নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশেও। বিশ্বজুড়ে সোনার দাম বাড়ায় দেশেও দিনে দিনে দাম বাড়ছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার দাম দেড় লাখ টাকার বেশি, যেখানে এক বছর আগে এটি ছিল ১ লাখ ১১ হাজার টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা।
বিশ্ববাজারে সোনার দাম নিয়মিত ওঠানামা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে দাম বাড়ার হার অনেক বেশি এবং তা উল্লেখযোগ্য হারে কমছে না। ফলে সোনার দাম ধাপে ধাপে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতি দেখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্বাভাস পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। গোল্ডম্যান স্যাকস, ব্যাংক অব আমেরিকা, ইউবিএসের মতো বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সোনার দামের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছরের শেষে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ৩০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। ব্যাংক অব আমেরিকা ২০২৫ সালে সোনার দাম ৩ হাজার ৬৩ ডলার এবং ২০২৬ সালে ৩ হাজার ৩৫০ ডলার হতে পারে বলে জানিয়েছে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
কেন বাড়ছে সোনার দাম
বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা এবং বিনিয়োগের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে সোনার চাহিদা বৃদ্ধি মূলত দাম বাড়ার প্রধান কারণ। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সোনার মজুত বাড়ানোর প্রবণতাও দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
দেশে সোনার দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। তারা নিয়মিত সোনার দাম হালনাগাদ করে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ) বাজুস ১৭ বার সোনার দাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে, যার মধ্যে ১৪ বার বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে।
চলতি বছর মূল্যবৃদ্ধির চিত্র
বছরের শুরুতে ১৫ জানুয়ারি সোনার দাম বাড়ানো হয়। তখন ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ সোনার দাম বাড়ানোর কথা জানায় বাজুস। এই দফায় দাম বাড়ার পরে সোনার দাম হয়েছে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। দেশের বাজারে এটি এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ বা রেকর্ড দাম। ফলে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে প্রতি ভরিতে সোনার দাম ১৮ হাজার ৪২৯ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে ২১ ক্যারেট মানের সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট সোনা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।
বিশ্ববাজারের প্রভাব
বাংলাদেশে সোনা উৎপাদিত হয় না। ফলে আমদানি করতে হয়। বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশের বাজারেও সরাসরি প্রভাব পড়ে। সর্বশেষ ৩১ মার্চ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা প্রতি সপ্তাহে নতুন রেকর্ড তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয় বৃদ্ধির কারণেও সোনার দাম বাড়ছে। ২০২৪ সালে টানা তৃতীয় বছরের মতো বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এক হাজার টনের বেশি সোনা কিনেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশেও। বিশ্বজুড়ে সোনার দাম বাড়ায় দেশেও দিনে দিনে দাম বাড়ছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার দাম দেড় লাখ টাকার বেশি, যেখানে এক বছর আগে এটি ছিল ১ লাখ ১১ হাজার টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা।
বিশ্ববাজারে সোনার দাম নিয়মিত ওঠানামা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে দাম বাড়ার হার অনেক বেশি এবং তা উল্লেখযোগ্য হারে কমছে না। ফলে সোনার দাম ধাপে ধাপে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতি দেখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্বাভাস পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। গোল্ডম্যান স্যাকস, ব্যাংক অব আমেরিকা, ইউবিএসের মতো বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সোনার দামের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছরের শেষে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ৩০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। ব্যাংক অব আমেরিকা ২০২৫ সালে সোনার দাম ৩ হাজার ৬৩ ডলার এবং ২০২৬ সালে ৩ হাজার ৩৫০ ডলার হতে পারে বলে জানিয়েছে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
কেন বাড়ছে সোনার দাম
বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা এবং বিনিয়োগের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে সোনার চাহিদা বৃদ্ধি মূলত দাম বাড়ার প্রধান কারণ। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সোনার মজুত বাড়ানোর প্রবণতাও দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
দেশে সোনার দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। তারা নিয়মিত সোনার দাম হালনাগাদ করে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ) বাজুস ১৭ বার সোনার দাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে, যার মধ্যে ১৪ বার বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে।
চলতি বছর মূল্যবৃদ্ধির চিত্র
বছরের শুরুতে ১৫ জানুয়ারি সোনার দাম বাড়ানো হয়। তখন ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ সোনার দাম বাড়ানোর কথা জানায় বাজুস। এই দফায় দাম বাড়ার পরে সোনার দাম হয়েছে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। দেশের বাজারে এটি এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ বা রেকর্ড দাম। ফলে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে প্রতি ভরিতে সোনার দাম ১৮ হাজার ৪২৯ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে ২১ ক্যারেট মানের সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট সোনা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।
বিশ্ববাজারের প্রভাব
বাংলাদেশে সোনা উৎপাদিত হয় না। ফলে আমদানি করতে হয়। বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশের বাজারেও সরাসরি প্রভাব পড়ে। সর্বশেষ ৩১ মার্চ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা প্রতি সপ্তাহে নতুন রেকর্ড তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয় বৃদ্ধির কারণেও সোনার দাম বাড়ছে। ২০২৪ সালে টানা তৃতীয় বছরের মতো বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এক হাজার টনের বেশি সোনা কিনেছে।

পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে দেশ থেকে ২০ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, এসব কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যার একটি বড় অংশ সম্ভবত বিদেশে পাচার হয়েছে। সুশাসনের অভাবে দেশের ব্যাংকিং খাত কার্যত ধ্বংস
১১ মিনিট আগে
সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৭ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৭ ঘণ্টা আগে