মাহফুজুল ইসলাম, ঢাকা

নতুন অর্থবছরের শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি খাতকে প্রাণবন্ত করেছিল। কিন্তু সেই উচ্ছ্বাস এক মাসও টিকল না। আগস্টে বিশ্ববাজারে দেশের রপ্তানি বড় ধরনের হোঁচট খেল। আয় ছিল ৩৯১ কোটি ডলার, লক্ষ্যের চেয়ে ১১ কোটি ও জুলাইয়ের তুলনায় ৮৬ কোটি কম। জুলাইয়ে রপ্তানি ছিল ৪৭৭ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি তখন ২৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।
শুধু মাসের তুলনায় নয়, গত বছরের আগস্টের চেয়ে আয় কমেছে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বা ১২ কোটি ডলার। যেখানে ২০২৪ সালের আগস্টে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। এই ধাক্কা বৈশ্বিক অস্থিরতা ও দেশের রপ্তানি খাতের নাজুক অবস্থার প্রতিফলন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পাওয়া গেছে এমন তথ্য।
তবে ইপিবির তথ্যে মাসওয়ারি অর্জন ও প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় হতাশ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও সুসংবাদও মিলেছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাস মিলিয়ে রপ্তানির সামগ্রিক চিত্র একেবারে মন্দ নয়। জুলাই-আগস্টে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৬৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি।
এ প্রসঙ্গে উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারক বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগস্টে রপ্তানি কম হওয়া স্বাভাবিক। ক্রয়াদেশ কম থাকায় এবং শুল্ক অনিশ্চয়তায় এমনটি ঘটেছে। তবে সেপ্টেম্বরের পর থেকে বাজারে অর্ডার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকে ধাক্কাটা প্রবল। আগস্টে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। তবে দুই মাস মিলিয়ে এই খাতে আয় হয়েছে ৭১৩ কোটি ৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। পোশাকশিল্পের মালিকেরা বলছেন, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে স্বাভাবিকভাবে রপ্তানি কিছুটা কম থাকে। তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে জুলাইয়ে বাড়তি পণ্য রপ্তানি হওয়ায় আগস্টে গতি কমেছে।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকে ধাক্কা লেগেছে বেশি। আগস্টে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। তবে দুই মাস মিলিয়ে এই খাত থেকে আয় হয়েছে ৭১৩ কোটি ৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি।
অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, জুলাই-সেপ্টেম্বরে সাধারণত পোশাক রপ্তানি কম হয়। গত বছরে আন্দোলনের কারণে জুলাইয়ে অর্ডার আটকা থাকায় আগস্টে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়, যা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, গত বছর আগস্টে বিশ্ববাজার ইতিবাচক থাকলেও এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে অর্ডার কমেছে। ফলে পণ্য রপ্তানি কমেছে।
অন্যদিকে কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াজাত পণ্যে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। আগস্টে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১০ কোটি ১৩ লাখ ডলারের, আর প্লাস্টিক রপ্তানি হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের।
বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় ছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের বেশি। এবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্য আরও বড়, ৫ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে আসবে ৪ হাজার ৪৮ কোটি ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে প্রায় ১২ শতাংশ।

নতুন অর্থবছরের শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি খাতকে প্রাণবন্ত করেছিল। কিন্তু সেই উচ্ছ্বাস এক মাসও টিকল না। আগস্টে বিশ্ববাজারে দেশের রপ্তানি বড় ধরনের হোঁচট খেল। আয় ছিল ৩৯১ কোটি ডলার, লক্ষ্যের চেয়ে ১১ কোটি ও জুলাইয়ের তুলনায় ৮৬ কোটি কম। জুলাইয়ে রপ্তানি ছিল ৪৭৭ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি তখন ২৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।
শুধু মাসের তুলনায় নয়, গত বছরের আগস্টের চেয়ে আয় কমেছে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বা ১২ কোটি ডলার। যেখানে ২০২৪ সালের আগস্টে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। এই ধাক্কা বৈশ্বিক অস্থিরতা ও দেশের রপ্তানি খাতের নাজুক অবস্থার প্রতিফলন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পাওয়া গেছে এমন তথ্য।
তবে ইপিবির তথ্যে মাসওয়ারি অর্জন ও প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় হতাশ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও সুসংবাদও মিলেছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাস মিলিয়ে রপ্তানির সামগ্রিক চিত্র একেবারে মন্দ নয়। জুলাই-আগস্টে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৬৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি।
এ প্রসঙ্গে উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারক বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগস্টে রপ্তানি কম হওয়া স্বাভাবিক। ক্রয়াদেশ কম থাকায় এবং শুল্ক অনিশ্চয়তায় এমনটি ঘটেছে। তবে সেপ্টেম্বরের পর থেকে বাজারে অর্ডার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকে ধাক্কাটা প্রবল। আগস্টে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। তবে দুই মাস মিলিয়ে এই খাতে আয় হয়েছে ৭১৩ কোটি ৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। পোশাকশিল্পের মালিকেরা বলছেন, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে স্বাভাবিকভাবে রপ্তানি কিছুটা কম থাকে। তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে জুলাইয়ে বাড়তি পণ্য রপ্তানি হওয়ায় আগস্টে গতি কমেছে।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকে ধাক্কা লেগেছে বেশি। আগস্টে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। তবে দুই মাস মিলিয়ে এই খাত থেকে আয় হয়েছে ৭১৩ কোটি ৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি।
অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, জুলাই-সেপ্টেম্বরে সাধারণত পোশাক রপ্তানি কম হয়। গত বছরে আন্দোলনের কারণে জুলাইয়ে অর্ডার আটকা থাকায় আগস্টে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়, যা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, গত বছর আগস্টে বিশ্ববাজার ইতিবাচক থাকলেও এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে অর্ডার কমেছে। ফলে পণ্য রপ্তানি কমেছে।
অন্যদিকে কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াজাত পণ্যে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। আগস্টে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১০ কোটি ১৩ লাখ ডলারের, আর প্লাস্টিক রপ্তানি হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের।
বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় ছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের বেশি। এবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্য আরও বড়, ৫ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে আসবে ৪ হাজার ৪৮ কোটি ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে প্রায় ১২ শতাংশ।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৯ ঘণ্টা আগে