
বিশ্ববাজারে চাহিদার ধীরগতি ও দেশের অর্থনীতিতে নানা চাপের মধ্যেও রপ্তানি আয় ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের তৈরি পণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাবদ আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ সময়ে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার..

বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটজাত পণ্যের ওপর ভারতের সরকার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরও বাড়িয়েছে। এর ফলে ভারতের স্থানীয় পাটপণ্য উৎপাদকেরা সুরক্ষা পাবেন বলে আশা করা হলেও বাংলাদেশের জন্য এটি খারাপ খবর। একই সঙ্গে ভারতীয় পাটকলগুলোর পাটপণ্যের চাহিদা এবং উৎপাদন সক্ষমতার ব্যবহারও বাড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ, ভারতসহ ২০টি অংশীদার দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট উপাদানকে আমদানি শুল্ক থেকে ছাড় দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে বাংলাদেশে তৈরি পাটপণ্যের রপ্তানি কমলেও, দেশটির বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৪৪৫ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে ভারত সরকার।