রোকন উদ্দীন, ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ভাটা পড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর বিপরীতে ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া থেকে পোশাক আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রয়প্রবণতার এই পরিবর্তনকে ব্যবসায়ীরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রবণতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পোশাক খাতকে নতুন কৌশল নিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (অটেক্সা) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনাম পোশাক রপ্তানি করেছে ১ হাজার ২৭০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৬১৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
অটেক্সার উপাত্ত বলছে, অন্যান্য রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে ভারতের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ, পাকিস্তানের ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার প্রায় ১৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এই বাড়তি প্রবৃদ্ধি এসব দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে তুলে ধরছে।
অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রধান রপ্তানিকারক দেশ চীনের পোশাক রপ্তানি ১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মেক্সিকোর রপ্তানি কমেছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। তবে সার্বিকভাবে সারা বিশ্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানি কমেছে মাত্র শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ।
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে গত বছরের তুলনায় ইউরোপ ও আমেরিকায় পোশাক আমদানি কমেছে, যার প্রভাব আমাদের রপ্তানিতেও পড়েছে। তবে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শ্রমিক অসন্তোষের মতো অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো আমাদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিচ্ছে। এসব সমস্যার সমাধান হলে আমরা রপ্তানিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারতাম।’
মহিউদ্দিন রুবেল আরও জানান, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় কমেছিল ৬ শতাংশের বেশি; তবে অক্টোবর থেকে কিছুটা প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবু প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এখনো কম। উদাহরণস্বরূপ কম্বোডিয়া ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি থেকে ১৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা তাদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ কমেছে এবং ভারতের রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশ। তবে ১০ মাস শেষে ভারত প্রায় ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যেখানে বাংলাদেশ এখনো নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য, যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশের বেশি সরবরাহ করে। যুক্তরাষ্ট্র একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ক্রেতা, যেখানে মোট রপ্তানি আয়ের ২০ থেকে ২২ শতাংশ আসে।
২০২২ সালে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৮০০ কোটি (৩৮ বিলিয়ন) ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা বৈশ্বিক পোশাক বাজারে ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ হিস্যার প্রতিনিধিত্ব করে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯৭৩ কোটি ডলার। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই রপ্তানি কমে ৭২৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা বাংলাদেশের প্রধান বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস নির্দেশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ভাটা পড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর বিপরীতে ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া থেকে পোশাক আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রয়প্রবণতার এই পরিবর্তনকে ব্যবসায়ীরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রবণতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পোশাক খাতকে নতুন কৌশল নিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (অটেক্সা) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনাম পোশাক রপ্তানি করেছে ১ হাজার ২৭০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৬১৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
অটেক্সার উপাত্ত বলছে, অন্যান্য রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে ভারতের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ, পাকিস্তানের ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার প্রায় ১৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এই বাড়তি প্রবৃদ্ধি এসব দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে তুলে ধরছে।
অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রধান রপ্তানিকারক দেশ চীনের পোশাক রপ্তানি ১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মেক্সিকোর রপ্তানি কমেছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। তবে সার্বিকভাবে সারা বিশ্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানি কমেছে মাত্র শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ।
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে গত বছরের তুলনায় ইউরোপ ও আমেরিকায় পোশাক আমদানি কমেছে, যার প্রভাব আমাদের রপ্তানিতেও পড়েছে। তবে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শ্রমিক অসন্তোষের মতো অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো আমাদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিচ্ছে। এসব সমস্যার সমাধান হলে আমরা রপ্তানিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারতাম।’
মহিউদ্দিন রুবেল আরও জানান, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় কমেছিল ৬ শতাংশের বেশি; তবে অক্টোবর থেকে কিছুটা প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবু প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এখনো কম। উদাহরণস্বরূপ কম্বোডিয়া ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি থেকে ১৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা তাদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ কমেছে এবং ভারতের রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশ। তবে ১০ মাস শেষে ভারত প্রায় ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যেখানে বাংলাদেশ এখনো নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য, যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশের বেশি সরবরাহ করে। যুক্তরাষ্ট্র একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ক্রেতা, যেখানে মোট রপ্তানি আয়ের ২০ থেকে ২২ শতাংশ আসে।
২০২২ সালে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৮০০ কোটি (৩৮ বিলিয়ন) ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা বৈশ্বিক পোশাক বাজারে ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ হিস্যার প্রতিনিধিত্ব করে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯৭৩ কোটি ডলার। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই রপ্তানি কমে ৭২৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা বাংলাদেশের প্রধান বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস নির্দেশ করে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৬ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
২০ ঘণ্টা আগে