
বাংলাদেশে সোনার দামে ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙেছে। সর্বশেষ গত ৩০ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। এর আগে ২৭, ১৯ ও ৬ নভেম্বর এবং ২৭ অক্টোবর দাম বাড়ে। ফলে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় ওঠে এ মূল্যবান ধাতুর দাম। টানা পাঁচ দফা দাম বাড়ানোর পর এবার কিছুটা কমানো হলো।
আজ বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ১২৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ২২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৮৮ হাজার ৪৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনায় ভরিতে ১ হাজার ২২৫ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
অবশ্য সোনার গয়না কিনতে ক্রেতাদের এর চেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ, বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে সোনার গয়না বিক্রি করা হয়। একই সঙ্গে ভরিপ্রতি মজুরি ধরা হয় ন্যূনতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। ফলে বৃহস্পতিবার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়না কিনতে ক্রেতাদের ১ লাখ ১৭ হাজার ৩০ টাকা গুনতে হবে।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৮৯ হাজার ৯২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৯৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আজ বুধবার পর্যন্ত এ দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।

বাংলাদেশে সোনার দামে ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙেছে। সর্বশেষ গত ৩০ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। এর আগে ২৭, ১৯ ও ৬ নভেম্বর এবং ২৭ অক্টোবর দাম বাড়ে। ফলে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় ওঠে এ মূল্যবান ধাতুর দাম। টানা পাঁচ দফা দাম বাড়ানোর পর এবার কিছুটা কমানো হলো।
আজ বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ১২৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ২২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৮৮ হাজার ৪৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনায় ভরিতে ১ হাজার ২২৫ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
অবশ্য সোনার গয়না কিনতে ক্রেতাদের এর চেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ, বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে সোনার গয়না বিক্রি করা হয়। একই সঙ্গে ভরিপ্রতি মজুরি ধরা হয় ন্যূনতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। ফলে বৃহস্পতিবার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়না কিনতে ক্রেতাদের ১ লাখ ১৭ হাজার ৩০ টাকা গুনতে হবে।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৮৯ হাজার ৯২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৯৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আজ বুধবার পর্যন্ত এ দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির উদ্যোগে ১ হাজার নতুন ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসারের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি (শুল্ক) ৬০ শতাংশ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের হামলার পর সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।
২ ঘণ্টা আগে
নিজেদের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড করেছে ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদ। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সব মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন করেছে প্রতিষ্ঠানটি, ২০২৪ সালে যা ছিল প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত সব যাত্রীবাহী ফ্লাইট ও কার্গো বিমানের ভাড়া মার্কিন ডলারে নির্ধারণ ও পরিশোধের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর ফলে ২০২৩ সালের এপ্রিলে চালু হওয়া শুধু ‘বাংলাদেশি টাকা’য় ভাড়া নির্ধারণ নীতিতে পরিবর্তন এল।
৩ ঘণ্টা আগে