
মার্কিন বাজারে হঠাৎ ঝুঁকিতে পড়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি। কারণ, ভারতের পণ্যের ওপর মার্কিন পাল্টা শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে, অথচ বাংলাদেশের পণ্যের ওপর সেই শুল্ক এখনো ২০ শতাংশে আটকে আছে। এই সামান্য পার্থক্যই দুই দেশের মধ্যে মূল্যগত প্রতিযোগিতায় বড় ফাঁক তৈরি করেছে।

দেশের বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে ইপিজেড স্থাপনের সুযোগ দিয়ে তৎকালীন সরকার ওই আইনটি প্রণয়ন করেছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনটির কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি রহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৈশ্বিক বাজারে রপ্তানি চাপে থাকলেও চামড়াশিল্প এখনো প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রেখেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে সার্বিক পণ্য রপ্তানি কমলেও তুলনামূলক ভালো অবস্থান বজায় রেখেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ রপ্তানি খাতটি। তবে ডিসেম্বরে কিছুটা হোঁচট খাওয়ায় এই প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

পর্দা নেমেছে মাসব্যাপী ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৬-এর। ১ থেকে ৩১ জানুয়ারি এবারের বাণিজ্য মেলায় দেশীয় বাজারে ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য কেনাবেচা হয়েছে। একই সময়ে বিদেশিদের কাছ থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৪ কোটি টাকা) পণ্য রপ্তানির আদেশ এসেছে।