বাংলাদেশ ব্যাংকে ঝটিকা সফর করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। সোমবার (১৩ মে) বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ভবনে প্রবেশ করেন তিনি।
এই সফর বিষয়ে কিছু খোলসা করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক এটিকে ‘একান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে দাবি করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া–বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু মঙ্গলবার (১৪ মে) ঢাকায় আসছেন। এ সফরে তাঁর ব্যবসা–বিনিয়োগ, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন, নাগরিক অধিকারসহ দুই দেশের অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে। গভর্নরের সঙ্গে পিটার হাসের এই সাক্ষাতে আর্থিক খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।
সূত্র জানায়, মঙ্গলবার কলম্ব থেকে ডোনাল্ড লুর ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। গত জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে এটি তাঁর প্রথম সফর।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দল ঢাকা ঘুরে যাওয়ার পরপরই গভর্নরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই বৈঠককে অনেকে আলাদা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিপিসির (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন) লোকসান কমানোর অজুহাতে দেশের বাজারে একলাফে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। নতুন এই দর ঘোষণার পর ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১ ঘণ্টা আগে
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তবে ওয়ালমার্ট, গ্যাপ ও নেক্সটের সরবরাহকারী ‘৪এ ইয়ার্ন ডাইংয়ে’ অন্তত এখন পর্যন্ত কর্মীরা নির্বিঘ্নে হুডি সেলাই করছেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লোগো লাগাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নিরুপায় হওয়ার যুক্তি দিয়ে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। এর ফলে জ্বালানি তেলের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। গণপরিবহন খাতসহ প্রত্যক্ষভাবে জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী নাগরিক সমাজের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে এতে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে পুরোপুরি আস্থা ফেরেনি। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্রের সুদহার আপাতত অপরিবর্তিত থাকায় নিরাপদ বিনিয়োগের খোঁজে আবারও এই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন সঞ্চয়ধারী মানুষ। এর প্রমাণ মিলেছে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসের বিক্রিতে। জুলাইয়ে ২ হাজার ৫৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের
১১ ঘণ্টা আগে