নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্দোলনের সময় সরকারি ছুটি, অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে কারখানার উৎপাদন ও রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অর্থ সংকটে অনেক মালিক বেতন দিতে পারবেন না। এই অবস্থায় পোশাক শিল্পকে ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের কাছে সহজ শর্তে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়েছেন বিজিএমইএর নতুন সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কার্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিজিএমইএ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কারখানায় প্রায় ১৬ দিন উৎপাদন করা যায়নি। এই কারণে আমরা একটি সহজ ঋণের জন্য উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেছি। একটা মাসের জন্য যদি সহজ ঋণ দেওয়া যায়, এই ঋণ সুদসহ এক বছরের মধ্যে আমরা ফেরত দিয়ে দেব। এ ছাড়া আরও ছোট ছোট কিছু ইস্যু ছিল। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, আমরাও এই সরকারের সঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।
খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু তৈরি পোশাক খাতের জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আনুমানিক ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা সহজ ঋণ চেয়েছি। গত ৪৫ দিনের মধ্যে আমাদের ১৬–১৭ দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল। পাশাপাশি বন্যার কারণেও চার–পাঁচ দিন রপ্তানি করা যায়নি। অনেকগুলো কারণে শুধু এই খাতের জন্য সহায়তা চেয়েছি।’
এই সরকার থাকা পর্যন্ত অর্থনীতি গতিশীল রাখতে যা করা দরকার তার সবই ব্যবসায়ীরা করবেন বলে জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

আন্দোলনের সময় সরকারি ছুটি, অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে কারখানার উৎপাদন ও রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অর্থ সংকটে অনেক মালিক বেতন দিতে পারবেন না। এই অবস্থায় পোশাক শিল্পকে ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের কাছে সহজ শর্তে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়েছেন বিজিএমইএর নতুন সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কার্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিজিএমইএ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কারখানায় প্রায় ১৬ দিন উৎপাদন করা যায়নি। এই কারণে আমরা একটি সহজ ঋণের জন্য উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেছি। একটা মাসের জন্য যদি সহজ ঋণ দেওয়া যায়, এই ঋণ সুদসহ এক বছরের মধ্যে আমরা ফেরত দিয়ে দেব। এ ছাড়া আরও ছোট ছোট কিছু ইস্যু ছিল। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, আমরাও এই সরকারের সঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।
খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু তৈরি পোশাক খাতের জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আনুমানিক ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা সহজ ঋণ চেয়েছি। গত ৪৫ দিনের মধ্যে আমাদের ১৬–১৭ দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল। পাশাপাশি বন্যার কারণেও চার–পাঁচ দিন রপ্তানি করা যায়নি। অনেকগুলো কারণে শুধু এই খাতের জন্য সহায়তা চেয়েছি।’
এই সরকার থাকা পর্যন্ত অর্থনীতি গতিশীল রাখতে যা করা দরকার তার সবই ব্যবসায়ীরা করবেন বলে জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
২ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৩ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৬ ঘণ্টা আগে