নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আয় তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হয়েছে। আর আগের বছরের তুলনায় কমেছে প্রায় ২৬ শতাংশ। ফ্লোর প্রাইসের কারণে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমে যাওয়ায় আয় ও মুনাফা কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসইর আয় নেমেছে ২৩৮ কোটি ১৭ লাখ টাকায়, যা আগের বছরে ছিল ৩২১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আয় কমেছে ৮৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ২৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ। তার আগের বছরেও আলোচ্য বছরের তুলনায় আয় বেশি ছিল। ২০২০-২১ অর্থবছরে ডিএসইর আয় দাঁড়িয়েছিল ২৬৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
একই সঙ্গে ডিএসইর কর-পরবর্তী মুনাফা কমেছে ৪৪ কোটি ৭ লাখ টাকা বা ৩৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ২০২১-২২ সালে এক্সচেঞ্জটির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অথচ ২০২২-২৩ সালে তা নেমেছে ৮০ কোটি ৬৩ লাখ টাকায়।
ডিএসইর আয়ের প্রধান উৎস লেনদেনের ওপর ধার্য করা কমিশন ফি। গত এক বছরে ফ্লোর প্রাইসের কারণে লেনদেনে খরা দেখা দিয়েছে পুঁজিবাজারে। যার কারণে ডিএসইর আয়েও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসইর কমিশন আয় অর্ধেকে নেমেছে। ৫০ শতাংশ কমে কমিশন আয় হয়েছে ৭৮ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট আয়ের ৩৯ শতাংশ।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডিএসইর আয়ের বড় উৎস হলো ট্রেডিংয়ের ওপরে প্রাপ্ত কমিশন। ফ্লোর প্রাইস দিয়ে তো পুঁজিবাজারকে ড্রাই করে ফেলা হয়েছে। ট্রেড হচ্ছে না। তাহলে কমিশন আসবে কীভাবে? আয় তো কমবেই।
মুনাফা কমে যাওয়ায় বছরটিতে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও কমিয়েছে ডিএসই। ২০২২-২৩ সালের জন্য ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে ডিএসই। আগের অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডাররা ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন।
গত বছরের শুরুতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন শুরু হয়। বিনিয়োগকারীদের পুঁজির সুরক্ষার অজুহাতে গত বছরের ২৮ জুলাই সব শেয়ারের সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। শুরুর দিকে ফ্লোর প্রাইস আশীর্বাদ মনে হলেও ধীরে ধীরে তা পুঁজিবাজারকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয়। দেড়-দুই হাজার কোটি টাকার ঘরে ওঠানামা করা লেনদেন নেমে আসে ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার ঘরে। ১৫০ ও ২০০ কোটি টাকার ঘরেও লেনদেন হয়েছে।
লেনদেন-খরার জন্য দায়ী ফ্লোর প্রাইস। ডিএসইতে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার এখন ফ্লোর প্রাইসে আটকে রয়েছে। এই দরে হাজার হাজার বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা নেই। ফলে এসব শেয়ার বিক্রি করে নতুন করে শেয়ার কিনতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। এতে স্বাভাবিকভাবেই লেনদেন তলানিতে ঠেকেছে, যা ডিএসইর আয় ও মুনাফায় ধস নামিয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. এ টি এম তারিকুজ্জামান বলেন, গত বছরে শেয়ার লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যার কারণে ডিএসইর আয় কমেছে। অন্যদিকে আয় কমলেও ব্যয় বেড়েছে। ফলে আয়ের সঙ্গে মুনাফাও হ্রাস পেয়েছে।

চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আয় তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হয়েছে। আর আগের বছরের তুলনায় কমেছে প্রায় ২৬ শতাংশ। ফ্লোর প্রাইসের কারণে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমে যাওয়ায় আয় ও মুনাফা কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসইর আয় নেমেছে ২৩৮ কোটি ১৭ লাখ টাকায়, যা আগের বছরে ছিল ৩২১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আয় কমেছে ৮৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ২৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ। তার আগের বছরেও আলোচ্য বছরের তুলনায় আয় বেশি ছিল। ২০২০-২১ অর্থবছরে ডিএসইর আয় দাঁড়িয়েছিল ২৬৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
একই সঙ্গে ডিএসইর কর-পরবর্তী মুনাফা কমেছে ৪৪ কোটি ৭ লাখ টাকা বা ৩৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ২০২১-২২ সালে এক্সচেঞ্জটির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অথচ ২০২২-২৩ সালে তা নেমেছে ৮০ কোটি ৬৩ লাখ টাকায়।
ডিএসইর আয়ের প্রধান উৎস লেনদেনের ওপর ধার্য করা কমিশন ফি। গত এক বছরে ফ্লোর প্রাইসের কারণে লেনদেনে খরা দেখা দিয়েছে পুঁজিবাজারে। যার কারণে ডিএসইর আয়েও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসইর কমিশন আয় অর্ধেকে নেমেছে। ৫০ শতাংশ কমে কমিশন আয় হয়েছে ৭৮ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট আয়ের ৩৯ শতাংশ।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডিএসইর আয়ের বড় উৎস হলো ট্রেডিংয়ের ওপরে প্রাপ্ত কমিশন। ফ্লোর প্রাইস দিয়ে তো পুঁজিবাজারকে ড্রাই করে ফেলা হয়েছে। ট্রেড হচ্ছে না। তাহলে কমিশন আসবে কীভাবে? আয় তো কমবেই।
মুনাফা কমে যাওয়ায় বছরটিতে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও কমিয়েছে ডিএসই। ২০২২-২৩ সালের জন্য ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে ডিএসই। আগের অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডাররা ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন।
গত বছরের শুরুতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন শুরু হয়। বিনিয়োগকারীদের পুঁজির সুরক্ষার অজুহাতে গত বছরের ২৮ জুলাই সব শেয়ারের সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। শুরুর দিকে ফ্লোর প্রাইস আশীর্বাদ মনে হলেও ধীরে ধীরে তা পুঁজিবাজারকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয়। দেড়-দুই হাজার কোটি টাকার ঘরে ওঠানামা করা লেনদেন নেমে আসে ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার ঘরে। ১৫০ ও ২০০ কোটি টাকার ঘরেও লেনদেন হয়েছে।
লেনদেন-খরার জন্য দায়ী ফ্লোর প্রাইস। ডিএসইতে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার এখন ফ্লোর প্রাইসে আটকে রয়েছে। এই দরে হাজার হাজার বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা নেই। ফলে এসব শেয়ার বিক্রি করে নতুন করে শেয়ার কিনতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। এতে স্বাভাবিকভাবেই লেনদেন তলানিতে ঠেকেছে, যা ডিএসইর আয় ও মুনাফায় ধস নামিয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. এ টি এম তারিকুজ্জামান বলেন, গত বছরে শেয়ার লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যার কারণে ডিএসইর আয় কমেছে। অন্যদিকে আয় কমলেও ব্যয় বেড়েছে। ফলে আয়ের সঙ্গে মুনাফাও হ্রাস পেয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৫ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৮ ঘণ্টা আগে