আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম

পণ্যবাহী যানবাহনের জট কমানো এবং বন্দর কার্যক্রমে আরও গতি আনতে চলতি মাসের শেষ দিকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল গেট ফি দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। তখন ফি দিয়ে গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে মাত্র ২ মিনিটে। বর্তমানে বন্দর গেটে হাতে হাতে (ম্যানুয়ালি) এ ফি পরিশোধের মাধ্যমে গাড়ি (ট্রাক) প্রবেশে সময় লাগে ১৫-২০ মিনিট। এতে বন্দরে গাড়ি (ট্রাক) প্রবেশে দীর্ঘ জট লেগে যায়।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে এ বন্দরের গেট ফি প্রদান কার্যক্রম ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০২১ সালের জুলাইয়ে। কিন্তু নানা জটিলতায় গাড়ি প্রবেশের এই ডিজিটাল কার্যক্রম এত দিন সফল হয়নি। তবে তিন বছর পর আবারও গতি পেয়েছে এ কার্যক্রম।
বর্তমানে প্রতিটি গাড়ি বন্দরে প্রবেশে ফি দিতে হয় ৫৭ দশমিক ৫০ টাকা। বন্দর গেটে এসে ম্যানুয়ালি এ ফি পরিশোধে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বন্দর গেটে আসার আগে যেকোনো স্থান থেকে এন্ট্রি ফি পরিশোধ করতে পারবেন গাড়িচালকেরা। টাকা পরিশোধের কাগজপত্র দেখিয়ে ১ থেকে ২ মিনিটের মধ্যে বন্দরে প্রবেশ করতে পারবেন গাড়ি নিয়ে।
চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার গাড়ি প্রবেশ করে এবং বের হয়। ডিজিটাল ব্যবস্থায় প্রবেশ ফি প্রদান ব্যবস্থা চালুর পর পণ্যবাহী যানবাহনের জন্য স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রবেশ প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হয় টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টস) মাধ্যমে। টস সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এই ডিজিটাল গেট ফি সিস্টেম। নতুন নিয়মে প্রবেশ ফি একই থাকবে বলে জানান বন্দরের কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (সিকিউরিটি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিমধ্যে আংশিকভাবে ডিজিটাল এন্ট্রি চালু হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে পুরোপুরি চালু করা যাবে।
বন্দর সূত্র জানায়, গাড়ি প্রবেশ সিস্টেম ডিজিটাল করতে বন্দরে পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত প্রায় ১ লাখ ট্রাকচালক ও হেলপারের ছবি দিয়ে বন্দর সফটওয়্যারে তথ্য নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। এটি পুরোপুরি চালু হলে বন্দরে প্রবেশে সময়ক্ষেপণ ও যানজট কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১২ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের কম্পিউটারাইজড কনটেইনার টার্মিনাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিটিএমএস) উদ্বোধনের মাধ্যমে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করে চট্টগ্রাম বন্দর। পরে সিটিএমএসকে আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস) করা হয়।
টস অনলাইন পেমেন্ট ফর গেট টিকিট ২০২১ সালে চালু হলেও চালক ও হেলপারদের অনলাইনে গেটপাস নেওয়া এবং পেমেন্ট দেওয়ার বিষয়টি পরিচিত করতে সময় লেগেছে।

পণ্যবাহী যানবাহনের জট কমানো এবং বন্দর কার্যক্রমে আরও গতি আনতে চলতি মাসের শেষ দিকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল গেট ফি দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। তখন ফি দিয়ে গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে মাত্র ২ মিনিটে। বর্তমানে বন্দর গেটে হাতে হাতে (ম্যানুয়ালি) এ ফি পরিশোধের মাধ্যমে গাড়ি (ট্রাক) প্রবেশে সময় লাগে ১৫-২০ মিনিট। এতে বন্দরে গাড়ি (ট্রাক) প্রবেশে দীর্ঘ জট লেগে যায়।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে এ বন্দরের গেট ফি প্রদান কার্যক্রম ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০২১ সালের জুলাইয়ে। কিন্তু নানা জটিলতায় গাড়ি প্রবেশের এই ডিজিটাল কার্যক্রম এত দিন সফল হয়নি। তবে তিন বছর পর আবারও গতি পেয়েছে এ কার্যক্রম।
বর্তমানে প্রতিটি গাড়ি বন্দরে প্রবেশে ফি দিতে হয় ৫৭ দশমিক ৫০ টাকা। বন্দর গেটে এসে ম্যানুয়ালি এ ফি পরিশোধে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বন্দর গেটে আসার আগে যেকোনো স্থান থেকে এন্ট্রি ফি পরিশোধ করতে পারবেন গাড়িচালকেরা। টাকা পরিশোধের কাগজপত্র দেখিয়ে ১ থেকে ২ মিনিটের মধ্যে বন্দরে প্রবেশ করতে পারবেন গাড়ি নিয়ে।
চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার গাড়ি প্রবেশ করে এবং বের হয়। ডিজিটাল ব্যবস্থায় প্রবেশ ফি প্রদান ব্যবস্থা চালুর পর পণ্যবাহী যানবাহনের জন্য স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রবেশ প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হয় টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টস) মাধ্যমে। টস সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এই ডিজিটাল গেট ফি সিস্টেম। নতুন নিয়মে প্রবেশ ফি একই থাকবে বলে জানান বন্দরের কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (সিকিউরিটি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিমধ্যে আংশিকভাবে ডিজিটাল এন্ট্রি চালু হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে পুরোপুরি চালু করা যাবে।
বন্দর সূত্র জানায়, গাড়ি প্রবেশ সিস্টেম ডিজিটাল করতে বন্দরে পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত প্রায় ১ লাখ ট্রাকচালক ও হেলপারের ছবি দিয়ে বন্দর সফটওয়্যারে তথ্য নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। এটি পুরোপুরি চালু হলে বন্দরে প্রবেশে সময়ক্ষেপণ ও যানজট কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১২ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের কম্পিউটারাইজড কনটেইনার টার্মিনাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিটিএমএস) উদ্বোধনের মাধ্যমে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করে চট্টগ্রাম বন্দর। পরে সিটিএমএসকে আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস) করা হয়।
টস অনলাইন পেমেন্ট ফর গেট টিকিট ২০২১ সালে চালু হলেও চালক ও হেলপারদের অনলাইনে গেটপাস নেওয়া এবং পেমেন্ট দেওয়ার বিষয়টি পরিচিত করতে সময় লেগেছে।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৮ ঘণ্টা আগে