
বিশ্বব্যাপী পোষা প্রাণীর অর্থনীতি ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কোভিড মহামারির সময় পোষা প্রাণী দত্তক নেওয়ার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। এরপর থেকে আরও বেশি মানুষ তাদের প্রিয় পোষা প্রাণীদের জন্য ব্যয়বহুল খাবার ও খেলনা কিনছে। তবে এই নিয়মিত খরচের বাইরেও, ক্রমবর্ধমান সংখ্যক মালিক তাদের পোষা প্রাণীদের জটিল অসুস্থতার চিকিৎসা এবং দীর্ঘায়ু করতে হাজার হাজার ডলার ব্যয় করছেন।
সম্প্রতি ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, বিশেষ করে, নতুন ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম এবং ওষুধ কীভাবে পোষা প্রাণীদের আয়ুষ্কাল বাড়াচ্ছে—এবং একই সঙ্গে মালিকদের পকেট ফাঁকা করে দিচ্ছে।
পোষা প্রাণীর অর্থনীতি: ব্যয় ও প্রবণতা
পোষা প্রাণীর প্রতি মানুষের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৩০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০৭০ সালের মধ্যে এটি ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
পোষা প্রাণীর পেছনে ব্যয় কত?
চিকিৎসা ও নতুন ট্রেন্ড
ব্যয় কেন বাড়ছে?
পোষা প্রাণী রাখা নাকি ফিরিয়ে দেওয়া?
মহামারির সময় নেওয়া কিছু পোষা প্রাণী এখন মানুষ ফেরত দিচ্ছে, তবে এটি ২০১৯ সালের তুলনায় কম। বেশির ভাগ মালিক তাদের প্রাণীকে রেখে দেওয়ার জন্য যেকোনো ব্যয় করতে রাজি।
ভবিষ্যৎ কী?
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পোষা প্রাণীর পেছনে ব্যয় কমবে না, বরং আরও বাড়বে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত খাবার ও নতুন পরিষেবার জন্য বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে। যদিও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কিছু লোক ব্যয় কমাতে পারে, তবে পোষা প্রাণীদের জন্য ব্যয়ের মন্দা খুব একটা প্রভাব ফেলে না।

সোনা বিক্রির ওপর বর্তমান ন্যূনতম কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.২৫ শতাংশ নির্ধারণ, উৎসে আয়কর প্রত্যাহার এবং হীরা আমদানিতে শুল্ক হ্রাসসহ ততোধিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে এসব প্রস্তাব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দিয়েছে সংগঠনটি।
৫ ঘণ্টা আগে
মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে মুখ্য ভূমিকায় থাকা রপ্তানি খাত প্রতি মাসেই প্রবৃদ্ধি অর্জনে হোঁচট খাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসের মধ্যে ৮ মাসই কমেছে দেশের পণ্য রপ্তানি আয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা শুরুর এক মাসের মাথায় বিশ্বের বহু দেশে জ্বালানির সংকট চরমে উঠেছে। দেশে দাম না বাড়লেও চাহিদামতো জ্বালানি তেল পাওয়া নিয়ে ভোক্তারা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকার বলেছে, চলতি এপ্রিল মাসের চাহিদা পূরণের মতো ব্যবস্থা বাংলাদেশের রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রোজা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাড়তি চাহিদার কারণে যে কটি পণ্যের দাম বেড়েছিল, তার মধ্যে ভোজ্যতেল, গরুর মাংস ও সোনালি মুরগি অন্যতম। এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায় ঈদের কয়েক দিন আগেই। ক্রেতাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদ শেষে এসব পণ্যের দাম আবার আগের জায়গায় নেমে আসবে।
৭ ঘণ্টা আগে