নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ২০২৫-২৭ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়েছে। পর্ষদে সভাপতি হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হাতেম। একই সঙ্গে নির্বাহী সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফজলে শামীম এহসান।
আজ বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএর প্রধান কার্যালয়ে নির্বাচন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পূর্বঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে দেখা যায়, নয়টি পদে নয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্বাচন ছাড়াই সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন— সিনিয়র সহসভাপতি অমল পোদ্দার; সহসভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার; সহসভাপতি (৫ জন) মো. সামসুজ্জামান, গাওহার সিরাজ জামিল (চট্টগ্রাম), আশিকুর রহমান, ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ ও মোহাম্মদ রাশেদ।
এর আগে ১০ মে পরিচালনা পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বাধীন ‘প্রগ্রেসিভ নিট অ্যালায়েন্স’ প্যানেলের প্রার্থীরা পূর্ণ প্যানেলে জয়ী হন।
নির্বাচিত ৩৫ পরিচালক থেকে সভাপতি, নির্বাহী সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি (অর্থ) ও পাঁচজন সহসভাপতি মনোনীত হন। বাকি ২৬ জন থাকবেন পরিচালক পদে।
নির্বাচিত পরিচালকেরা হলেন— মনসুর আহমেদ, আহসান খান চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন, ইমরান কাদের তূর্য, খন্দকার সাইফুল ইসলাম, এম ইসফাক আহসান, আহমেদ নূর ফয়সাল, মো. আব্দুল হান্নান, মোহাম্মদ জাকারিয়া ওয়াহিদ, মহসিন রাব্বানি, শাহরিয়ার সাইদ, মোহাম্মদ শামসুল আজম, আব্দুল বারেক, মো. জামাল উদ্দিন মিয়া, নন্দ দুলার সাহা, রতন কুমার সাহা, মো. মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো. ইয়াসিন, রাজীব চৌধুরী, ফৌজুল ইমরান খান, মোহাম্মদ সেলিম, মিনহাজুল হক, মামুনুর রশিদ, রাকিব সোবহান মিয়া ও সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ২০২৫-২৭ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়েছে। পর্ষদে সভাপতি হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হাতেম। একই সঙ্গে নির্বাহী সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফজলে শামীম এহসান।
আজ বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএর প্রধান কার্যালয়ে নির্বাচন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পূর্বঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে দেখা যায়, নয়টি পদে নয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্বাচন ছাড়াই সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন— সিনিয়র সহসভাপতি অমল পোদ্দার; সহসভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার; সহসভাপতি (৫ জন) মো. সামসুজ্জামান, গাওহার সিরাজ জামিল (চট্টগ্রাম), আশিকুর রহমান, ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ ও মোহাম্মদ রাশেদ।
এর আগে ১০ মে পরিচালনা পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বাধীন ‘প্রগ্রেসিভ নিট অ্যালায়েন্স’ প্যানেলের প্রার্থীরা পূর্ণ প্যানেলে জয়ী হন।
নির্বাচিত ৩৫ পরিচালক থেকে সভাপতি, নির্বাহী সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি (অর্থ) ও পাঁচজন সহসভাপতি মনোনীত হন। বাকি ২৬ জন থাকবেন পরিচালক পদে।
নির্বাচিত পরিচালকেরা হলেন— মনসুর আহমেদ, আহসান খান চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন, ইমরান কাদের তূর্য, খন্দকার সাইফুল ইসলাম, এম ইসফাক আহসান, আহমেদ নূর ফয়সাল, মো. আব্দুল হান্নান, মোহাম্মদ জাকারিয়া ওয়াহিদ, মহসিন রাব্বানি, শাহরিয়ার সাইদ, মোহাম্মদ শামসুল আজম, আব্দুল বারেক, মো. জামাল উদ্দিন মিয়া, নন্দ দুলার সাহা, রতন কুমার সাহা, মো. মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো. ইয়াসিন, রাজীব চৌধুরী, ফৌজুল ইমরান খান, মোহাম্মদ সেলিম, মিনহাজুল হক, মামুনুর রশিদ, রাকিব সোবহান মিয়া ও সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
২০ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
২১ ঘণ্টা আগে