নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের ই-কমার্স খাতের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০২৫-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ৩১ মে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনের ১৭ দিন আগে আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি জানায় ই-ক্যাবের নির্বাচন বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০২৫-২৭ মেয়াদি দ্বিবার্ষিক-বার্ষিক নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন বোর্ড কর্তৃক গত ৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে ঘোষিত নির্বাচন তফসিলের সার্বিক কার্যক্রম অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।’
নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে ই-ক্যাবের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সেলের উপসচিব মুহাম্মদ সাঈদ আলী বলেন, সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে ছিল। কিন্তু নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তারিখ ঘোষণা করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।
ই-ক্যাবের ২০২৫-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন স্থগিতের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে, গত বছরের ২৭ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মাত্র তিন দিন আগে ২৪ জুলাই তা স্থগিত করা হয়েছিল। বারবার নির্বাচন স্থগিত করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন প্রার্থী ও ই-ক্যাব সদস্যরা।
এবার নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘টিম ইউনাইটেড’ ও ‘টিম টাইগার’ নামের দুটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রচারণাও চালাচ্ছিলেন প্রার্থীরা। টিম ইউনাইটেড প্যানেলের প্রার্থী মোছা. জান্নাতুল হক বলেন, বারবার নির্বাচন স্থগিত হওয়াটা সদস্য, ভোটার ও প্রার্থী সবার জন্য খুবই হতাশাজনক। এভাবে চলতে থাকলে ই-ক্যাবের সদস্যদের গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হবে। সংগঠন হিসেবে ই-ক্যাব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
টিম টাইগার প্যানেলের প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুজ্জামান বলেন, মাত্র কয়েক সদস্য নির্বাচন পেছানোর দাবি করেছেন। এর আগেও নির্বাচন পেছানো হয়েছে। নির্বাচন স্থগিতের পর নতুন করে ভোটার হওয়ার সুযোগ দেওয়া কতটুকু ভালো হবে, তা আমার জানা নেই। আমরা ই-ক্যাব কর্তৃপক্ষের কাছে নির্বাচন পেছানোর কারণ জানতে চেয়েছিলাম। তাঁরা জানিয়েছে, ই-ক্যাব কার্যালয় থেকে কোনো কিছু করা হয়নি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ই-ক্যাব কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে এবার ৩৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৫০২ জন।

দেশের ই-কমার্স খাতের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০২৫-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ৩১ মে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনের ১৭ দিন আগে আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি জানায় ই-ক্যাবের নির্বাচন বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০২৫-২৭ মেয়াদি দ্বিবার্ষিক-বার্ষিক নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন বোর্ড কর্তৃক গত ৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে ঘোষিত নির্বাচন তফসিলের সার্বিক কার্যক্রম অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।’
নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে ই-ক্যাবের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সেলের উপসচিব মুহাম্মদ সাঈদ আলী বলেন, সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে ছিল। কিন্তু নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তারিখ ঘোষণা করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।
ই-ক্যাবের ২০২৫-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন স্থগিতের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে, গত বছরের ২৭ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মাত্র তিন দিন আগে ২৪ জুলাই তা স্থগিত করা হয়েছিল। বারবার নির্বাচন স্থগিত করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন প্রার্থী ও ই-ক্যাব সদস্যরা।
এবার নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘টিম ইউনাইটেড’ ও ‘টিম টাইগার’ নামের দুটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রচারণাও চালাচ্ছিলেন প্রার্থীরা। টিম ইউনাইটেড প্যানেলের প্রার্থী মোছা. জান্নাতুল হক বলেন, বারবার নির্বাচন স্থগিত হওয়াটা সদস্য, ভোটার ও প্রার্থী সবার জন্য খুবই হতাশাজনক। এভাবে চলতে থাকলে ই-ক্যাবের সদস্যদের গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হবে। সংগঠন হিসেবে ই-ক্যাব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
টিম টাইগার প্যানেলের প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুজ্জামান বলেন, মাত্র কয়েক সদস্য নির্বাচন পেছানোর দাবি করেছেন। এর আগেও নির্বাচন পেছানো হয়েছে। নির্বাচন স্থগিতের পর নতুন করে ভোটার হওয়ার সুযোগ দেওয়া কতটুকু ভালো হবে, তা আমার জানা নেই। আমরা ই-ক্যাব কর্তৃপক্ষের কাছে নির্বাচন পেছানোর কারণ জানতে চেয়েছিলাম। তাঁরা জানিয়েছে, ই-ক্যাব কার্যালয় থেকে কোনো কিছু করা হয়নি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ই-ক্যাব কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে এবার ৩৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৫০২ জন।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৯ ঘণ্টা আগে