বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৯৩ টাকা ৫৭ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ২ পয়সায়। আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটারের দাম ৬০ মার্কিন সেন্ট থেকে বাড়িয়ে ৬৪ সেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নতুন দাম ঘোষণা করে। নতুন দর গতকাল রাত ১২টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে দেশের জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নির্বাহী আদেশে দাম নির্ধারণের পদ্ধতি বাতিল করে। পরে ২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল এবং জেট এ-১-এর মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বিইআরসিকে। এরপরই ২০২৪ সালের ২৩ মার্চ প্রথমবারের মতো জেট ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণের জন্য গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
বিইআরসি আগেই জানিয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতি মাসে জেট ফুয়েলের দামের সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশেও বাড়বে এবং কমলে কমবে।
প্রসঙ্গত, গত মে মাসে বিইআরসি প্রথমবার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করে। তখন অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার ১১১ টাকা থেকে কমিয়ে ৯৩ দশমিক ৫৭ টাকা এবং আন্তর্জাতিক রুটে ৭৫ সেন্ট থেকে কমিয়ে ৬০ সেন্ট করা হয়েছিল।
বিপিসির বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে জেট ফুয়েলের বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৭১ হাজার ৫৩৫ টন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪১ হাজার ৩৩ টনে।
এদিকে, নতুন দরের বিরোধিতা করে আজ বিইআরসিকে একটি চিঠি দিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। ক্যাব জানিয়েছে, জেট ফুয়েলের বিতরণ চার্জ বাড়ানোর যৌক্তিক কোনো ভিত্তি নেই এবং তারা এই বাড়তি দামের প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
সংগঠনটি দাবি করেছে, ক্যাব ও বিইআরসির মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ নিষ্পত্তির আগপর্যন্ত নতুন দাম কার্যকর না করতে।

উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৯৩ টাকা ৫৭ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ২ পয়সায়। আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটারের দাম ৬০ মার্কিন সেন্ট থেকে বাড়িয়ে ৬৪ সেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নতুন দাম ঘোষণা করে। নতুন দর গতকাল রাত ১২টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে দেশের জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নির্বাহী আদেশে দাম নির্ধারণের পদ্ধতি বাতিল করে। পরে ২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল এবং জেট এ-১-এর মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বিইআরসিকে। এরপরই ২০২৪ সালের ২৩ মার্চ প্রথমবারের মতো জেট ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণের জন্য গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
বিইআরসি আগেই জানিয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতি মাসে জেট ফুয়েলের দামের সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশেও বাড়বে এবং কমলে কমবে।
প্রসঙ্গত, গত মে মাসে বিইআরসি প্রথমবার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করে। তখন অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার ১১১ টাকা থেকে কমিয়ে ৯৩ দশমিক ৫৭ টাকা এবং আন্তর্জাতিক রুটে ৭৫ সেন্ট থেকে কমিয়ে ৬০ সেন্ট করা হয়েছিল।
বিপিসির বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে জেট ফুয়েলের বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৭১ হাজার ৫৩৫ টন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪১ হাজার ৩৩ টনে।
এদিকে, নতুন দরের বিরোধিতা করে আজ বিইআরসিকে একটি চিঠি দিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। ক্যাব জানিয়েছে, জেট ফুয়েলের বিতরণ চার্জ বাড়ানোর যৌক্তিক কোনো ভিত্তি নেই এবং তারা এই বাড়তি দামের প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
সংগঠনটি দাবি করেছে, ক্যাব ও বিইআরসির মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ নিষ্পত্তির আগপর্যন্ত নতুন দাম কার্যকর না করতে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
১২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
১২ ঘণ্টা আগে