নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইভ্যালি থেকে কর্মী কমানোর কথা স্বীকার করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন পরিচালন ব্যয় কমাতে কিছু কর্মীকে অন্যত্র চাকরি খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে এ বিবৃতি দেন তিনি।
মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ‘আমরা গ্রাহক সাপ্লায়ারসহ সবার কাছে সময় চেয়েছি যেন বিনিয়োগ সংগ্রহ করে ইভ্যালির পূর্ণ শক্তি ফেরত আনতে পারি। এই সময় বেতন পেতে বিলম্ব হতে পারে সেই শুরুতেই কর্মীদের বলা ছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে।’
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইভ্যালির একাধিক কর্মী জানিয়েছেন জুলাই থেকেই তারা বেতন পাচ্ছেন না। এ জন্য অনেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। বকেয়া বেতন পাওয়ার আশায় অনেকে এখনো অফিস করছেন। তবে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগস্ট সেপ্টেম্বরেও বেতন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তারা যেন অন্যত্র চাকরি খুঁজে নেয়।
ইভ্যালির গ্রাহকসেবা কেন্দ্রের দুজন কর্মী জানান, জুলাই থেকে হোম অফিস শুরু হওয়ার পর তারা আর বেতন পাননি। হোম অফিসের জন্য ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছিল। গত ২২ আগস্ট অফিসে ডেকে তাদের কাছ থেকে সেসব রেখে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগের সত্যতা জানতে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তারও জবাব দেননি তিনি। এ বিষয়ে ইভ্যালির দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাও কথা বলতে চাননি।
করোনায় সরকারি বিধি-নিষেধের কারণে প্রায় দেড় মাস হোম অফিসে থাকার পর গত ২২ আগস্ট ইভ্যালির অফিস খুলে দেওয়া হয়। তবে সরাসরি কাস্টমার সার্ভিস এক সপ্তাহ ধরেই বন্ধ ছিল। কাস্টমারদের অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে অফিসে আসতে বলা হয়েছিল। তবে রোববার (২৯ আগস্ট) থেকে স্বাভাবিক নিয়মে সরাসরি গ্রাহক সেবা দেওয়া শুরু হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইভ্যালি থেকে কর্মী কমানোর কথা স্বীকার করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন পরিচালন ব্যয় কমাতে কিছু কর্মীকে অন্যত্র চাকরি খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে এ বিবৃতি দেন তিনি।
মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ‘আমরা গ্রাহক সাপ্লায়ারসহ সবার কাছে সময় চেয়েছি যেন বিনিয়োগ সংগ্রহ করে ইভ্যালির পূর্ণ শক্তি ফেরত আনতে পারি। এই সময় বেতন পেতে বিলম্ব হতে পারে সেই শুরুতেই কর্মীদের বলা ছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে।’
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইভ্যালির একাধিক কর্মী জানিয়েছেন জুলাই থেকেই তারা বেতন পাচ্ছেন না। এ জন্য অনেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। বকেয়া বেতন পাওয়ার আশায় অনেকে এখনো অফিস করছেন। তবে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগস্ট সেপ্টেম্বরেও বেতন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তারা যেন অন্যত্র চাকরি খুঁজে নেয়।
ইভ্যালির গ্রাহকসেবা কেন্দ্রের দুজন কর্মী জানান, জুলাই থেকে হোম অফিস শুরু হওয়ার পর তারা আর বেতন পাননি। হোম অফিসের জন্য ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছিল। গত ২২ আগস্ট অফিসে ডেকে তাদের কাছ থেকে সেসব রেখে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগের সত্যতা জানতে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তারও জবাব দেননি তিনি। এ বিষয়ে ইভ্যালির দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাও কথা বলতে চাননি।
করোনায় সরকারি বিধি-নিষেধের কারণে প্রায় দেড় মাস হোম অফিসে থাকার পর গত ২২ আগস্ট ইভ্যালির অফিস খুলে দেওয়া হয়। তবে সরাসরি কাস্টমার সার্ভিস এক সপ্তাহ ধরেই বন্ধ ছিল। কাস্টমারদের অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে অফিসে আসতে বলা হয়েছিল। তবে রোববার (২৯ আগস্ট) থেকে স্বাভাবিক নিয়মে সরাসরি গ্রাহক সেবা দেওয়া শুরু হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ দিয়ে আগামী ১৪ জানুয়ারি শরিয়াহভিত্তিক সুকুক বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। ইজারা পদ্ধতিতে ১০ বছরমেয়াদি এই বন্ড থেকে বছরে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মুনাফা মিলবে। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
১০ মিনিট আগে
দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গণভোট ইস্যুতে প্রচারে আর্থিক সহায়তা চাইলে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
১ ঘণ্টা আগে
নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৭ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১৪ ঘণ্টা আগে