নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারে ব্রোকারেজ হাউসের কিছু ট্রেডার বিনিয়োগকারীকে প্রলোভন দেখিয়ে বেশি দামে কারসাজির শেয়ার কিনতে উদ্বুদ্ধ করেন। বিনিয়োগকারীদের ওই সব শেয়ারে ঢুকিয়ে কারসাজিকারকেরা বেরিয়ে যান। কিছুদিন পরে সেসব শেয়ারের ক্রেতা থাকে না। লোকসানে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। এই পদ্ধতিকে শেয়ার ডাম্পিং বলা হয়। পুঁজিবাজারের জুয়াড়িদের এ কাজে সহায়তা করেন কিছু অসাধু ট্রেডার। এতে নিঃস্ব হন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এমন প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজের গ্রাহক রিয়াজুল ইসলাম। ৮ সেপ্টেম্বর বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন। রিয়াজুলের অভিযোগ, হাউসটির ট্রেডার মো. ইমরান চৌধুরী তাঁর সঙ্গে এমন প্রতারণা করেছেন। রিয়াজুলের সম্মতি ছাড়াই তাঁর বিও হিসাব থেকে নিয়মিত শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এতে করে রিয়াজুল ৩৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে শেষে ১ লাখ টাকা ফেরত পেয়েছেন। এ অবস্থায় দোষীদের বিচার দাবি করেছেন রিয়াজুল ইসলাম।
এ বিষয়ে রিয়াজুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইমরান আমার পূর্বপরিচিত ছিল। তাঁকে বিশ্বাস করে শেয়ার কিনেছি। আর নিষেধ করার পরেও সে আমার অনুমতি ছাড়া শেয়ার কেনাবেচা করেছে।’
বিএসইসিকে দেওয়া রিয়াজুলের চিঠি থেকে জানা যায়, ইমরানের পরামর্শে ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার কেনেন রিয়াজুল। এরপর কয়েক মাস তিনি ব্যক্তিগত কাজে দেশে-বিদেশে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু এই সময়ে ইমরান অনুমতি ছাড়াই রিয়াজুলের বিও থেকে লেনদেন করেছেন। পাঁচ-ছয় মাস পর শেয়ার বিক্রি করে টাকা ফেরত চাইলে ইমরান মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা রিয়াজুলকে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানার জন্য ফোন করা হলেও ইমরান চৌধুরীর ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসনাত আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রিয়াজুল ১০ বছর ধরে বাজারে আছে। প্রতিদিনের লেনদেনের মেসেজ সিডিবিএল থেকে তাঁর কাছে যায়। তিনি তিন মাস আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে এখন যদি অভিযোগ করেন, তাহলে কী বলবেন?’

পুঁজিবাজারে ব্রোকারেজ হাউসের কিছু ট্রেডার বিনিয়োগকারীকে প্রলোভন দেখিয়ে বেশি দামে কারসাজির শেয়ার কিনতে উদ্বুদ্ধ করেন। বিনিয়োগকারীদের ওই সব শেয়ারে ঢুকিয়ে কারসাজিকারকেরা বেরিয়ে যান। কিছুদিন পরে সেসব শেয়ারের ক্রেতা থাকে না। লোকসানে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। এই পদ্ধতিকে শেয়ার ডাম্পিং বলা হয়। পুঁজিবাজারের জুয়াড়িদের এ কাজে সহায়তা করেন কিছু অসাধু ট্রেডার। এতে নিঃস্ব হন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এমন প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজের গ্রাহক রিয়াজুল ইসলাম। ৮ সেপ্টেম্বর বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন। রিয়াজুলের অভিযোগ, হাউসটির ট্রেডার মো. ইমরান চৌধুরী তাঁর সঙ্গে এমন প্রতারণা করেছেন। রিয়াজুলের সম্মতি ছাড়াই তাঁর বিও হিসাব থেকে নিয়মিত শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এতে করে রিয়াজুল ৩৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে শেষে ১ লাখ টাকা ফেরত পেয়েছেন। এ অবস্থায় দোষীদের বিচার দাবি করেছেন রিয়াজুল ইসলাম।
এ বিষয়ে রিয়াজুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইমরান আমার পূর্বপরিচিত ছিল। তাঁকে বিশ্বাস করে শেয়ার কিনেছি। আর নিষেধ করার পরেও সে আমার অনুমতি ছাড়া শেয়ার কেনাবেচা করেছে।’
বিএসইসিকে দেওয়া রিয়াজুলের চিঠি থেকে জানা যায়, ইমরানের পরামর্শে ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার কেনেন রিয়াজুল। এরপর কয়েক মাস তিনি ব্যক্তিগত কাজে দেশে-বিদেশে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু এই সময়ে ইমরান অনুমতি ছাড়াই রিয়াজুলের বিও থেকে লেনদেন করেছেন। পাঁচ-ছয় মাস পর শেয়ার বিক্রি করে টাকা ফেরত চাইলে ইমরান মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা রিয়াজুলকে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানার জন্য ফোন করা হলেও ইমরান চৌধুরীর ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসনাত আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রিয়াজুল ১০ বছর ধরে বাজারে আছে। প্রতিদিনের লেনদেনের মেসেজ সিডিবিএল থেকে তাঁর কাছে যায়। তিনি তিন মাস আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে এখন যদি অভিযোগ করেন, তাহলে কী বলবেন?’

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১২ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৩ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১৩ ঘণ্টা আগে
দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১৩ ঘণ্টা আগে