আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন দ্রুত অনুষ্ঠানের দাবি করেছেন সংগঠনটির সাবেক নেতারা। সাবেক সভাপতি, সহসভাপতি ও সাধারণ সদস্যরা এই দাবি জানান।
বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি এসএম নুরুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এই তথ্য জানানো হয়।
বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ৩৫০০ পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার জন্য ৩৫ সদস্যের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ থাকে। পরিচালনা পর্ষদ দুই বৎসরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
বিগত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশের সরকার পতন হয়। স্বৈরশাসকের বিদায়ের পর দেশে নানাবিধ বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। যার প্রভাব পোশাক শিল্পেও পড়ে। ফলশ্রুতিতে এ শিল্প সেক্টরে উৎপাদন ও বিপণনে বিঘ্ন ঘটে।
এর মধ্যে গত ২৪ আগস্ট এস এম মান্নান সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়।
তবে এটি ত্রুটিপূর্ণ ঘোষণা করে পর্ষদ ভেঙে দিয়ে ২১ অক্টোবর রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেনকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রশাসককে ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
বিজিএমইএর পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখা আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়, তৈরি পোশাকশিল্পের সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে পর্ষদ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। মূলত এসব অভিযোগে পর্ষদ ভেঙে ১২০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পর্ষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান দুরবস্থার প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র সম্মেলন কক্ষে সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতির মাধ্যমে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন-বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস. এম. নুরুল হক।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএর সহায়ক কমিটির সদস্য এমডি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এরশাদ উল্লাহ, নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও সাবেক সহসভাপতি এ. এম. চৌধুরী সেলিমসহ ২০০ জন সদস্য।
বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি আবদুস সালাম বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সীমাহীন সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কাজ গুলো স্থবির হয়ে আছে, সমস্যা বেড়েই চলছে। সমস্যাগুলো আমাদের সকলের। সমাধানের জন্য প্রয়োজন নির্বাচিত প্রতিনিধির দ্বারা বিজিএমইএ পরিচালনা করা। এ বিষয়ে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
প্রশাসক নিয়োগের ব্যাপারে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘প্রশাসক কেন নিয়োগ হলো তা আমরা জানি না। প্রশাসক আবার সহায়ক নিয়োগ দিলেন, কিন্তু আমরা হয়ে পড়েছি অসহায়। আমরা কারখানা চালাতে পারছি না। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যায় না।’
তিনি সদস্যপদ নবায়ন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে বাতিল করার জন্য জোর দাবি জানান। অন্যথায় আইনের সহযোগিতাও নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি অতি দ্রুত নির্বাচনের দাবিও জানান।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন দ্রুত অনুষ্ঠানের দাবি করেছেন সংগঠনটির সাবেক নেতারা। সাবেক সভাপতি, সহসভাপতি ও সাধারণ সদস্যরা এই দাবি জানান।
বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি এসএম নুরুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এই তথ্য জানানো হয়।
বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ৩৫০০ পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার জন্য ৩৫ সদস্যের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ থাকে। পরিচালনা পর্ষদ দুই বৎসরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
বিগত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশের সরকার পতন হয়। স্বৈরশাসকের বিদায়ের পর দেশে নানাবিধ বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। যার প্রভাব পোশাক শিল্পেও পড়ে। ফলশ্রুতিতে এ শিল্প সেক্টরে উৎপাদন ও বিপণনে বিঘ্ন ঘটে।
এর মধ্যে গত ২৪ আগস্ট এস এম মান্নান সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়।
তবে এটি ত্রুটিপূর্ণ ঘোষণা করে পর্ষদ ভেঙে দিয়ে ২১ অক্টোবর রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেনকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রশাসককে ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
বিজিএমইএর পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখা আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়, তৈরি পোশাকশিল্পের সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে পর্ষদ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। মূলত এসব অভিযোগে পর্ষদ ভেঙে ১২০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পর্ষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান দুরবস্থার প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র সম্মেলন কক্ষে সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতির মাধ্যমে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন-বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস. এম. নুরুল হক।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএর সহায়ক কমিটির সদস্য এমডি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এরশাদ উল্লাহ, নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও সাবেক সহসভাপতি এ. এম. চৌধুরী সেলিমসহ ২০০ জন সদস্য।
বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি আবদুস সালাম বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সীমাহীন সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কাজ গুলো স্থবির হয়ে আছে, সমস্যা বেড়েই চলছে। সমস্যাগুলো আমাদের সকলের। সমাধানের জন্য প্রয়োজন নির্বাচিত প্রতিনিধির দ্বারা বিজিএমইএ পরিচালনা করা। এ বিষয়ে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
প্রশাসক নিয়োগের ব্যাপারে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘প্রশাসক কেন নিয়োগ হলো তা আমরা জানি না। প্রশাসক আবার সহায়ক নিয়োগ দিলেন, কিন্তু আমরা হয়ে পড়েছি অসহায়। আমরা কারখানা চালাতে পারছি না। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যায় না।’
তিনি সদস্যপদ নবায়ন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে বাতিল করার জন্য জোর দাবি জানান। অন্যথায় আইনের সহযোগিতাও নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি অতি দ্রুত নির্বাচনের দাবিও জানান।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ দিয়ে ১৪ জানুয়ারি শরিয়াহভিত্তিক সুকুক বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। ইজারা পদ্ধতিতে ১০ বছর মেয়াদি এই বন্ড থেকে বছরে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মুনাফা মিলবে। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গণভোট ইস্যুতে প্রচারে আর্থিক সহায়তা চাইলে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
২ ঘণ্টা আগে
নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৮ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১৬ ঘণ্টা আগে