নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্দেশে আইন করতে যাচ্ছে সরকার। আইনটি পাস হলে বাংলাদেশ ডলার ছাড়া অন্য বিদেশি মুদ্রায় ঋণ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
এ লক্ষ্যে ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বিল-২০২৩’ জাতীয় সংসদে তোলা হয়েছে। সোমবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে তোলেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে এক সপ্তাহের সময় দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমন্বয়ে গঠিত ব্রিকস জোট ২০১৪ সালে অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) নামে একটি বহুজাতিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে ৫টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসরসহ মোট ৮টি দেশ এর সদস্য। ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনডিবির সদস্য লাভ করে। এনডিবির আর্টিকেল অব অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অনুসমর্থন করা প্রয়োজন।
বিলটি তোলার সময় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রিকস গোষ্ঠী থেকে এই ব্যাংকটি করা হচ্ছে। এই ব্যাংকে যাঁরা সদস্য হবেন, তাঁরা এ ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবেন। এই ব্যাংক আইনটা করার সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে ইতিমধ্যে আমাদের প্রস্তাব অনুযায়ী তারা আমাদের ঋণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। এই আইন করার পরই আমরা সেই চুক্তিতে সদস্য হব। সদস্য হওয়ার পরই সেই ঋণটা নিতে পারব।

মানববন্ধনে ক্যাবের পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি তুলে ধরে জানানো হয়, সরকার নির্ধারিত দামে খোলা সয়াবিন তেলের মূল্য ১৮৫ টাকা এবং বোতলজাত তেলের মূল্য ১৯৫ টাকা হলেও বাস্তবে বাজারে বোতলজাত তেল ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
গত সোমবার সোনার দাম কমেছিল ২ হাজার ১৫৮ টাকা। দুদিন পরই আজ বুধবার সোনার দাম বাড়ল ৬ হাজার ৬৭০ টাকা। অন্যদিকে বেড়েছে রুপার দামও। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারেও এই মূল্যবান ধাতু দুটির দাম বেড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির খবরে আর্থিক ও জ্বালানির বাজারে খানিকটা সুবাতাস বয়ে গেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেলের দাম অনেক কমেছে, বন্ডের দাম বেড়েছে এবং শেয়ার বাজারে বড় ধরনের উত্থান হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড) না আসায় একমাত্র রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) জ্বালানি তেল উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিশোধনের মতো সেখানে কোনো তেল আর অবশিষ্ট নেই। রিফাইনারি সূত্র জানিয়েছে, শুধু মেশিন ওয়ার্মআপে রাখা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে