নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মার্চ মাসে রপ্তানিতে প্রায় ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। মার্চ মাসে ৫১০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ইপিবি জানায়, গত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা তিন মাসে পণ্য রপ্তানি ৫০০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মার্চ।
ইপিবির তথ্য বলছে, গত বছরের মার্চের তুলনায় বিদায়ী মার্চ মাসে ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ৩ হাজার ৭২০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া ৭৯ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ কম।
ইপিবির জানায়, এখন পর্যন্ত তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য ও প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। অন্যদিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল ও প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি কমেছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কম।
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। চলতি অর্থবছরে সরকার ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে।

মার্চ মাসে রপ্তানিতে প্রায় ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। মার্চ মাসে ৫১০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ইপিবি জানায়, গত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা তিন মাসে পণ্য রপ্তানি ৫০০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মার্চ।
ইপিবির তথ্য বলছে, গত বছরের মার্চের তুলনায় বিদায়ী মার্চ মাসে ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ৩ হাজার ৭২০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া ৭৯ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ কম।
ইপিবির জানায়, এখন পর্যন্ত তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য ও প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। অন্যদিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল ও প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি কমেছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কম।
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। চলতি অর্থবছরে সরকার ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৮ ঘণ্টা আগে