নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সর্বশেষ অর্থবছরে পণ্য বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেল বাজারজাতকারী কোম্পানি রানার অটোমোবাইলসের। কোম্পানিটি হাজার কোটি টাকার ওপরে ঋণে জর্জর। ফলে গুনতে হচ্ছে অনেক সুদজনিত ব্যয়। ফলে বিক্রিতে ধস ও উচ্চ সুদজনিত ব্যয় কোম্পানিটিকে বড় লোকসানে নিয়ে গেছে। কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরের সমন্বিত নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দেখা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রানার অটোমোবাইলসের ৬৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে; যা আগের অর্থবছরে ছিল ১ হাজার ১১১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে বিক্রি কমেছে ৪৪৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বা ৪০ শতাংশ।
কোম্পানিটির ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ব্যয় হয়েছিল ৭৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা ছিল বিক্রির ৬৭ শতাংশ; যেখানে গ্রস প্রফিট বা মোট মুনাফা হয়েছিল ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। আর গত অর্থবছরের বিক্রির বিপরীতে ৬৮ শতাংশ হারে উৎপাদন ব্যয় হয়েছে ৪৫১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা; সেখানে গ্রস প্রফিট হয়েছে ২১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ হিসাবে গ্রস প্রফিট কমেছে ১৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ৪২ শতাংশ।
অথচ মুনাফা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা অর্থ উত্তোলন করে রানার অটোমোবাইলস। এই টাকার ৩৩ কোটি দিয়ে ঋণ পরিশোধ এবং ৬৩ কোটি ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয়ের কথা ছিল। এর মধ্যে চেসিস ওয়েল্ডিং লাইনের জন্য ১২ কোটি ১৮ লাখ টাকা, বডি ওয়েল্ডিং লাইনের জন্য ৭ কোটি ১০ লাখ টাকা, প্রিন্ট বুথের জন্য ২৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ভেহিকেল অ্যাসেম্বিলিং ও টেস্টের জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল রানার।
২০২২-২৩ অর্থবছরে বড় গ্রস প্রফিটের পরও কোম্পানিটিকে নিট লোকসান গুনতে হয়েছে; যার প্রধান কারণ ব্যাংকের সুদজনিত ব্যয়। কোম্পানিটির মুনাফার বড় অংশই চলে যাচ্ছে ব্যাংকের পকেটে।
রানার অটোমোবাইলসের ২০২২-২৩ অর্থবছরে পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৪৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। কিন্তু হাজার কোটি টাকার ঋণে জর্জর কোম্পানিটিকে সুদের জন্য দিতে হয়েছে ১৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা; যাতে করপূর্ব লোকসান হয় ৭৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরে কোম্পানিটির বিভিন্ন ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির কাছে দায়ের পরিমাণ রয়েছে ১ হাজার ৩০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ৫৯১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার ঋণ এবং ৫ কোটি ৪১ লাখ টাকার লিজজনিত দায় রয়েছে। এ ছাড়া স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণের কারেন্ট পোরশন হিসাবে ৩৭৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং লিজের কারেন্ট পোরশন হিসাবে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার দায় রয়েছে।
কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিক্রি থেকে উৎপাদন ব্যয়, পরিচালন ব্যয়, সুদজনিত ব্যয় ও কর সঞ্চিতি বিয়োগ এবং অন্যান্য আয় যোগ শেষে নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি লোকসান ৭ টাকা ৭৫ পয়সা। অথচ আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা হয়েছিল ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৪০ পয়সা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রানার অটোমোবাইলসের এক কর্মকর্তা জানান, বিক্রি কমার কারণে মুনাফা ঋণাত্মক হয়েছে। এ ক্ষেত্রে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার ও বাণিজ্যিক যানবাহন বিক্রি কমেছে।

সর্বশেষ অর্থবছরে পণ্য বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেল বাজারজাতকারী কোম্পানি রানার অটোমোবাইলসের। কোম্পানিটি হাজার কোটি টাকার ওপরে ঋণে জর্জর। ফলে গুনতে হচ্ছে অনেক সুদজনিত ব্যয়। ফলে বিক্রিতে ধস ও উচ্চ সুদজনিত ব্যয় কোম্পানিটিকে বড় লোকসানে নিয়ে গেছে। কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরের সমন্বিত নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দেখা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রানার অটোমোবাইলসের ৬৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে; যা আগের অর্থবছরে ছিল ১ হাজার ১১১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে বিক্রি কমেছে ৪৪৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বা ৪০ শতাংশ।
কোম্পানিটির ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ব্যয় হয়েছিল ৭৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা ছিল বিক্রির ৬৭ শতাংশ; যেখানে গ্রস প্রফিট বা মোট মুনাফা হয়েছিল ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। আর গত অর্থবছরের বিক্রির বিপরীতে ৬৮ শতাংশ হারে উৎপাদন ব্যয় হয়েছে ৪৫১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা; সেখানে গ্রস প্রফিট হয়েছে ২১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ হিসাবে গ্রস প্রফিট কমেছে ১৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ৪২ শতাংশ।
অথচ মুনাফা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা অর্থ উত্তোলন করে রানার অটোমোবাইলস। এই টাকার ৩৩ কোটি দিয়ে ঋণ পরিশোধ এবং ৬৩ কোটি ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয়ের কথা ছিল। এর মধ্যে চেসিস ওয়েল্ডিং লাইনের জন্য ১২ কোটি ১৮ লাখ টাকা, বডি ওয়েল্ডিং লাইনের জন্য ৭ কোটি ১০ লাখ টাকা, প্রিন্ট বুথের জন্য ২৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ভেহিকেল অ্যাসেম্বিলিং ও টেস্টের জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল রানার।
২০২২-২৩ অর্থবছরে বড় গ্রস প্রফিটের পরও কোম্পানিটিকে নিট লোকসান গুনতে হয়েছে; যার প্রধান কারণ ব্যাংকের সুদজনিত ব্যয়। কোম্পানিটির মুনাফার বড় অংশই চলে যাচ্ছে ব্যাংকের পকেটে।
রানার অটোমোবাইলসের ২০২২-২৩ অর্থবছরে পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৪৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। কিন্তু হাজার কোটি টাকার ঋণে জর্জর কোম্পানিটিকে সুদের জন্য দিতে হয়েছে ১৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা; যাতে করপূর্ব লোকসান হয় ৭৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরে কোম্পানিটির বিভিন্ন ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির কাছে দায়ের পরিমাণ রয়েছে ১ হাজার ৩০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ৫৯১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার ঋণ এবং ৫ কোটি ৪১ লাখ টাকার লিজজনিত দায় রয়েছে। এ ছাড়া স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণের কারেন্ট পোরশন হিসাবে ৩৭৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং লিজের কারেন্ট পোরশন হিসাবে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার দায় রয়েছে।
কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিক্রি থেকে উৎপাদন ব্যয়, পরিচালন ব্যয়, সুদজনিত ব্যয় ও কর সঞ্চিতি বিয়োগ এবং অন্যান্য আয় যোগ শেষে নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি লোকসান ৭ টাকা ৭৫ পয়সা। অথচ আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা হয়েছিল ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৪০ পয়সা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রানার অটোমোবাইলসের এক কর্মকর্তা জানান, বিক্রি কমার কারণে মুনাফা ঋণাত্মক হয়েছে। এ ক্ষেত্রে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার ও বাণিজ্যিক যানবাহন বিক্রি কমেছে।

অর্থনীতির চলমান চাপ এবং রাজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সরকারি খরচ চালাতে আয়ের অন্যতম উৎসে বড় ধরনের টান পড়েছে। এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজস্ব আদায়ে। এতে করে অর্থবছরের মাঝপথেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বড় ঘাটতির মুখে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহ না যেতেই আবারও দেশের বাজারে সোনার দামে রেকর্ড হয়েছে। এবার ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। এটিই দেশের বাজারে সোনার ভরির রেকর্ড দাম। সোনার নতুন এই দাম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সারা দেশ
৫ ঘণ্টা আগে
এখন বিকাশ অ্যাপ থেকে গ্রাহক নিজেই বিকাশ টু ব্যাংক, সেভিংস, মোবাইল রিচার্জ ও পে বিল সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন। সম্প্রতি বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট’ (ই-সিএমএস) সেবা। অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, তাৎক্ষণিক ও কার্যকর করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বিকাশ।
৭ ঘণ্টা আগে
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদালতের আদেশ মেনে নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে