Ajker Patrika

কারাগারে থাকা সালাম মুর্শেদীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
কারাগারে থাকা সালাম মুর্শেদীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগৃহীত

জালিয়াতির মাধ্যমে রাজধানী গুলশানের ২৭ কাঠা একটি সরকারি পরিত্যক্ত প্লট আত্মসাতের মামলা ও অন্যান্য মামলায় কারাগারে থাকা খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাফুফের সাবেক সহসভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ নিষেধাজ্ঞা দেন।

সালাম মুর্শেদীর দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী শারমিন সালামেরও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন তাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, সালাম মুর্শেদী ও অন্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা দেশত্যাগ করে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের দেশত্যাগ রহিত করা একান্ত আবশ্যক।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর দিবাগত রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সালাম মুর্শেদীকে আটক করা হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

বিভিন্ন মামলার মধ্যে জালিয়াতির মাধ্যমে রাজধানী গুলশানের ২৭ কাঠা একটি সরকারি পরিত্যক্ত প্লট আত্মসাতের মামলায় সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারও দেখানো হয়েছে।

গুলশান ২ নম্বরের ১০৪ নম্বর সড়কের পরিত্যক্ত প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। পরে গত বছর ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ও সরকারি কর্মচারী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। যা পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করে। পরে সালাম মুর্শিদী ভোগ দখল করতে থাকেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আইসিসি-পিসিবির সঙ্গে জরুরি মিটিংয়ে হঠাৎ লাহোরে বিসিবি সভাপতি

১৩ অস্ত্রসহ সুব্রত বাইনের সহযোগী দীপু গ্রেপ্তার

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারত-আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তীব্র হয়: সাবেক সেনাপ্রধানের জবানবন্দি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শেষ সময়ে এমপিওর তোড়জোড়

আজকের রাশিফল: আপনার উন্নতি দেখে অনেকের জ্বলবে, চ্যাট হিস্ট্রি সাবধানে রাখুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত