বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরামর্শ দিলেও সরকার তা এ মুহূর্তে বাস্তবায়ন করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। আজ বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আইএমএফের ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ফাওজুল কবির খান এ কথা বলেন।
বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, সরকার এখন আইএমএফের চাওয়া অনুযায়ী বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কারণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষ এরই মধ্যে কঠিন আর্থিক চাপে রয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ালে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে, এমন আশঙ্কার বিষয়টি সরকার আইএমএফকে জানিয়েছে। আইএমএফ এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান মেনেও নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমানোর চেষ্টা চলছে, যাতে ভর্তুকি কমানো সম্ভব হয়। বিদ্যুৎ খাতে ২০১০ সালে যে বিশেষ বিধান করা হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ কোম্পানির বোর্ডে যাঁরা সরকারি সচিব ছিলেন, তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ খাতে যেসব দুর্নীতির ঘটনা ঘটছিল, তা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া সরকার বিদ্যুৎ খাতের উন্নতির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা। বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে চায়, তবে তা যেন সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি না করে।
এই প্রেক্ষাপটে সরকার আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিবর্তে অন্যান্য উপায়ে এ খাতের সংকট মোকাবিলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের বকেয়া প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত বছরের আগস্ট থেকে এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া সাড়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বছরের বাজেট বরাদ্দের ৩০ শতাংশ বেশি। প্রতিমাসে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা নতুন করে যুক্ত হলেও রাজস্ব আহরণের অভাবে অর্থ মন্ত্রণালয় মাত্র ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে পারছে। এতে বকেয়ার পরিমাণ বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরামর্শ দিলেও সরকার তা এ মুহূর্তে বাস্তবায়ন করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। আজ বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আইএমএফের ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ফাওজুল কবির খান এ কথা বলেন।
বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, সরকার এখন আইএমএফের চাওয়া অনুযায়ী বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কারণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষ এরই মধ্যে কঠিন আর্থিক চাপে রয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ালে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে, এমন আশঙ্কার বিষয়টি সরকার আইএমএফকে জানিয়েছে। আইএমএফ এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান মেনেও নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমানোর চেষ্টা চলছে, যাতে ভর্তুকি কমানো সম্ভব হয়। বিদ্যুৎ খাতে ২০১০ সালে যে বিশেষ বিধান করা হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ কোম্পানির বোর্ডে যাঁরা সরকারি সচিব ছিলেন, তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ খাতে যেসব দুর্নীতির ঘটনা ঘটছিল, তা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া সরকার বিদ্যুৎ খাতের উন্নতির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা। বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে চায়, তবে তা যেন সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি না করে।
এই প্রেক্ষাপটে সরকার আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিবর্তে অন্যান্য উপায়ে এ খাতের সংকট মোকাবিলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের বকেয়া প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত বছরের আগস্ট থেকে এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া সাড়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বছরের বাজেট বরাদ্দের ৩০ শতাংশ বেশি। প্রতিমাসে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা নতুন করে যুক্ত হলেও রাজস্ব আহরণের অভাবে অর্থ মন্ত্রণালয় মাত্র ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে পারছে। এতে বকেয়ার পরিমাণ বাড়ছে।

দেশের বিভিন্ন রুটে দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ছিল আলোচিত ও বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের অন্যতম বড় ব্যবসা। পুরোনো সেই তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন একটি আর্থিক জটিলতা। গ্রুপটি সংকটে পড়ার ঠিক এক বছর আগে, আগের প্রায় ২০০টি বাসের সঙ্গে আরও ১৩৪টি বিলাসবহুল হিনো বাস নামানোর পরিকল্পনায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ...
৬ ঘণ্টা আগে
শিল্প ও কর্মসংস্থানের আশায় দীর্ঘ ৩৮ বছর অপেক্ষার পর এখনো কার্যকর শিল্পাঞ্চলে রূপ পায়নি কিশোরগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী। কাগজ-কলমে একে প্রায় পূর্ণ শিল্পনগরী বলা হলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে নেই শিল্পের গতি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ। অব্যবস্থাপনা, সেবার ঘাটতি আর প্রশাসনিক জটিলতায়...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানকে ঘিরে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ভেনেজুয়েলা থেকে অতিরিক্ত তেল বাজারে আসতে পারে এই সম্ভাবনাও দাম বাড়া ঠেকাতে পারেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী গতি দেখিয়েছে। স্থির মূল্যে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশে। এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে এই প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে