
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড) না আসায় একমাত্র রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) জ্বালানি তেল উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিশোধনের মতো সেখানে কোনো তেল আর অবশিষ্ট নেই। রিফাইনারি সূত্র জানিয়েছে, শুধু মেশিন ওয়ার্মআপে রাখা হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে অপরিশোধিত তেলের সর্বশেষ ট্যাংকার এসেছিল। ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে আর কোনো অপরিশোধিত তেলের ট্যাংকার দেশে আসতে পারছে না। গত ৩১ মার্চ সকালের হিসাব অনুযায়ী, এই রিফাইনারিতে অপরিশোধিত তেল ছিল মাত্র ২৩ হাজার টন। সেই তেল পরিশোধন ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এর কারণে রিফাইনারিতে তেল উৎপাদন এখন শূন্য। এই বিষয়ে জানতে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শরীফ হাসনাতের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, সেখানে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) রাখার ট্যাংক রয়েছে
আটটি। এর মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে দুটি ট্যাংকের।
ইআরএলে প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজার টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। বর্তমানে পরিশোধনের জন্য রিফাইনারিতে আর কোনো জ্বালানি তেল অবশিষ্ট নেই।
এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ একটি জাহাজে করে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড) আমদানি করা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় অপরিশোধিত তেলের আর কোনো জাহাজ আসতে পারছে না।
বিপিসি থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সরকার দুই ধরনের অপরিশোধিত তেল আমদানি করে। অ্যারাবিয়ান লাইট এবং মারবান ক্রুড। সরবরাহ করা জ্বালানির মধ্যে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল।
দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন। এর মধ্যে ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি হয়।

সরকার পরিবহন খাত সামনে রেখে আসন্ন বাজেটে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। বিশেষ করে গণপরিবহনে সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি নতুন যানবাহন রাস্তায় নামাতে শুল্ক ও করকাঠামোয় সমন্বয়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
২ ঘণ্টা আগে
বাজেট বাস্তবায়নের মাঝপথ পেরোতেই সরকারের ঋণনির্ভরতা পেয়েছে নতুন মাত্রা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দিকে ধীরগতিতে এগোলেও রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাত, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে সরকার।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে এক দশকে অর্থনৈতিক ইউনিট বেড়েছে ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ২২৭টি। ইউনিট বৃদ্ধির হার প্রায় ৫০ শতাংশ। এর শীর্ষে রয়েছে সেবা খাত। তবে ইউনিট বৃদ্ধির তুলনায় কর্মসংস্থান বাড়েনি। দেশের অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও তা মূলত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সেবা খাতনির্ভর।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শরুর পর বাংলাদেশে সরকার জ্বালানি তেল রেশনিং শুরু করে। তবে এই রেশনিংয়ের আগেই রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এবং তাদের অভিভাবক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অব্যবস্থাপনার কারণে হোঁচট খায় জ্বালানি খাত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে...
২ ঘণ্টা আগে