নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মুদ্রানীতি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও মূল্যস্ফীতি কমাতে ফের রেপো বা নীতি সুদহার বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওভার নাইট রেপো সুদহার আগের চেয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি সুদ দেবে।
তবে রিভার্স রেপো সুদহার বিদ্যমান বার্ষিক ৪ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে। এ নির্দেশনা আগামী ২ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
উল্লেখ্য, দেশের ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে টাকা ধার নেয়, সেটিকেই বলে রেপো। রেপো সুদহার বাড়ানো মানে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে বেশি সুদ গুনতে হবে। টাকার প্রবাহ হ্রাস করতেই সাধারণত রেপো সুদহার বাড়ানো হয়। এতে ব্যাংকগুলো বেশি সুদের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কম টাকা ধার করে।
এদিকে রেপো সুদহার বাড়ালেও ব্যাংকগুলো বর্তমানে যে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দিচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। তার মানে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেশি সুদে ধার করলেও ব্যাংকগুলো ঋণের সুদ বাড়াতে পারবে না। ফলে ব্যাংক টাকা ধার নেওয়া ও ঋণ বিতরণ দুটোই কমাবে। এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে—এমনটিই মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যেখানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খসড়া হিসাবে, গত আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, আর খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে উঠেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাব কাটিয়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শক্তিশালী হলেও চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহব্যবস্থায় সৃষ্ট সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে অসামঞ্জস্য এখনো বিদ্যমান। এর ফলে ২০২১ সালের শুরু থেকে বিশ্ববাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে, যা এখনো পূর্বাবস্থায় ফেরেনি। এ জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ওভার নাইট বা এক দিনের জন্য ধার করা টাকা বা রেপোর সুদহার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে সর্বশেষ গত ২৯ জুন রেপো সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ২৯ মে বাড়ানো হয়েছিল ৫০ বেসিস পয়েন্ট। রেপো সুদহার বাড়লেও রিভার্স রেপোর (ব্যাংক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকা তুলে নেওয়ার সুদহার) সুদহার ৪ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

মুদ্রানীতি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও মূল্যস্ফীতি কমাতে ফের রেপো বা নীতি সুদহার বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওভার নাইট রেপো সুদহার আগের চেয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি সুদ দেবে।
তবে রিভার্স রেপো সুদহার বিদ্যমান বার্ষিক ৪ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে। এ নির্দেশনা আগামী ২ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
উল্লেখ্য, দেশের ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে টাকা ধার নেয়, সেটিকেই বলে রেপো। রেপো সুদহার বাড়ানো মানে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে বেশি সুদ গুনতে হবে। টাকার প্রবাহ হ্রাস করতেই সাধারণত রেপো সুদহার বাড়ানো হয়। এতে ব্যাংকগুলো বেশি সুদের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কম টাকা ধার করে।
এদিকে রেপো সুদহার বাড়ালেও ব্যাংকগুলো বর্তমানে যে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দিচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। তার মানে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেশি সুদে ধার করলেও ব্যাংকগুলো ঋণের সুদ বাড়াতে পারবে না। ফলে ব্যাংক টাকা ধার নেওয়া ও ঋণ বিতরণ দুটোই কমাবে। এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে—এমনটিই মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যেখানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খসড়া হিসাবে, গত আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, আর খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে উঠেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাব কাটিয়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শক্তিশালী হলেও চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহব্যবস্থায় সৃষ্ট সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে অসামঞ্জস্য এখনো বিদ্যমান। এর ফলে ২০২১ সালের শুরু থেকে বিশ্ববাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে, যা এখনো পূর্বাবস্থায় ফেরেনি। এ জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ওভার নাইট বা এক দিনের জন্য ধার করা টাকা বা রেপোর সুদহার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে সর্বশেষ গত ২৯ জুন রেপো সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ২৯ মে বাড়ানো হয়েছিল ৫০ বেসিস পয়েন্ট। রেপো সুদহার বাড়লেও রিভার্স রেপোর (ব্যাংক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকা তুলে নেওয়ার সুদহার) সুদহার ৪ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে