন।
নিরাপদ পানির ব্যবস্থা ও স্যানিটেশন-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক এসএমই ফাইন্যান্সিংয়ের আওতায় নিজেদের পার্টনার ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য এসএমই ফাইন্যান্সিং চ্যানেলের মাধ্যমে পানি ও স্যানিটেশন কর্মসূচিতে অর্থায়ন সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি আলাদা পোর্টফোলিও তৈরি করবে।

ব্যাংকিং খাতে প্রথমবারের মতো ওয়াটার ডট ওআরজি (Water.org) এবং এর ক্ষুদ্রঋণ পার্টনারদের সঙ্গে যৌথভাবে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনে অর্থায়ন সুবিধা প্রবর্তন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ওয়াটার ডট ওআরজি হলো একটি বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যা বিশ্বব্যাপী নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করে।
১৬ অক্টোবর ২০২৪ লেকশোর হোটেলে ‘ইমপ্রুভিং লাইভস থ্রু ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থায়নসুবিধা চালু করেছে। অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান ও ওয়াটার ডট ওআরজির জন্য একটি নেটওয়ার্কিং সেশন ছিল, যেখানে তারা একে অন্যের সঙ্গে নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণা, জ্ঞান ও বিভিন্ন সলিউশন নিয়ে আলোচনার সুযোগ পেয়েছে।
এই যুগান্তকারী উদ্যোগের লক্ষ্য হলো গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন প্রোডাক্ট সহজলভ্য করার লক্ষ্যে তাঁদের জন্য অর্থায়নসুবিধা সম্প্রসারিত করা, উন্নত সলিউশন প্রদানের লক্ষ্যে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা, পানি ও স্যানিটেশন সেবার মান উন্নত করা এবং উন্নয়ন ও টেকসই ত্বরান্বিত করতে পানি ও স্যানিটেশন খাতে কাজ করা এসএমইগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং ওয়াটার ডট ওআরজির সাউথ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর মনোজ গুলাটি, ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এমএফআই অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার ফাইন্যান্সিং তাপস কুমার রায় এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে ‘দ্য রোড অ্যাহেড: আনলকিং নিউ অ্যাভেনিউজ ফর ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন ফাইন্যান্সিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন, ওয়াটার ডট ওআরজির দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক সাজিদ অমিত, ব্যুরো বাংলাদেশের স্পেশাল প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর এস এম এ রাকিব এবং কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী। সেশনটি পরিচালনা করেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এসএমই স্ট্র্যাটেজি, ইনোভেশন অ্যান্ড নিউ বিজনেস মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম।
আয়োজনে ওয়াটার ডট ওআরজির প্রতিনিধিরা সফল কেস স্টাডি উপস্থাপনের পাশাপাশি নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের সম্ভাব্য টেকসই মডেলগুলোও উপস্থাপন করেন। প্যানেল আলোচনায় আলোচকেরা পানি প্রকল্পের উদ্ভাবনী অর্থায়নব্যবস্থা, স্যানিটেশন সলিউশন, পানি সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করতে প্রযুক্তির ভূমিকা এবং ইন্ডাস্ট্রি কোলাবরেশন নিয়ে আলোচনা করেন।
নিরাপদ পানির ব্যবস্থা ও স্যানিটেশন-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক এসএমই ফাইন্যান্সিংয়ের আওতায় নিজেদের পার্টনার ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য এসএমই ফাইন্যান্সিং চ্যানেলের মাধ্যমে পানি ও স্যানিটেশন কর্মসূচিতে অর্থায়ন সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি আলাদা পোর্টফোলিও তৈরি করবে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৬ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১০ ঘণ্টা আগে