
প্রায় ২০০০ কোটি টাকার পণ্য, জিনিসপত্র ও যন্ত্রাংশ কেনার সাত প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।
মোট ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ক্রয় প্রস্তাবের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের তিনটি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দুটি প্রস্তাব রয়েছে।
এর মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) আওতাধীন বিবিয়ানা দক্ষিণ ৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র মেরামতের জন্য ব্যয় হবে ৯০১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার বেশি। আর বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধনের জন্য খুলনা বিভাগের দুটি প্রস্তাবে মোট ৯টি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২৫৬ কোটি টাকার কেনাকাটা হবে।
দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৪৯৯ কোটি ১৬ লাখ ৭৫ হাজার ৬৭৩ টাকার এক কার্গো এলএনজি আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮’ অনুসরণে আন্তর্জাতিক কোটেশনপ্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট থেকে এই এলএনজি কেনা হবে।
এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়া থেকে তৃতীয় লটে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার এবং কানাডা থেকে সপ্তম লটে ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এতে যথাক্রমে ১৫৪ কোটি ৯০ লাখ ও ১৭৭ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইলিশ বাণিজ্যের চেনা চিত্র এবার উল্টে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের সবচেয়ে বড় বিদেশি বাজার ছিল ভারত। বিশেষ করে দুর্গাপূজার মৌসুমে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা হতো।
৯ ঘণ্টা আগে
শিল্পের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল। একটি দেশে বিনিয়োগ কতটা বাড়ল কিংবা কমল, নির্দিষ্ট সময়ের হিসাবে এ দুই উপকরণের আমদানি হ্রাস-বৃদ্ধির প্রবাহ থেকেই বোঝা যায়।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে এখন গুজব, অনিশ্চয়তা ও আস্থার সংকট সমান্তরাল রেখায় চলছে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর আচরণও বেশ অস্থির হয়ে উঠছে। সপ্তাহের বেশির ভাগ কার্যদিবসে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের পরিস্থিতি তাঁদের শঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
২ দিন আগে
দেশে সবুজ বিনিয়োগ ও টেকসই অর্থায়নের গতি থমকে গেছে। এ দুই খাতে অর্থায়ন আশঙ্কাজনক কমেছে। এতে ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও দুর্বল হচ্ছে। একই সঙ্গে জ্বালানি খরচ ও দূষণ কমিয়ে সবুজ উৎপাদন ও টেকসই শিল্পায়নের পথেও বড় বাধা তৈরি হয়েছে।
২ দিন আগে